চার দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক এক্সপো শুরু
jugantor
চার দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক এক্সপো শুরু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৩৬:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চার দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক এক্সপো শুরু

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত্ শপিমংল যমুনা ফিউচার পার্কে যমুনা গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে চার দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক এক্সপো শুরু হয়েছে। এবারের এক্সপোতে নতুন ১৮০ ধরনের ফেব্রিকের পাশাপাশি ২ হাজারের বেশি ডিজাইনের ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এক্সপোতে বিদেশি ক্রেতা ও তাদের এ দেশীয় প্রতিনিধিদের ফেব্রিক প্রদর্শন করা হবে।

শনিবার সকালে ফিতা কেটে হুরাইন ফেব্রিক এক্সপোর উদ্বোধন করেন যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক ও হুরাইন এইচটিএফ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন হুরাইন এইচটিএফের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম ও সৈয়দ মাসকুর আলী।

এক্সপো সম্পর্কে হুরাইন এইচটিএফের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম বলেন, অল্প কয়েকদিনে হুরাইন এইচটিএফ ফেব্রিকের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফেব্রিক এক্সপোগুলোতে হুরাইনের নিজস্ব উদ্ভাবনী ফেব্রিক বিদেশি ক্রেতাদের নজর কেড়েছে।

এ ধারাবাহিকতা আগামীতেও বজায় রাখতে আমরা উন্নয়ন ও গবেষণা খাতে বিপুল বিনিয়োগ করেছি। এবারের নতুন উদ্ভাবিত ১৮০টি আইটেমের ফেব্রিক আগামীতে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস টেক্স ওয়ার্ল্ডে প্রদর্শন করা হবে। এসব ফেব্রিক ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের ক্রেতাদের রুচি, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে বানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশে এই প্রথম হুরাইন এইচটিএফ ফেব্রিক এক্সপোর আয়োজন করেছে। এই এক্সপোর উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশি বায়িং হাউজগুলোকে হুরাইনের ফেব্রিক সম্পর্কে ধারণা দেয়া। অনেক বায়িং হাউজ ক্রেতাদের কাছ অর্ডার এনে তৈরি পোশাক রফতানি করে। এক্ষেত্রে তারা যেই ফেব্রিক বিদেশ থেকে আমদানি করছে তার চেয়ে ভালো মানের ফেব্রিক হুরাইন বানাতে সক্ষম, সে বিষয়টি তাদের কাছে তুলে ধরা। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এক্সপো করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরেক প্রধান বিপণন কর্মকর্তা সৈয়দ মাসকুর আলী বলেন, হুরাইন এক্সপোর প্রথম পর্বে মার্চেন্ডাইজারদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। গতবার ২ হাজারের বেশি মার্চেন্ডাইজার এক্সপো অংশ নিয়েছিল। তাদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের উজ্জীবিত করেছে। এবার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আগের বারের তুলনায় বেশি মার্চেন্ডাইজারের অংশগ্রহণ আশা করছি। এবারের এক্সপোতে ২০২২ সালের শরৎএবং ২০২৩-২৪ সালের বসন্ত ও গ্রীষ্মকালীন ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে। এক্সপোতে পুরুষ-মহিলা, যুবক-যুবতী ও বাচ্চাদের ৭০ থেকে ৪৫০ জিএসএমের সলিড, প্রিন্ট ও কালার ডেনিমের টপ ও বটম ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী কটন ফেব্রিকের ব্যবহার হ্রাস পেয়েছে। এর পরিবর্তে ম্যান মেইড ফাইবারের পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি চীনও ফেব্রিক খাতে উত্পাদন কমিয়ে দিয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমরা মাল্টি বে্লন্ডের ফেব্রিক উত্পাদনে জোর দিচ্ছি। অল্প ক'দিনেই মাল্টি বে্লন্ডের বেশকিছু ফেব্রিক উদ্ভাবন করেছি। আগামীতে এ ধরনের ফেব্রিক উত্পাদনে নিজস্ব উন্নয়ন বিভাগের পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছি।

মেলায় আগত ক্লাসিক ফ্যাশনের মার্চেন্ডাইজিং ও মার্কেটিং বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ার বলেন, বিশ্ববাজারে হুরাইন দেশের টেক্সটাইল সম্পর্কে নতুন ধারণার জন্ম দিতে সক্ষম। কারণ তারা প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন ফেব্রিক উদ্ভাবন করছে। ফেব্রিকের কোয়ালিটির পাশাপাশি ডিজাইনেও বৈচিত্রতাআনতে কাজ করছে। এ ধারা বজায় রাখলে হুরাইন আগামী টেক্সটাইল শিল্পের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

চার দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক এক্সপো শুরু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ০২:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চার দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক এক্সপো শুরু
হুরাইন ফেব্রিক এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক ও হুরাইন এইচটিএফ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম।ছবি: যুগান্তর

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত্ শপিমংল যমুনা ফিউচার পার্কে যমুনা গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে চার দিনব্যাপী হুরাইন ফেব্রিক এক্সপো শুরু হয়েছে। এবারের এক্সপোতে নতুন ১৮০ ধরনের ফেব্রিকের পাশাপাশি ২ হাজারের বেশি ডিজাইনের ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এক্সপোতে বিদেশি ক্রেতা ও তাদের এ দেশীয় প্রতিনিধিদের ফেব্রিক প্রদর্শন করা হবে।    

শনিবার সকালে ফিতা কেটে হুরাইন ফেব্রিক এক্সপোর উদ্বোধন করেন যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক ও হুরাইন এইচটিএফ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমাইয়া রোজালিন ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন হুরাইন এইচটিএফের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম ও সৈয়দ মাসকুর আলী।  

এক্সপো সম্পর্কে হুরাইন এইচটিএফের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম বলেন, অল্প কয়েকদিনে হুরাইন এইচটিএফ ফেব্রিকের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফেব্রিক এক্সপোগুলোতে হুরাইনের নিজস্ব উদ্ভাবনী ফেব্রিক বিদেশি ক্রেতাদের নজর কেড়েছে। 

এ ধারাবাহিকতা আগামীতেও বজায় রাখতে আমরা উন্নয়ন ও গবেষণা খাতে বিপুল বিনিয়োগ করেছি। এবারের নতুন উদ্ভাবিত ১৮০টি আইটেমের ফেব্রিক আগামীতে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস টেক্স ওয়ার্ল্ডে প্রদর্শন করা হবে। এসব ফেব্রিক ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের ক্রেতাদের রুচি, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়ে বানানো হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশে এই প্রথম হুরাইন এইচটিএফ ফেব্রিক এক্সপোর আয়োজন করেছে। এই এক্সপোর উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশি বায়িং হাউজগুলোকে হুরাইনের ফেব্রিক সম্পর্কে ধারণা দেয়া। অনেক বায়িং হাউজ ক্রেতাদের কাছ অর্ডার এনে তৈরি পোশাক রফতানি করে। এক্ষেত্রে তারা যেই ফেব্রিক বিদেশ থেকে আমদানি করছে তার চেয়ে ভালো মানের ফেব্রিক হুরাইন বানাতে সক্ষম, সে বিষয়টি তাদের কাছে তুলে ধরা। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এক্সপো করার পরিকল্পনা রয়েছে।   

আরেক প্রধান বিপণন কর্মকর্তা সৈয়দ মাসকুর আলী বলেন, হুরাইন এক্সপোর প্রথম পর্বে মার্চেন্ডাইজারদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। গতবার ২ হাজারের বেশি মার্চেন্ডাইজার এক্সপো অংশ নিয়েছিল। তাদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের উজ্জীবিত করেছে। এবার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় আগের বারের তুলনায় বেশি মার্চেন্ডাইজারের অংশগ্রহণ আশা করছি। এবারের এক্সপোতে ২০২২ সালের শরৎ এবং ২০২৩-২৪ সালের বসন্ত ও গ্রীষ্মকালীন ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে। এক্সপোতে পুরুষ-মহিলা, যুবক-যুবতী ও বাচ্চাদের ৭০ থেকে ৪৫০ জিএসএমের সলিড, প্রিন্ট ও কালার ডেনিমের টপ ও বটম ফেব্রিক প্রদর্শন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী কটন ফেব্রিকের ব্যবহার হ্রাস পেয়েছে। এর পরিবর্তে ম্যান মেইড ফাইবারের পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি চীনও ফেব্রিক খাতে উত্পাদন কমিয়ে দিয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমরা মাল্টি বে্লন্ডের ফেব্রিক উত্পাদনে জোর দিচ্ছি। অল্প ক'দিনেই মাল্টি বে্লন্ডের বেশকিছু ফেব্রিক উদ্ভাবন করেছি। আগামীতে এ ধরনের ফেব্রিক উত্পাদনে নিজস্ব উন্নয়ন বিভাগের পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছি।  

মেলায় আগত ক্লাসিক ফ্যাশনের মার্চেন্ডাইজিং ও মার্কেটিং বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ার বলেন, বিশ্ববাজারে হুরাইন দেশের টেক্সটাইল সম্পর্কে নতুন ধারণার জন্ম দিতে সক্ষম। কারণ তারা প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন ফেব্রিক উদ্ভাবন করছে। ফেব্রিকের কোয়ালিটির পাশাপাশি ডিজাইনেও বৈচিত্রতা আনতে কাজ করছে। এ ধারা বজায় রাখলে হুরাইন আগামী টেক্সটাইল শিল্পের রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন