শিক্ষার্থীদের চাপে জরিমানা দিতে বাধ্য হলো লাইসেন্সবিহীন পুলিশ
jugantor
শিক্ষার্থীদের চাপে জরিমানা দিতে বাধ্য হলো লাইসেন্সবিহীন পুলিশ

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯:১১:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে লাইসেন্সবিহীন পুলিশের একটি গাড়িকে জরিমানা করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রেজিস্ট্রেশন নম্বরবিহীন রাস্তায় নামা পুলিশের ওই গাড়িটিকে বুধবার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় আটকে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় গাড়িটি যে পুলিশ সদস্য চালাচ্ছিলেন তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও পাননি শিক্ষার্থীরা।

এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ওই গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান। তবে প্রথমে তারা এ নিয়ে মামলা নিতে রাজি হননি।

শিক্ষার্থীরা এ সময় পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেওয়া শুরু করে। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের তর্ক শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী গাড়িটিকে জোর করে রাস্তার পাশে পার্ক করে ঘিরে রাখে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ডিএমপির খিলগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার নুরুল আমিন ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

তবে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা গাড়িটিকে আটকে রাখা হবে বলে জানান।

ঘণ্টাখানেক বাববিতণ্ডার পর দুপুর দেড়টার দিকে একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট ঘটনাস্থলে এসে গাড়িটির চালক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ ব্যাপারে খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার খন্দকার রেজাউল হাসান সাংবাদিকদের ওই চালকের ব্যাপারে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমরা তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। তিনি এক বছর লাইসেন্স নবায়ন করেননি।

এ সময় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বরের নেই কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো সেটি পাওয়া যায়নি।

শিক্ষার্থীদের চাপে জরিমানা দিতে বাধ্য হলো লাইসেন্সবিহীন পুলিশ

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে লাইসেন্সবিহীন পুলিশের একটি গাড়িকে জরিমানা করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

রেজিস্ট্রেশন নম্বরবিহীন রাস্তায় নামা পুলিশের ওই গাড়িটিকে বুধবার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় আটকে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় গাড়িটি যে পুলিশ সদস্য চালাচ্ছিলেন তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও পাননি শিক্ষার্থীরা।

এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ওই গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান। তবে প্রথমে তারা এ নিয়ে মামলা নিতে রাজি হননি। 

শিক্ষার্থীরা এ সময় পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেওয়া শুরু করে। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের তর্ক শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী গাড়িটিকে জোর করে রাস্তার পাশে পার্ক করে ঘিরে রাখে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ডিএমপির খিলগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার নুরুল আমিন ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

তবে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা গাড়িটিকে আটকে রাখা হবে বলে জানান। 

ঘণ্টাখানেক বাববিতণ্ডার  পর দুপুর দেড়টার দিকে একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট ঘটনাস্থলে এসে গাড়িটির চালক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ ব্যাপারে খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার খন্দকার রেজাউল হাসান সাংবাদিকদের ওই চালকের ব্যাপারে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ  হওয়ায় আমরা তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। তিনি এক বছর লাইসেন্স নবায়ন করেননি।

এ সময় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বরের নেই কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো সেটি পাওয়া যায়নি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন