দেড় বছর পর শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে
jugantor
দেড় বছর পর শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৫:২৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

দেড় বছর পর শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে

করোনাভাইরাসের কারণে দেড় বছর বিরত থাকার পর স্বশরীরে বিচারকাজ শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১ ডিসেম্বর থেকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে আপিল বিভাগও ও হাই কোর্ট বিভাগে বিচারিক কাজ পরিচালিত হবে। এতোদিন ভার্চুয়ালি বিচারকাজ চলছিল।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন জ্যেষ্ঠ বিচারকদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গত বছর মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত ‘সাধারণ ছুটির’ সঙ্গে মিল রেখে দেশের সব আদালতেও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে দেশের বিচার ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

পরে সুপ্রিম কোর্টের অনুরোধে মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান, দরখাস্ত বা আপিল শুনানি, সাক্ষ্য বা যুক্তিতর্ক গ্রহণ, আদেশ বা রায় দিতে পক্ষদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আদালতকে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা দিয়ে গত বছর ৯ মে অধ্যাদেশ জারি হয়।

পরদিন সুপ্রিম কোর্ট ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘প্র্যাকটিস’ নির্দেশনা জারি করে। ১১ মে দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথমবার ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

দেড় বছর পর শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৩:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দেড় বছর পর শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের কারণে দেড় বছর বিরত থাকার পর স্বশরীরে বিচারকাজ শুরু হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে।   

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১ ডিসেম্বর থেকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে আপিল বিভাগও ও হাই কোর্ট বিভাগে বিচারিক কাজ পরিচালিত হবে।  এতোদিন ভার্চুয়ালি বিচারকাজ চলছিল।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন জ্যেষ্ঠ বিচারকদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  

গত বছর মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত ‘সাধারণ ছুটির’ সঙ্গে মিল রেখে দেশের সব আদালতেও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে দেশের বিচার ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

পরে সুপ্রিম কোর্টের অনুরোধে মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান, দরখাস্ত বা আপিল শুনানি, সাক্ষ্য বা যুক্তিতর্ক গ্রহণ, আদেশ বা রায় দিতে পক্ষদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আদালতকে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা দিয়ে গত বছর ৯ মে অধ্যাদেশ জারি হয়।

পরদিন সুপ্রিম কোর্ট ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘প্র্যাকটিস’ নির্দেশনা জারি করে। ১১ মে দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথমবার ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন