খাদ্যদ্রব্যে ২ শতাংশের বেশি ট্রান্সফ্যাট নয়
jugantor
খাদ্যদ্রব্যে ২ শতাংশের বেশি ট্রান্সফ্যাট নয়

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:৪১:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

শিল্পোৎপাদিত সকল তেল, ফ্যাট ও খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা মোট ফ্যাটের ২ শতাংশ নির্ধারণের বিধান রেখে সোমবার ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সবাইকে এ ট্রান্সফ্যাট রাখতে হবে। সরকারের এ উদ্যোগকে ভোক্তা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান। পাশাপাশি স্বাগত জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ। প্রজ্ঞার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ঘোষিত সর্বোত্তম নীতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সেখানে আরও বলা হয়- বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ট্রান্সফ্যাট ঘটিত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছেন। খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা-২০২১ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক বলেন, বর্তমানে তরুণ এবং মাঝবয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ, ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার গ্রহণ। প্রবিধানমালাটি বাস্তবায়িত হলে দেশে হৃদরোগ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

বাংলাদেশে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) দক্ষিণ এশিয়া প্রোগ্রামের রিজিওনাল ডিরেক্টর বন্দনা শাহ্ বলেন, ভারত, ব্রাজিল, তুরস্কসহ অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০২৩ সালের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের ক্রমবর্ধমান তালিকায় যুক্ত হলো।

শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) বা ট্রান্সফ্যাট একটি ক্ষতিকর খাদ্য উপাদান। মাত্রাতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট গ্রহণের ফলে উচ্চহারে হৃদরোগ, হৃদরোগজনিত মৃত্যু স্মৃতিভ্রংশ এবং স্বল্প স্মৃতিহানি জাতীয় রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

খাদ্যদ্রব্যে ২ শতাংশের বেশি ট্রান্সফ্যাট নয়

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শিল্পোৎপাদিত সকল তেল, ফ্যাট ও খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা মোট ফ্যাটের ২ শতাংশ নির্ধারণের বিধান রেখে সোমবার ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। 

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সবাইকে এ ট্রান্সফ্যাট রাখতে হবে। সরকারের এ উদ্যোগকে ভোক্তা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান। পাশাপাশি স্বাগত জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ। প্রজ্ঞার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ঘোষিত সর্বোত্তম নীতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সেখানে আরও বলা হয়- বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ট্রান্সফ্যাট ঘটিত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছেন। খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্সফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা-২০২১ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। 

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক বলেন, বর্তমানে তরুণ এবং মাঝবয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ, ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার গ্রহণ। প্রবিধানমালাটি বাস্তবায়িত হলে দেশে হৃদরোগ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
 
বাংলাদেশে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) দক্ষিণ এশিয়া প্রোগ্রামের রিজিওনাল ডিরেক্টর বন্দনা শাহ্ বলেন, ভারত, ব্রাজিল, তুরস্কসহ অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০২৩ সালের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের ক্রমবর্ধমান তালিকায় যুক্ত হলো।
 
শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) বা ট্রান্সফ্যাট একটি ক্ষতিকর খাদ্য উপাদান। মাত্রাতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট গ্রহণের ফলে উচ্চহারে হৃদরোগ, হৃদরোগজনিত মৃত্যু স্মৃতিভ্রংশ এবং স্বল্প স্মৃতিহানি জাতীয় রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।  
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন