ইভ্যালি পরিচালনায় বোর্ড: আদালতে সাবেক তিন সচিবের নাম
jugantor
ইভ্যালি পরিচালনায় বোর্ড: আদালতে সাবেক তিন সচিবের নাম

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৯:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

হাইকোর্ট

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট যে বোর্ড গঠনের কথা বলেছেন তার জন্য দুই সচিবসহ তিনজনের নাম পাঠায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে ইভ্যালি পরিচালনার জন্য বোর্ড গঠনের আদেশের দিন পিছিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বোর্ড গঠনের জন্য প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের ব্যাকগ্রাউন্ড পর্যালোচনা করে আদালত আগামী সপ্তাহে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন।

বুধবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে আদেশের দিন তারিখ জানানো হয়নি।

আদালতে যাদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে তারা হলেন- স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের সাবেক সচিব রেজাউল আহসান, ভূমি সংস্কার বোর্ডের সাবেক সচিব ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী। এরমধ্যে একজনকে রাখা হবে বোর্ডে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী তাপস কান্তি বল এ তালিকা আদালতে দাখিল করেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি পরিচালনার জন্য বোর্ড গঠন করে দেওয়ার কথা বলেন হাইকোর্ট। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, একজন সচিব, চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট ও একজন আইনজীবীকে কমিটিতে রাখার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন আদালত।

শুনানিতে আদালত আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, কোম্পানির দু’জন সদস্য, দু’জনই কারাগারে। কীভাবে বোর্ড মিটিং হবে? বোর্ড মিটিং করতে গেলেও তা করা যাচ্ছে না। বোর্ড মিটিং না করতে পারলে টাকা কোথায় কী আছে, সে বিষয়েও জানা যাচ্ছে না। সাবেক বিচারপতি, সচিব ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ চার জন রাখা যেতে পারে। বেসরকারি কোম্পানিতে চার জনের বেশি সদস্যের দরকার নেই।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির সব নথি তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। সে অনুযায়ী ১১ অক্টোবর বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চে সব নথি দাখিল করেন জয়েন্ট স্টক কোম্পানির রেজিস্ট্রার। তার আগে ২২ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট।

আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন জানান, ফরহাদ হোসেন নামে এক গ্রাহক গত মে মাসে ইভ্যালিতে একটি ইলেকট্রনিক পণ্য অর্ডার করেন। অর্ডারের সময়ই পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য তিনি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। বিনিময়ে ইভ্যালি তাকে একটি রশিদ দেন। অর্ডার দেওয়ার পর দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও পণ্যটি তাকে হস্তান্তর করেনি ইভ্যালি। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা পণ্য দেওয়ার আশ্বাস দেয়। কিন্তু টাকা রিফান্ড বা পণ্য কোনোটিই না পেয়ে অবশেষে তিনি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। আবেদনে ওই গ্রাহক ইভ্যালির অবসায়ন চান।

ইভ্যালি পরিচালনায় বোর্ড: আদালতে সাবেক তিন সচিবের নাম

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাইকোর্ট
ফাইল ছবি

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট যে বোর্ড গঠনের কথা বলেছেন তার জন্য দুই সচিবসহ তিনজনের নাম পাঠায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।  তবে ইভ্যালি পরিচালনার জন্য বোর্ড গঠনের আদেশের দিন পিছিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বোর্ড গঠনের জন্য প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের ব্যাকগ্রাউন্ড পর্যালোচনা করে আদালত আগামী সপ্তাহে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন। 

বুধবার বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে আদেশের দিন তারিখ জানানো হয়নি। 

আদালতে যাদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে তারা হলেন- স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের সাবেক সচিব রেজাউল আহসান, ভূমি সংস্কার বোর্ডের সাবেক সচিব ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী। এরমধ্যে একজনকে রাখা হবে বোর্ডে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী তাপস কান্তি বল এ তালিকা আদালতে দাখিল করেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি পরিচালনার জন্য বোর্ড গঠন করে দেওয়ার কথা বলেন হাইকোর্ট। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, একজন সচিব, চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট ও একজন আইনজীবীকে কমিটিতে রাখার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন আদালত।

শুনানিতে আদালত আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, কোম্পানির দু’জন সদস্য, দু’জনই কারাগারে। কীভাবে বোর্ড মিটিং হবে? বোর্ড মিটিং করতে গেলেও তা করা যাচ্ছে না।  বোর্ড মিটিং না করতে পারলে টাকা কোথায় কী আছে, সে বিষয়েও জানা যাচ্ছে না। সাবেক বিচারপতি, সচিব ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ চার জন রাখা যেতে পারে।  বেসরকারি কোম্পানিতে চার জনের বেশি সদস্যের দরকার নেই।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির সব নথি তলব করেছিলেন হাইকোর্ট।  সে অনুযায়ী ১১ অক্টোবর বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চে সব নথি দাখিল করেন জয়েন্ট স্টক কোম্পানির রেজিস্ট্রার। তার আগে ২২ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট।

আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন জানান, ফরহাদ হোসেন নামে এক গ্রাহক গত মে মাসে ইভ্যালিতে একটি ইলেকট্রনিক পণ্য অর্ডার করেন। অর্ডারের সময়ই পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য তিনি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। বিনিময়ে ইভ্যালি তাকে একটি রশিদ দেন। অর্ডার দেওয়ার পর দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও পণ্যটি তাকে হস্তান্তর করেনি ইভ্যালি। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা পণ্য দেওয়ার আশ্বাস দেয়। কিন্তু টাকা রিফান্ড বা পণ্য কোনোটিই না পেয়ে অবশেষে তিনি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। আবেদনে ওই গ্রাহক ইভ্যালির অবসায়ন চান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন