মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহফিল
jugantor
গুলশান হেলথ ক্লাবের উদ্যোগে
মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহফিল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ১৫:২১:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহফিল

যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্বপ্নদ্রষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের স্মরণেদোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা করেছে গুলশান হেলথ ক্লাব।

শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

গুলশান হেলথ ক্লাবের উদ্যোগে এস্মরণ সভায় ক্লাবের সদস্য, সদস্যদের স্বজন এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেছেন, স্বপ্নদ্রষ্টা নুরুল ইসলামের মিল-কারখানা, যমুনা ফিউচার পার্ক, যমুনা টেলিভিশন ও যুগান্তরসহ অর্ধশতাধিক শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম তার পুরো জীবনে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি কখনই দেশের বাইরে একটি পয়সাও কাজে লাগাননি। শুরু থেকে শেষ পযর্ন্ত দেশের মাটিতেই শিল্প কারখানা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তিনিই অন্যতম দেশপ্রেমিক। তার স্ত্রী, সন্তানরাও দেশের মাটিতে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন। বিশিষ্ট শিল্পপতিকে হারিয়ে দেশ-জাতি হারিয়েছে এক বীরকে। তিনি গুলশান হেলথ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। ক্লাব প্রতিষ্ঠায় তার ভুমিকা-সহযোগিতা ছিল সবচেয়ে বেশি।

ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও গুলশান হেলথ ক্লাবের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

দোয়া মাহফিলে অন্যদের মধ্যে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন গুলশান হেলথ ক্লাবের উপদেষ্টা -গিভেন্সী গ্রুপের কর্ণধার ও 'বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র'র প্রতিষ্ঠাতা খতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল, উপদেষ্টা এটি এম এনায়েত উল্লাহ, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাজির মিয়া, আজমল হোসেন, মো. রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ আলম খান স্বপন।

এম এ কাদের খান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত নুরুল ইসলাম ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো। তার সঙ্গে প্রায় কথা হতো, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আলোচনা করেছি। তিনি ছিলেন খুবই মেধাবী। দেশ ও দেশের মানুষের উন্নয়নে তিনি চিন্তা করতেন। তার মতো বীরের চলে যাওয়ায় আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি দেশপ্রেমিক, দেশকে ভালোবাসতেন। দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে জীবন দিয়ে গেছেন। তিনি যখন এ পার্কে (বিচারপতি শাহবুদ্দিন পার্ক) হাঁটতেন তখন ভোর। পার্কের ভেতরে হাঁটতেই চোখ পড়তে, দিনের আলোতে কোন বৈদ্যুতিক লাইট জ্বলছে কিনা। ভেতরে লাইট জ্বললে কিংবা পানি অপচয় হলে তিনি ব্যাকুল হয়ে উঠতেন। বলতেন, অপচয় করা যাবে না। এগুলো মানুষের হক, সকল মানুষের। তিনি এসব দ্রুত বন্ধ করে দিতেন।

এম এ কাদের খান বলেন, তাকে হারিয়ে আমরা অভিভাবক হারিয়েছি। পার্কে যখন আমরা হাঁটি তখন তার অনুপস্থিতি আমাদের কষ্ট দেয়। আমরা তার জন্য প্রার্থনা করি। তিনি ক্লাব উন্নয়নে সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে রাখতেন। তিনি করোনায় মারা গেছেন। তিনি ছাড়াও এ ক্লাবের অনেকে করোনাকালে মৃত্যুবরণ করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামসহ নিহত সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। নুরুল ইসলাম চিরকাল দেশের মানুষের হৃদয়ে বীর হিসেবে থাকবেন। তিনি যেমন সাহসী ছিলেন তেমনি ছিলেন মেধাবী। কীকরে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে হয় সেই পরিকল্পনায় তিনি ছিলেন অনন্য। গুলশান হেলথ ক্লাব তার কাছে কৃতজ্ঞ।

খতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল বলেন, নুরুল ইসলাম ভাই ছিলেন বীর। তিনি সবকিছু বীরের মতো করে করতেন। তার সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর ধরে আমার সম্পর্ক। কাছ থেকে দেখেছি- একজন মানুষ কত নিষ্ঠাবান হতে পারে। তিনি সর্বদা চিন্তা করতেন দেশে কিভাবে শিল্প-বাণিজ্যপ্রতিষ্ঠান গড়া যায়। তার ভাবনা ছিল, শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়লেই হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে তিনি চাকরি দিতে পারবেন।

মো. নাজির মিয়া বলেন, আমরা তাকে ভুলিনি, ভুলবও না। তিনি দেশ ও দেশের মানুষের কাছে সব সময় স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। দেশের মানুষ তাকে ভালোবাসেন। তিনি যা কিছু করেছেন দেশ ও দেশের মানুষের জন্য করেছেন।

আজমল হোসেন বলেন, তিনি সব কিছু পজিটিভ দেখতেন। যেটা দেশ ও জাতির কল্যাণে আসবে, সেটাই তিনি করতেন। গুলশান হেলথ ক্লাব নিয়ে তার অনেক আশা ছিল। আমরা তার সেই আশা পূরণ করবে। ক্লাব দিনদিন আরও উন্নত হবে। ক্লাবের পক্ষ থেকেও আমরা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি এবং দাঁড়াব।

এটি এম এনায়েত উল্লাহ বলেন, নুরুল ইসলাম ভাই ছিলেন আমাদের মধ্যমণি। তিনি যেভাবে সিদ্ধান্ত নিতেন, দিতেওজানতেন। এটাতার মতো করে অন্যদের করাসম্ভব নয়। তিনি সাহসী মানুষ ছিলেন, বীরের মতো কথা বলতেন। তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি প্রশ্রয় দিতেন না। তিনি ঋণখেলাপিদের ঘৃণা করতেন। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ আলম খান চৌধুরী বলেন, করোনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ভাইসহ যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমরা তাদের হারিয়ে অবিভাবক শূন্য হয়ে গেছি। তাদের দেখানো পথেই আমরা এগিয়ে যাব। মানুষের পাশে দাঁড়াব।

করোনার এই সময়ে গুলশান হেলথ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধানুরুল ইসলামসহ আরওবেশ কয়েকজন মারা গেছেন। হেলথ ক্লাবের সদস্য মোহাম্মদ আলী, মনির হোসেন, আবদুল হক, আমির হোসেন,আহমেদ হোসেন, হাবিবুর রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান মৃত্যুবরণ করেন। দোয়া মাহফিলেতাদের সবার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল আলীম। মোনাজাত শেষে সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

গুলশান হেলথ ক্লাবের উদ্যোগে

মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহফিল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৩:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহফিল
মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহফিলে মোনাজাত। ছবি: যুগান্তর

যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্বপ্নদ্রষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের স্মরণে দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা করেছে গুলশান হেলথ ক্লাব। 

শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

গুলশান হেলথ ক্লাবের উদ্যোগে এ স্মরণ সভায় ক্লাবের সদস্য, সদস্যদের স্বজন এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেছেন,  স্বপ্নদ্রষ্টা নুরুল ইসলামের মিল-কারখানা, যমুনা ফিউচার পার্ক, যমুনা টেলিভিশন ও যুগান্তরসহ অর্ধশতাধিক শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম তার পুরো জীবনে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি কখনই দেশের বাইরে একটি পয়সাও কাজে লাগাননি। শুরু থেকে শেষ পযর্ন্ত দেশের মাটিতেই শিল্প কারখানা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তিনিই অন্যতম দেশপ্রেমিক। তার স্ত্রী, সন্তানরাও দেশের মাটিতে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন। বিশিষ্ট শিল্পপতিকে হারিয়ে দেশ-জাতি হারিয়েছে এক বীরকে। তিনি গুলশান হেলথ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। ক্লাব প্রতিষ্ঠায় তার ভুমিকা-সহযোগিতা ছিল সবচেয়ে বেশি। 

ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও গুলশান হেলথ ক্লাবের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। 

দোয়া মাহফিলে অন্যদের মধ্যে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন গুলশান হেলথ ক্লাবের উপদেষ্টা -গিভেন্সী গ্রুপের কর্ণধার ও 'বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র'র প্রতিষ্ঠাতা খতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল, উপদেষ্টা এটি এম এনায়েত উল্লাহ, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাজির মিয়া, আজমল হোসেন, মো. রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ আলম খান স্বপন। 

এম এ কাদের খান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত নুরুল ইসলাম ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো। তার সঙ্গে প্রায় কথা হতো, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আলোচনা করেছি। তিনি ছিলেন খুবই মেধাবী। দেশ ও দেশের মানুষের উন্নয়নে তিনি চিন্তা করতেন। তার মতো বীরের চলে যাওয়ায় আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি দেশপ্রেমিক, দেশকে ভালোবাসতেন। দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে জীবন দিয়ে গেছেন। তিনি যখন এ পার্কে (বিচারপতি শাহবুদ্দিন পার্ক) হাঁটতেন তখন ভোর। পার্কের ভেতরে হাঁটতেই চোখ পড়তে, দিনের আলোতে কোন বৈদ্যুতিক লাইট জ্বলছে কিনা। ভেতরে লাইট জ্বললে কিংবা পানি অপচয় হলে তিনি ব্যাকুল হয়ে উঠতেন। বলতেন, অপচয় করা যাবে না। এগুলো মানুষের হক, সকল মানুষের। তিনি এসব দ্রুত বন্ধ করে দিতেন। 

এম এ কাদের খান বলেন, তাকে হারিয়ে আমরা অভিভাবক হারিয়েছি। পার্কে যখন আমরা হাঁটি তখন তার অনুপস্থিতি আমাদের কষ্ট দেয়। আমরা তার জন্য প্রার্থনা করি। তিনি ক্লাব উন্নয়নে সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে রাখতেন। তিনি করোনায় মারা গেছেন। তিনি ছাড়াও এ ক্লাবের অনেকে করোনাকালে মৃত্যুবরণ করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামসহ নিহত সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। নুরুল ইসলাম চিরকাল দেশের মানুষের হৃদয়ে বীর হিসেবে থাকবেন। তিনি যেমন সাহসী ছিলেন তেমনি ছিলেন মেধাবী। কী করে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে হয় সেই পরিকল্পনায় তিনি ছিলেন অনন্য। গুলশান হেলথ ক্লাব তার কাছে কৃতজ্ঞ। 

খতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল বলেন, নুরুল ইসলাম ভাই ছিলেন বীর। তিনি সবকিছু বীরের মতো করে করতেন। তার সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর ধরে আমার সম্পর্ক। কাছ থেকে দেখেছি- একজন মানুষ কত নিষ্ঠাবান হতে পারে। তিনি সর্বদা চিন্তা করতেন দেশে কিভাবে শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান গড়া যায়। তার ভাবনা ছিল, শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়লেই হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে তিনি চাকরি দিতে পারবেন। 

মো. নাজির মিয়া বলেন, আমরা তাকে ভুলিনি, ভুলবও না। তিনি দেশ ও দেশের মানুষের কাছে সব সময় স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। দেশের মানুষ তাকে ভালোবাসেন। তিনি যা কিছু করেছেন দেশ ও দেশের মানুষের জন্য করেছেন। 

আজমল হোসেন বলেন, তিনি সব কিছু পজিটিভ দেখতেন। যেটা দেশ ও জাতির কল্যাণে আসবে, সেটাই তিনি করতেন। গুলশান হেলথ ক্লাব নিয়ে তার অনেক আশা ছিল। আমরা তার সেই আশা পূরণ করবে। ক্লাব দিনদিন আরও উন্নত হবে। ক্লাবের পক্ষ থেকেও আমরা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি এবং দাঁড়াব। 

এটি এম এনায়েত উল্লাহ বলেন, নুরুল ইসলাম ভাই ছিলেন আমাদের মধ্যমণি। তিনি যেভাবে সিদ্ধান্ত নিতেন, দিতেও জানতেন। এটা তার মতো করে অন্যদের করা সম্ভব নয়। তিনি সাহসী মানুষ ছিলেন, বীরের মতো কথা বলতেন। তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি প্রশ্রয় দিতেন না। তিনি ঋণখেলাপিদের ঘৃণা করতেন। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। 

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ আলম খান চৌধুরী বলেন, করোনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ভাইসহ যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমরা তাদের হারিয়ে অবিভাবক শূন্য হয়ে গেছি। তাদের দেখানো পথেই আমরা এগিয়ে যাব। মানুষের পাশে দাঁড়াব।

করোনার এই সময়ে গুলশান হেলথ ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজন মারা গেছেন। হেলথ ক্লাবের সদস্য মোহাম্মদ আলী, মনির হোসেন, আবদুল হক, আমির হোসেন, আহমেদ হোসেন, হাবিবুর রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান মৃত্যুবরণ করেন। দোয়া মাহফিলে তাদের সবার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল আলীম। মোনাজাত শেষে সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর