সেনাবাহিনীকে জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চাই: সেনাপ্রধান
jugantor
সেনাবাহিনীকে জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চাই: সেনাপ্রধান

  সিলেট ব্যুরো  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১৪:২৩:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

রোববার সকালে সিলেট সেনানিবাসের মুজিব চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ‘বজ্রকণ্ঠ’ উদ্বোধন করে সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সেনাবাহিনীকে আমি জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চাই, এটিই আমার ভিশন।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের মনোবল ও সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এর ফলে দেশে ও বিদেশে যে কোনো দায়িত্ব পালনে সক্ষম এই বাহিনী।

রোববার সকালে সিলেট সেনানিবাসের মুজিব চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘বজ্রকণ্ঠ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এসব বলেন।

শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষে এই ম্যুরাল উদ্বোধন সৌভাগ্যের ব্যাপার। জাতির পিতার এই ভাস্কর্য শুধু প্রদর্শনের জন্যই নয়, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ জন্মাবে।

সেনাপ্রধান জানান, সেনাসদস্যদের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এই ভাস্কর্য দেখতে ও এর প্রতি সম্মান জানাতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সিলেট সেনানিবাসে মুজিব চত্বরে স্থাপিত ভাস্কর্যটির বেজমেন্ট ৬ ফুট ও মূল ভাস্কর্য ১৯ ফুট দীর্ঘ। সেনাবাহিনীর সিলেট এরিয়া সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে স্থাপিত হয়েছে ভাস্কর্যটি।

সেনাবাহিনীকে জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চাই: সেনাপ্রধান

 সিলেট ব্যুরো 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রোববার সকালে সিলেট সেনানিবাসের মুজিব চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ‘বজ্রকণ্ঠ’ উদ্বোধন করে সেনাপ্রধান
রোববার সকালে সিলেট সেনানিবাসের মুজিব চত্বরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ‘বজ্রকণ্ঠ’ উদ্বোধন করেন সেনাপ্রধান। ছবি-যুগান্তর

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সেনাবাহিনীকে আমি জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চাই, এটিই আমার ভিশন। 

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টা বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের মনোবল ও সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এর ফলে দেশে ও বিদেশে যে কোনো দায়িত্ব পালনে সক্ষম এই বাহিনী। 

রোববার সকালে সিলেট সেনানিবাসের মুজিব চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘বজ্রকণ্ঠ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এসব বলেন।

শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষে এই ম্যুরাল উদ্বোধন সৌভাগ্যের ব্যাপার। জাতির পিতার এই ভাস্কর্য শুধু প্রদর্শনের জন্যই নয়, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ জন্মাবে। 

সেনাপ্রধান জানান, সেনাসদস্যদের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এই ভাস্কর্য দেখতে ও এর প্রতি সম্মান জানাতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, সিলেট সেনানিবাসে মুজিব চত্বরে স্থাপিত ভাস্কর্যটির বেজমেন্ট ৬ ফুট ও মূল ভাস্কর্য ১৯ ফুট দীর্ঘ। সেনাবাহিনীর সিলেট এরিয়া সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে স্থাপিত হয়েছে ভাস্কর্যটি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন