ঢাকা মেডিকেলে নেই স্ট্রোক ইউনিট, ব্যাপক ভোগান্তিতে রোগীরা
jugantor
ঢাকা মেডিকেলে নেই স্ট্রোক ইউনিট, ব্যাপক ভোগান্তিতে রোগীরা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৩:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

আলাদা স্ট্রোক ইউনিট না থাকায় নানা ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ রোগীরা। ছবিটি বুধবার তোলা। ছবি: যুগান্তর

দেশের সব প্রান্তের রোগীদের প্রধান আশ্রয়স্থল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলের রেফার্ড করা রোগীরা আসেন দেশের সবচেয়ে বড় এই হাসপাতালে। অথচ এই হাসপাতালেই নেই স্ট্রোক ইউনিট।

গত বছর এই হাসপাতালে অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাব চালু করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন। কিন্তু এক বছর পার হয়ে গেলেও স্ট্রোক ইউনিট চালু করা যায়নি দেশের সাধারণ মানুষের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এই হাসপাতালে। ফলে রোগীরা ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন।

আন্তরিকতা সত্ত্বেও প্রযুক্তির আনুকুল্যের অভাবে আগত রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২৭ অক্টোবর) ঢামেক হাসপাতালে আয়োজিত এক কর্মশালায় খোদ চিকিৎসকরাও এ বিষয়েআক্ষেপ করেন।

ঢামেকের নিউরোসায়েন্স বিভাগেরসহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'প্রতিদিন অপারেশন লাগবে এমন ১০ জনের বেশি স্ট্রোকের রোগী আসেন এই হাসপাতালে। তবে দুই-তিনজনের সার্জারি করা সম্ভব হয়। আমরা চাই ১০ জনকেই সময়মতো সার্জারি করাতে। কিন্তু সেই সুবিধা এই মুহূর্তে নেই। স্ট্রোক রোগীদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ওস্টেপ ডাউন ইউনিট (এসডিইউ) অনেক বেশি প্রয়োজন। তবে ঢামেকে এখনো বসানো সম্ভব হয়নি। এটা দ্রুত সময়ের মধ্যে বসানোর ব্যবস্থা নিলে দুর্ভোগ কমবে।'

নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা.আহমেদ হোসাইন চৌধুরী বলেন, 'রোগীর সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিশ্চিতে নিউরোলজি বিভাগেএকটি আইসিইউ ইউনিট খুলতে হবে। এতেঅনেক রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে। এ জন্য সবার মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।'

কর্মশালায়বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টাই হলো রোগীর বেঁচে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের মধ্যে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে রোগী একদিনেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে পারে। কিন্তু ৮ ঘণ্টা বা তার চেয়ে বেশি সময় পর চিকিৎসা শুরু হলে রোগী চিরতরে পঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকের মৃত্যুও হয়।

দেশে প্রতি চারজনে একজন স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন জানিয়ে নিউরোলজি বিশেষজ্ঞরা বলেন, সচেতনতার মাধ্যমে এ রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, উন্নত দেশগুলো স্ট্রোকের সমস্যা কাটিয়ে উঠলেও নিম্ন এবং মধ্যআয়ের দেশে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। দেশে প্রতি চারজনে একজন স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন, যা আগে ছিল প্রতি ছয়জনে একজন।

বক্তারা বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন মানুষের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাংলাদেশে নারীদের তুলনায় পুরুষরা অধিক হারে এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অধিকাংশ সংসারে তারা উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় এ রোগের কারণে অর্থনীতিও চরম হুমকির মুখে পড়ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস। এ থেকে সুরক্ষার জন্য দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে বা লক্ষণ দেখার ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁকে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেও ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর আট কোটি মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।

বক্তারা আরও বলেন, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে ও অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। একে স্ট্রোক বলা হয়। স্ট্রোক দুই প্রকার। একটিকে বলে ইসকেমিক স্ট্রোক। এক্ষেত্রে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। সাধারণত রক্তনালীর ভেতর জমাট বাঁধা রক্তপিণ্ড এ সমস্যা করে থাকে। মোট স্ট্রোকের ৮০ শতাংশই এ ধরনের।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, ডিএমসির উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল আলম চৌধুরী, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অ্যানেস্থেশিয়ার অধ্যাপক ডা. মো. মোজাফফর হোসেন, ঢামেক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. দেবেশ চৌধুরী তালুকদার।সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক। ছবি: যুগান্তর

যা ভাবছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, বর্তমানে তাদের হাসপাতালে স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। অত্যাধুনিত ক্যাথল্যাবের মাধমে এসব রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া ২০ শয্যার আলাদা স্ট্রোক ইউনিট চালু করার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।

স্ট্রোক ইউনিট চালু প্রসঙ্গে ঢামেকহা পরিচালক বলেন, আমরা নিউরোমেডিসিন নিয়ে বসব। এ বিষয়ে আমার যে করণীয় তার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে করব। অচিরেই এটা বাস্তবায়নে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সেমিনারে অংশ নেওয়ার কারণে এখানে আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলো জানতে পারলাম। এছাড়াও অ্যাপসের মাধ্যমে কীভাবে রোগীদের সেবা দেওয়া যায় সে বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে।

তিনি বলেন, এখানে একটা স্ট্রাকচারাল চেঞ্জ আনা হবে। এখানে আইসিইউ, স্ট্রোক সেন্টারসহ বিভিন্ন বিষয়গুলো আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো স্টেকহোল্ডারকে যুক্ত না করে

ঢাকা মেডিকেলে নেই স্ট্রোক ইউনিট, ব্যাপক ভোগান্তিতে রোগীরা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আলাদা স্ট্রোক ইউনিট না থাকায় নানা ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ রোগীরা। ছবিটি বুধবার তোলা। ছবি: যুগান্তর
আলাদা স্ট্রোক ইউনিট না থাকায় চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি নানা ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ রোগীরা। ছবিটি বুধবার তোলা। ছবি: যুগান্তর

দেশের সব প্রান্তের রোগীদের প্রধান আশ্রয়স্থল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল। ফলে বিভিন্ন অঞ্চলের রেফার্ড করা রোগীরা আসেন দেশের সবচেয়ে বড় এই হাসপাতালে। অথচ এই হাসপাতালেই নেই স্ট্রোক ইউনিট। 

গত বছর এই হাসপাতালে অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাব চালু করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন। কিন্তু এক বছর পার হয়ে গেলেও স্ট্রোক ইউনিট চালু করা যায়নি দেশের সাধারণ মানুষের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এই হাসপাতালে। ফলে রোগীরা ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন।

আন্তরিকতা সত্ত্বেও প্রযুক্তির আনুকুল্যের অভাবে আগত রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২৭ অক্টোবর) ঢামেক হাসপাতালে আয়োজিত এক কর্মশালায় খোদ চিকিৎসকরাও এ বিষয়ে আক্ষেপ করেন।

ঢামেকের নিউরোসায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'প্রতিদিন অপারেশন লাগবে এমন ১০ জনের বেশি স্ট্রোকের রোগী আসেন এই হাসপাতালে। তবে দুই-তিনজনের সার্জারি করা সম্ভব হয়। আমরা চাই ১০ জনকেই সময়মতো সার্জারি করাতে। কিন্তু সেই সুবিধা এই মুহূর্তে নেই। স্ট্রোক রোগীদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও স্টেপ ডাউন ইউনিট (এসডিইউ) অনেক বেশি প্রয়োজন। তবে ঢামেকে এখনো বসানো সম্ভব হয়নি। এটা দ্রুত সময়ের মধ্যে বসানোর ব্যবস্থা নিলে দুর্ভোগ কমবে।' 

নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আহমেদ হোসাইন চৌধুরী বলেন, 'রোগীর সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিশ্চিতে নিউরোলজি বিভাগে একটি আইসিইউ ইউনিট খুলতে হবে। এতে অনেক রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে। এ জন্য সবার মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।'

কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টাই হলো রোগীর বেঁচে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের মধ্যে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে রোগী একদিনেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে পারে। কিন্তু ৮ ঘণ্টা বা তার চেয়ে বেশি সময় পর চিকিৎসা শুরু হলে রোগী চিরতরে পঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকের মৃত্যুও হয়।

দেশে প্রতি চারজনে একজন স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন জানিয়ে নিউরোলজি বিশেষজ্ঞরা বলেন, সচেতনতার মাধ্যমে এ রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, উন্নত দেশগুলো স্ট্রোকের সমস্যা কাটিয়ে উঠলেও নিম্ন এবং মধ্যআয়ের দেশে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। দেশে প্রতি চারজনে একজন স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন, যা আগে ছিল প্রতি ছয়জনে একজন।

বক্তারা বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন মানুষের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাংলাদেশে নারীদের তুলনায় পুরুষরা অধিক হারে এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অধিকাংশ সংসারে তারা উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় এ রোগের কারণে অর্থনীতিও চরম হুমকির মুখে পড়ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস। এ থেকে সুরক্ষার জন্য দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে বা লক্ষণ দেখার ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁকে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেও ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর আট কোটি মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।

বক্তারা আরও বলেন, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে ও অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। একে স্ট্রোক বলা হয়। স্ট্রোক দুই প্রকার। একটিকে বলে ইসকেমিক স্ট্রোক। এক্ষেত্রে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। সাধারণত রক্তনালীর ভেতর জমাট বাঁধা রক্তপিণ্ড এ সমস্যা করে থাকে। মোট স্ট্রোকের ৮০ শতাংশই এ ধরনের। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, ডিএমসির উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল আলম চৌধুরী, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অ্যানেস্থেশিয়ার অধ্যাপক ডা. মো. মোজাফফর হোসেন, ঢামেক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. দেবেশ চৌধুরী তালুকদার।সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক। ছবি: যুগান্তর

যা ভাবছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, বর্তমানে তাদের হাসপাতালে স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। অত্যাধুনিত ক্যাথল্যাবের মাধমে এসব রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া ২০ শয্যার আলাদা স্ট্রোক ইউনিট চালু করার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।

স্ট্রোক ইউনিট চালু প্রসঙ্গে ঢামেকহা পরিচালক বলেন, আমরা নিউরোমেডিসিন নিয়ে বসব। এ বিষয়ে আমার যে করণীয় তার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে করব। অচিরেই এটা বাস্তবায়নে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সেমিনারে অংশ নেওয়ার কারণে এখানে আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলো জানতে পারলাম। এছাড়াও অ্যাপসের মাধ্যমে কীভাবে রোগীদের সেবা দেওয়া যায় সে বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। 

তিনি বলেন, এখানে একটা স্ট্রাকচারাল চেঞ্জ আনা হবে। এখানে আইসিইউ, স্ট্রোক সেন্টারসহ বিভিন্ন বিষয়গুলো আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। এ বিষয়ে কোনো স্টেকহোল্ডারকে যুক্ত না করে 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন