‘কেন জানি না আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন বারবার বাঁচিয়েছেন’
jugantor
‘কেন জানি না আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন বারবার বাঁচিয়েছেন’

  সংসদ প্রতিবেদক  

২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৯:০৩:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পিতার স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। বারবার আঘাত এসেছে, কিন্তু কেন জানি না আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন বারবার বাঁচিয়েছেন। সেবা করার সুযোগ পেয়েছি বলেই একটা মর্যাদায় বাংলাদেশকে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারের হত্যার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, যাদের জন্য জাতির পিতা সারাটা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেন সেই বাঙালি জাতির হাতে তাকে জীবন দিতে হলো।

দলের দায়িত্ব নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সবকিছু জেনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিতার স্বপ্নপূরণের জন্য আমি দেশে ফিরে আসি। সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতো। জাতির পিতাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা তো কেউ দেশকে উন্নত করতে চাননি।

ক্ষমতা তাদের কাছে ছিল ভোগের বস্তু ও বিলাসবহুল জীবন। আর তারা ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দলে টেনে একটি শ্রেণি তৈরি করল। সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কেউ এগিয়ে আসেনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের কারণে আমরা সুবিধা যেমন পাবো আবার স্বল্পোন্নত দেশের সুযোগগুলো পাবো না।

করোনাকালের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা ২০২৬ সাল পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছি করোনাকালের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য। এতে সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

‘কেন জানি না আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন বারবার বাঁচিয়েছেন’

 সংসদ প্রতিবেদক 
২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পিতার স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। বারবার আঘাত এসেছে, কিন্তু কেন জানি না আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন বারবার বাঁচিয়েছেন। সেবা করার সুযোগ পেয়েছি বলেই একটা মর্যাদায় বাংলাদেশকে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারের হত্যার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা  আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, যাদের জন্য জাতির পিতা সারাটা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেন সেই বাঙালি জাতির হাতে তাকে জীবন দিতে হলো।

দলের দায়িত্ব নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সবকিছু জেনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিতার স্বপ্নপূরণের জন্য আমি দেশে ফিরে আসি। সেই লক্ষ্য পূরণে কাজ করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতো। জাতির পিতাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা তো কেউ দেশকে উন্নত করতে চাননি। 

ক্ষমতা তাদের কাছে ছিল ভোগের বস্তু ও বিলাসবহুল জীবন। আর তারা ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দলে টেনে একটি শ্রেণি তৈরি করল। সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কেউ এগিয়ে আসেনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের কারণে আমরা সুবিধা যেমন পাবো আবার স্বল্পোন্নত দেশের সুযোগগুলো পাবো না।

করোনাকালের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা ২০২৬ সাল পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছি করোনাকালের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য। এতে সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন