খুলল স্বপ্নের পায়রা সেতু
jugantor
খুলল স্বপ্নের পায়রা সেতু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪৩:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বপ্নের ‘পায়রা সেতু’ জনসাধারণের পারাপারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো।

রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বহুল প্রতীক্ষিত এ সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর ফলে পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নবদিগন্তের সূচনা হলো, ফেরি পারাপারেরও কমল দুর্ভোগ।

রাজধানী থেকে কক্সবাজারের চেয়েও কাছের হবে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা। এ সেতুর ফলে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পৌঁছতে সময় লাগবে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা।

ঢাকা-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী এলাকার পায়রা নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে পায়রা সেতু।

বাংলাদেশ সরকার ও কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের যৌথ অর্থায়নে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘লংজিয়ান রোডস অ্যান্ড ব্রিজ কোম্পানি’ সেতুটি নির্মাণ করেছে।

সর্বাধুনিক ‘এক্সট্রাডোজড কেবল স্টেইড’ প্রযুক্তিতে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ওপর শাহ আমানত সেতুও একইভাবে নির্মাণ করা হয়।

১ হাজার ৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থের সেতুটি কেবল (তার) দিয়ে দুই পাশে সংযুক্ত। পানির উপরিতল থেকে সেতুটি ১৮ দশমিক ৩০ মিটার উঁচু। উভয় পাড়ে সাত কিলোমিটারজুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে সংযোগ সড়ক। এই সেতুতে ১৩০ মিটার গভীর পাইল বসানো হয়েছে। নদীর মাঝখানে মাত্র একটি পিলার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক থাকবে।

খুলল স্বপ্নের পায়রা সেতু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বপ্নের ‘পায়রা সেতু’ জনসাধারণের পারাপারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো। 

রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বহুল প্রতীক্ষিত এ সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

এর ফলে পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নবদিগন্তের সূচনা হলো, ফেরি পারাপারেরও কমল দুর্ভোগ। 

রাজধানী থেকে কক্সবাজারের চেয়েও কাছের হবে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা। এ সেতুর ফলে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পৌঁছতে সময় লাগবে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা। 

ঢাকা-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী এলাকার পায়রা নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে পায়রা সেতু। 

বাংলাদেশ সরকার ও কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের যৌথ অর্থায়নে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘লংজিয়ান রোডস অ্যান্ড ব্রিজ কোম্পানি’ সেতুটি নির্মাণ করেছে।

সর্বাধুনিক ‘এক্সট্রাডোজড কেবল স্টেইড’ প্রযুক্তিতে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ওপর শাহ আমানত সেতুও একইভাবে নির্মাণ করা হয়।

১ হাজার ৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থের সেতুটি কেবল (তার) দিয়ে দুই পাশে সংযুক্ত। পানির উপরিতল থেকে সেতুটি ১৮ দশমিক ৩০ মিটার উঁচু। উভয় পাড়ে সাত কিলোমিটারজুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে সংযোগ সড়ক। এই সেতুতে ১৩০ মিটার গভীর পাইল বসানো হয়েছে। নদীর মাঝখানে মাত্র একটি পিলার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন