পোস্টাল অপারেটর আমজাদ আলী খান বরখাস্ত
jugantor
পোস্টাল অপারেটর আমজাদ আলী খান বরখাস্ত

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ২২:১৩:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

জালিয়াতির মাধ্যমে ডাক বিভাগের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে ঢাকা জিপিওর পোস্টাল অপারেটর মো. আমজাদ আলী খানকে। এছাড়া চাকরিকালে ডাকমন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান ও তাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর ঢাকা জিপিওর সিনিয়র পোস্টমাস্টার শাহনূর সাব্বির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ আদেশ প্রদান করা হয়। এ আদেশের বিষয়টি বুধবার প্রকাশ পায়।

জানা গেছে, ঢাকা জিপিও থেকে ভুয়া মানি আর্ডার ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সরিয়ে ফেলা হয়। একটি জৈবসার কোম্পানির মালিকের সঙ্গে যোগসাজশ করে আমজাদ আলী খান ডাক বিভাগের বিপুল এ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। একইভাবে ডাকমন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য ও হুমকি ধমকি প্রদানের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা দায়ের করা হয়। দুটি মামলায় আমজাদ আলী খান একবার র‌্যাব ও আরেকবার ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। গ্রেফতারের পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ডাক বিভাগ। অভিযোগ তদন্তে গঠন করে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটি তাকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট দেয়। মূলত রিপোর্টের ভিত্তিতেই ডাক বিভাগ আমজাদ আলী খানকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

একইসঙ্গে ২০১৩ সাল থেকে ডাক বিভাগ থেকে বেতন-ভাতাসহ যেসব আর্থিক সুযোগ-সুবিধা তিনি গ্রহণ করেছেন (খোরাকি ব্যতীত) তাও ফেরত দিতে বলা হয়েছে বরখাস্ত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর এ আদেশে।

পোস্টাল অপারেটর আমজাদ আলী খান বরখাস্ত

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জালিয়াতির মাধ্যমে ডাক বিভাগের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে ঢাকা জিপিওর  পোস্টাল অপারেটর মো. আমজাদ আলী খানকে। এছাড়া চাকরিকালে ডাকমন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান ও তাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ২৫ নভেম্বর ঢাকা জিপিওর সিনিয়র পোস্টমাস্টার শাহনূর সাব্বির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ আদেশ প্রদান করা হয়। এ আদেশের বিষয়টি বুধবার প্রকাশ পায়। 

জানা গেছে, ঢাকা জিপিও থেকে ভুয়া মানি আর্ডার ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সরিয়ে ফেলা হয়। একটি জৈবসার কোম্পানির মালিকের সঙ্গে যোগসাজশ করে আমজাদ আলী খান ডাক বিভাগের বিপুল এ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। একইভাবে ডাকমন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য ও হুমকি ধমকি প্রদানের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা দায়ের করা হয়। দুটি মামলায় আমজাদ আলী খান একবার র‌্যাব ও আরেকবার ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন।   গ্রেফতারের পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ডাক বিভাগ। অভিযোগ তদন্তে গঠন করে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটি তাকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট দেয়। মূলত রিপোর্টের ভিত্তিতেই ডাক বিভাগ আমজাদ আলী খানকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। 

একইসঙ্গে ২০১৩ সাল থেকে ডাক বিভাগ থেকে বেতন-ভাতাসহ যেসব আর্থিক সুযোগ-সুবিধা তিনি গ্রহণ করেছেন  (খোরাকি ব্যতীত) তাও ফেরত দিতে বলা হয়েছে বরখাস্ত ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর এ আদেশে।   
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন