এমডির আশ্বাসে কাজে ফিরেছেন বিমানের পাইলটরা
jugantor
এমডির আশ্বাসে কাজে ফিরেছেন বিমানের পাইলটরা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১০:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ বিমান

বিমান এমডি (ব্যবস্থাপনা পরিচালক) আবু সালেহ মোস্তফা কামালের আশ্বাসে কাজে ফিরেছেন বিমানের পাইলটরা। স্থগিত করেছেন ৭৫ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার আলটিমেটাম। বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট এসোসিয়েশনের (বাপা) সভাপতি ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান মঙ্গলবার রাতে যুগান্তরকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেছেন, দুপুরে বিমান এমডির সঙ্গে বাপা নেতাদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বিমান এমডি আগামী শনিবারের মধ্যে ওভারসিস এলাউন্স নিয়ে তাদের যে বেতন বৈষম্য চলছে সেটি নিরসন করবেন। এই আশ্বাস পেয়ে পাইলটরা তাদের আলটিমেটাম স্থগিত করেছেন। তিনিও রাতে ফ্লাইটে যাচ্ছেন বলে জানান। এই অবস্থায় সোমবার বিমানের দুবাই, দোহা ও মাসকট ফ্লাইট নিয়ে যে সমস্যা হয়েছিল সেটির অবসান হয়েছে।

বাপা সূত্রে জানাগেছে, বর্তমানে বিমানের পাইলট সংখ্যা ১৫৭ জন। মাসে যদি একজন পাইলট সর্বোচ্চ ৭৫ ঘণ্টা ডিউটি (ফ্লাই) করে তাহলে এই সংখ্যা পরের মাসে অর্ধেক হয়ে যাবে। এতে বিমানের অর্ধেকের বেশি ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাবে। এই অবস্থায় মঙ্গলবার বিমান ম্যানেজমেন্ট তড়িঘড়ি করে পাইলটদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে আগামী শনিবারের মধ্যে পাইলটদের সব ধরনের বেতন বৈষম্য নিরসনের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে এ প্রসঙ্গে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সালেহ মোস্তফা কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

এরআগে গত সোমবার বাপা সভাপতি মাহবুবুর রহমান সোমবার বলেছিলেন, মহামারিকালে বিমানে সবার বেতন কাটার সিদ্ধান্ত হয়েছিল; দেড় বছর বাদে অন্যদের আবার আগের মতো বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও পাইলটদের ক্ষেত্রে তা হয়নি। এজন্য তিন মাস আগে পাইলটরা ধর্মঘটের হুমকি দিলেও বিমান কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে আন্দোলনে যায়নি।

মাহবুবুর বলেন, কিন্তু দুই মাসেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পাইলটরা এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বিমানের যে চুক্তি, সেটার বাইরে তারা কোনো কাজ করবে না। পাইলটরা জানান, বিমান ও বাপার মধ্যে সম্পাদিত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী পাইলটদের মাসে ৭৫ ঘণ্টা ফ্লাই করার কথা এবং মাসে ৮ দিন ছুটি পাওয়ার কথা।

পাইলটরা জানান, তারা ‘ওভারসিজ অ্যালাউন্স’ নামে একটি ভাতা পেতেন, যা তাদের বেতনের ২০ শতাংশ। সেটা সম্পূর্ণরুপে বন্ধ বলে মূলত তাদের বেতন ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ৪৫ শতাংশ কাটা হচ্ছে। আর যাদের বেতন ৫ শতাংশ কাটা হবে, তাদের ক্ষেত্রেও সেটা ২৫ শতাংশে দাঁড়াবে।

এমডির আশ্বাসে কাজে ফিরেছেন বিমানের পাইলটরা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশ বিমান
বাংলাদেশ বিমান। ফাইল ছবি

বিমান এমডি (ব্যবস্থাপনা পরিচালক) আবু সালেহ মোস্তফা কামালের আশ্বাসে কাজে ফিরেছেন বিমানের পাইলটরা। স্থগিত করেছেন ৭৫ ঘণ্টার বেশি কাজ না করার আলটিমেটাম। বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট এসোসিয়েশনের (বাপা) সভাপতি ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান মঙ্গলবার রাতে যুগান্তরকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেছেন, দুপুরে বিমান এমডির সঙ্গে বাপা নেতাদের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বিমান এমডি আগামী শনিবারের মধ্যে ওভারসিস এলাউন্স নিয়ে তাদের যে বেতন বৈষম্য চলছে সেটি নিরসন করবেন। এই আশ্বাস পেয়ে পাইলটরা তাদের আলটিমেটাম স্থগিত করেছেন। তিনিও রাতে ফ্লাইটে যাচ্ছেন বলে জানান। এই অবস্থায় সোমবার বিমানের দুবাই, দোহা ও মাসকট ফ্লাইট নিয়ে যে সমস্যা হয়েছিল সেটির অবসান হয়েছে। 

বাপা সূত্রে জানাগেছে, বর্তমানে বিমানের পাইলট সংখ্যা ১৫৭ জন। মাসে যদি একজন পাইলট সর্বোচ্চ ৭৫ ঘণ্টা ডিউটি (ফ্লাই) করে তাহলে এই সংখ্যা পরের মাসে অর্ধেক হয়ে যাবে। এতে বিমানের অর্ধেকের বেশি ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাবে। এই অবস্থায় মঙ্গলবার বিমান ম্যানেজমেন্ট তড়িঘড়ি করে পাইলটদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে আগামী শনিবারের মধ্যে পাইলটদের সব ধরনের বেতন বৈষম্য নিরসনের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে এ প্রসঙ্গে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সালেহ মোস্তফা কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। 

এরআগে গত সোমবার বাপা সভাপতি মাহবুবুর রহমান সোমবার বলেছিলেন, মহামারিকালে বিমানে সবার বেতন কাটার সিদ্ধান্ত হয়েছিল; দেড় বছর বাদে অন্যদের আবার আগের মতো বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও পাইলটদের ক্ষেত্রে তা হয়নি। এজন্য তিন মাস আগে পাইলটরা ধর্মঘটের হুমকি দিলেও বিমান কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে আন্দোলনে যায়নি।

মাহবুবুর বলেন, কিন্তু দুই মাসেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পাইলটরা এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বিমানের যে চুক্তি, সেটার বাইরে তারা কোনো কাজ করবে না। পাইলটরা জানান, বিমান ও বাপার মধ্যে সম্পাদিত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী পাইলটদের মাসে ৭৫ ঘণ্টা ফ্লাই করার কথা এবং মাসে ৮ দিন ছুটি পাওয়ার কথা।

পাইলটরা জানান, তারা ‘ওভারসিজ অ্যালাউন্স’ নামে একটি ভাতা পেতেন, যা তাদের বেতনের ২০ শতাংশ। সেটা সম্পূর্ণরুপে বন্ধ বলে মূলত তাদের বেতন ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ৪৫ শতাংশ কাটা হচ্ছে। আর যাদের বেতন ৫ শতাংশ কাটা হবে, তাদের ক্ষেত্রেও সেটা ২৫ শতাংশে দাঁড়াবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন