পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় কেন নয়: হাইকোর্ট
jugantor
পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় কেন নয়: হাইকোর্ট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৪:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানকে দেশের বাইরে না নিতে বাবা মুসফেক আলমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানকে মায়ের জিম্মায় দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। এছাড়া ভার্চুয়ালি নয় সরাসরি দেখা করার সুযোগ কেন দেওয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

মুশফেক আলম পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলমের ছেলে। আর হাইকোর্ট থেকে বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া শিশু প্রতিমন্ত্রীর নাতনি। গত ২০ অক্টোবর পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নিতে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিশুটির মা তাসনোভা ইকবাল। আবেদনে শিশুকে দেড় বছর ধরে তার মাকে দেখতে না দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া শিশুকে বিদেশেও নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। শিশুটির বাবা মুসফেক আলম সৈকত, দাদা ড. শামসুল আলম ও দাদী মোমতাজ আলমকে বিবাদী করে এ আবেদন দায়ের করা হয়।

তাসনোভা ইকবালের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন বলেন, মুসফেক আলম ও তাসনোভা ইকবালের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। তাদের পাঁচ বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। কিন্তু দেড় বছর ধরে মা তাসনোভা ইকবালের কাছ থেকে সন্তানকে দূরে রাখা হয়েছে। এসময়ে তাকে সন্তানকে দেখতেও দেওয়া হয়নি। আগে আমরা নিম্ন আদালতে সন্তানকে দেখতে চেয়ে আবেদন করেছিলাম। আদালত ভার্চুয়ালি দেখার কথা বলেছিলেন। কিন্তু মা তাসনোভা ইকবাল শিশুকে নিজের জিম্মায় নিতে চান। এ কারণে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করি। রাজধানীর গুলশানের বাসিন্দা তাসনোভা ইকবালের বাবা ইকবাল কামাল ও মা নাজমা সুলতানা।

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় কেন নয়: হাইকোর্ট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানকে দেশের বাইরে না নিতে বাবা মুসফেক আলমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানকে মায়ের জিম্মায় দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। এছাড়া ভার্চুয়ালি নয় সরাসরি দেখা করার সুযোগ কেন দেওয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

মুশফেক আলম পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলমের ছেলে। আর হাইকোর্ট থেকে বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া শিশু প্রতিমন্ত্রীর নাতনি। গত ২০ অক্টোবর পাঁচ বছরের কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নিতে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিশুটির মা তাসনোভা ইকবাল। আবেদনে শিশুকে দেড় বছর ধরে তার মাকে দেখতে না দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া শিশুকে বিদেশেও নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। শিশুটির বাবা মুসফেক আলম সৈকত, দাদা ড. শামসুল আলম ও দাদী মোমতাজ আলমকে বিবাদী করে এ আবেদন দায়ের করা হয়।

তাসনোভা ইকবালের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন বলেন, মুসফেক আলম ও তাসনোভা ইকবালের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। তাদের পাঁচ বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে। কিন্তু দেড় বছর ধরে মা তাসনোভা ইকবালের কাছ থেকে সন্তানকে দূরে রাখা হয়েছে। এসময়ে তাকে সন্তানকে দেখতেও দেওয়া হয়নি। আগে আমরা নিম্ন আদালতে সন্তানকে দেখতে চেয়ে আবেদন করেছিলাম। আদালত ভার্চুয়ালি দেখার কথা বলেছিলেন। কিন্তু মা তাসনোভা ইকবাল শিশুকে নিজের জিম্মায় নিতে চান। এ কারণে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করি। রাজধানীর গুলশানের বাসিন্দা তাসনোভা ইকবালের বাবা ইকবাল কামাল ও মা নাজমা সুলতানা।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন