ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ‘কারণ’ জানালেন আইনমন্ত্রী
jugantor
ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ‘কারণ’ জানালেন আইনমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ১৮:২৫:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ‘কারণ’ জানালেন আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ঘটে যাওয়া সহিংসতার ঘটনাগুলোর বড় অংশ ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব এবং জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হয়েছে।

শনিবার সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে প্রশ্নটি উপস্থাপিত হয়।

লিখিত উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর কয়েকটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতার খবর প্রচারিত হয়েছে। অনেক সময়ে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নির্বাচনের সময়ে বিভিন্ন সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা চালানোর অপচেষ্টা চালায়। এই কারণেও নির্বাচনের সময়ে অনেক ধরনের সহিংসতার উদ্ভব হয় বলে জানান তিনি।

সংসদে মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক সৃষ্টি রেখেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়ে নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, পুলিশ এ পর্যন্ত কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা কমিশনকে অবহিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণলয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ‘কারণ’ জানালেন আইনমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ‘কারণ’ জানালেন আইনমন্ত্রী
ফাইল ছবি

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ঘটে যাওয়া সহিংসতার ঘটনাগুলোর বড় অংশ ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব এবং জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হয়েছে।

শনিবার সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে প্রশ্নটি উপস্থাপিত হয়।

লিখিত উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর কয়েকটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতার খবর প্রচারিত হয়েছে। অনেক সময়ে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নির্বাচনের সময়ে বিভিন্ন সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা চালানোর অপচেষ্টা চালায়। এই কারণেও নির্বাচনের সময়ে অনেক ধরনের সহিংসতার উদ্ভব হয় বলে জানান তিনি।

সংসদে মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক সৃষ্টি রেখেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়ে নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, পুলিশ এ পর্যন্ত কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা কমিশনকে অবহিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণলয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন