‘দিনে প্রায় চারটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে’
jugantor
‘দিনে প্রায় চারটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:৫৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

দেশে চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে ধর্ষণ সংক্রান্ত ১ হাজার ১৮২টি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ধর্ষণ ৯৫৫টি, দলবদ্ধ ধর্ষণ ২২০টি ও ধর্ষণের চেষ্টা ২৫৯টি। অর্থাৎ দিনে প্রায় চারটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে রাস্তা, যানবাহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, এমনকি বাড়িতে দেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।

বুধবার বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ)‘বাংলাদেশে যৌন হয়রানি: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব তথ্য তুলে ধরে।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবেবিএনডব্লিউএলএর সভাপতি আইনজীবী সালমা আলী ধর্ষণেরতথ্য তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিটি ক্ষেত্রেই উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। এখনই সময় নারীদের রুখে দাঁড়ানোর।

আলোচনায় জানানো হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে তারা এ পরিসংখ্যান দিয়েছেন।

বিএনডব্লিউএলএর সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী জোবায়দা পারভিন বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনা বেড়ে চলেছে। বর্তমানে সংঘটিত সব যৌন হয়রানি ও সহিংসতায় দায়ী অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার দাবি করেন তিনি।

যৌন হয়রানি নিয়ে নারীদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আক্তার বলেন, নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হলেও চাকরি হারানো এবং সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয়ে অভিযোগ করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সবার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

গণমাধ্যমকর্মী জাইমা ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিদিনই দেখছি, নারীরা কর্মক্ষেত্রে কোনো না কোনোভাবে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি নিশ্চিত ও কার্যকর করা গেলে এই সহিংসতার ঘটনা রোধ করা সম্ভব।

ফেয়ার ওয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি বাবলুর রহমান বলেন, নারী-পুরুষনির্বিশেষে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। দেশের বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ ও নজরদারিও খুব জরুরি।

‘দিনে প্রায় চারটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
ধর্ষণ

দেশে চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে ধর্ষণ সংক্রান্ত ১ হাজার ১৮২টি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ধর্ষণ ৯৫৫টি, দলবদ্ধ ধর্ষণ ২২০টি ও ধর্ষণের চেষ্টা ২৫৯টি। অর্থাৎ দিনে প্রায় চারটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে রাস্তা, যানবাহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, এমনকি বাড়িতে দেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।

বুধবার বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ)‘বাংলাদেশে যৌন হয়রানি: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব তথ্য তুলে ধরে। 

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনডব্লিউএলএর সভাপতি আইনজীবী সালমা আলী ধর্ষণের তথ্য তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিটি ক্ষেত্রেই উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। এখনই সময় নারীদের রুখে দাঁড়ানোর।

আলোচনায় জানানো হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে তারা এ পরিসংখ্যান দিয়েছেন।

বিএনডব্লিউএলএর সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী জোবায়দা পারভিন বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনা বেড়ে চলেছে। বর্তমানে সংঘটিত সব যৌন হয়রানি ও সহিংসতায় দায়ী অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার দাবি করেন তিনি।

যৌন হয়রানি নিয়ে নারীদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আক্তার বলেন, নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হলেও চাকরি হারানো এবং সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয়ে অভিযোগ করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সবার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

গণমাধ্যমকর্মী জাইমা ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিদিনই দেখছি, নারীরা কর্মক্ষেত্রে কোনো না কোনোভাবে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি নিশ্চিত ও কার্যকর করা গেলে এই সহিংসতার ঘটনা রোধ করা সম্ভব।

ফেয়ার ওয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি বাবলুর রহমান বলেন, নারী-পুরুষনির্বিশেষে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। দেশের বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ ও নজরদারিও খুব জরুরি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন