রাজারবাগের পীরকে নিয়ে তদন্তে বাধা নেই
jugantor
রাজারবাগের পীরকে নিয়ে তদন্তে বাধা নেই

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৩:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজারবাগ পীরের দরগা

রাজারবাগের পীর দিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট, অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত চলবে। পীর দিল্লুর ও তার প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নির্ণয়, সম্পদের উৎস এবং তার পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো জঙ্গি সংগঠন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের জন্য যে আবেদন হয়েছিল, মঙ্গলবার তা খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। আর হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুরাদ রেজা। পরে জেড আই খান পান্না বলেন, আবেদন খারিজ মানে হাইকোর্টের আদেশ বহাল। ওই দরবার শরিফের পীরের বিরুদ্ধে দুদক আর পুলিশের তদন্ত চলবে। দেশের ছয়টি জেলায় ৩৪টি মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ এনে রাজারবাগের পীর দিল্লুর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে আট ব্যক্তি গত মাসে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল ছাড়াও পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তিনটি নির্দেশনা দেন : ১. পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়, কথিত পীর দিল্লুর রহমান ও তার পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো জঙ্গি সংগঠন আছে কিনা সে বিষয়ে আগামী ৩০ নভেম্বরের আগে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে।

২. দুদককে নির্দেশ দেওয়া হয়, পীর দিল্লুর ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব সম্পদ রয়েছে তা নির্ণয়ের পাশাপাশি সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখে ৩০ নভেম্বরের আগে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে।

৩. আর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেওয়া হয় রিট আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে যারা হয়রানিমূলক মামলা করেছেন তাদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে।

হাইকোর্টের এসব আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মফিজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি, যিনি রিট আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে করা এক মামলার বাদী। ২৩ সেপ্টেম্বর আবেদনটি চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আদালত হাইকোর্টের আদেশে হস্তক্ষেপ না করে আবেদনটি ২৪ অক্টোবর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠায়। রোববার আপিল বিভাগে আবেদনটির ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদেশ হলো।

রাজারবাগের পীরকে নিয়ে তদন্তে বাধা নেই

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাজারবাগ পীরের দরগা
ফাইল ছবি

রাজারবাগের পীর দিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট, অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত চলবে। পীর দিল্লুর ও তার প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নির্ণয়, সম্পদের উৎস এবং তার পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো জঙ্গি সংগঠন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। 

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের জন্য যে আবেদন হয়েছিল, মঙ্গলবার তা খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। আর হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুরাদ রেজা। পরে জেড আই খান পান্না বলেন, আবেদন খারিজ মানে হাইকোর্টের আদেশ বহাল। ওই দরবার শরিফের পীরের বিরুদ্ধে দুদক আর পুলিশের তদন্ত চলবে। দেশের ছয়টি জেলায় ৩৪টি মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ এনে রাজারবাগের পীর দিল্লুর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে আট ব্যক্তি গত মাসে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল ছাড়াও পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তিনটি নির্দেশনা দেন : ১. পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়, কথিত পীর দিল্লুর রহমান ও তার পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো জঙ্গি সংগঠন আছে কিনা সে বিষয়ে আগামী ৩০ নভেম্বরের আগে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে। 

২. দুদককে নির্দেশ দেওয়া হয়, পীর দিল্লুর ও তার প্রতিষ্ঠানের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব সম্পদ রয়েছে তা নির্ণয়ের পাশাপাশি সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখে ৩০ নভেম্বরের আগে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে। 

৩. আর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেওয়া হয় রিট আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে যারা হয়রানিমূলক মামলা করেছেন তাদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে হবে।

হাইকোর্টের এসব আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মফিজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি, যিনি রিট আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে করা এক মামলার বাদী। ২৩ সেপ্টেম্বর আবেদনটি চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আদালত হাইকোর্টের আদেশে হস্তক্ষেপ না করে আবেদনটি ২৪ অক্টোবর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠায়। রোববার আপিল বিভাগে আবেদনটির ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদেশ হলো।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন