ক্ষমা চেয়ে স্ট্যাটাসে যা বললেন ডা. মুরাদ
jugantor
ক্ষমা চেয়ে স্ট্যাটাসে যা বললেন ডা. মুরাদ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১৩:৪৮:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার মাধ্যমেক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচিত ডা. মুরাদ হাসান।

মঙ্গলবার দুপুর ১টায় তার ভেরিফায়েডফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেস্ট্যাটাস দিয়ে এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডা. মুরাদ লেখেন, ‘আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি অথবা আমার কথায় মা-বোনদের মনে কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা দেশরত্ন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিবো আজীবন। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।’

রাষ্ট্রধর্ম ও ৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে বক্তব্য দিয়ে প্রথম আলোচনায় এসেছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

এর পর বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি।

সর্বশেষ একটি অডিও ফাঁসের ঘটনা ডা. মুরাদকে বিপাকে ফেলে দিয়েছে।

নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতোমধ্যে ই-মেইলে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ডা. মুরাদ।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগের জন্য তিনি ‘ব্যক্তিগত কারণের’ কথা উল্লেখ করেছেন চিঠিতে।

২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দুই বছরের বেশি সময় ধরে এই মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি।

মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য। তার বাবা প্রয়াত মতিউর রহমান তালুকদার জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

ক্ষমা চেয়ে স্ট্যাটাসে যা বললেন ডা. মুরাদ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচিত ডা. মুরাদ হাসান।

মঙ্গলবার দুপুর ১টায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে স্ট্যাটাস দিয়ে এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডা. মুরাদ লেখেন, ‘আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি অথবা আমার কথায় মা-বোনদের মনে কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা দেশরত্ন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিবো আজীবন। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।’

রাষ্ট্রধর্ম ও ৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া নিয়ে বক্তব্য দিয়ে প্রথম আলোচনায় এসেছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। 

এর পর বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি। 

সর্বশেষ একটি অডিও ফাঁসের ঘটনা ডা. মুরাদকে বিপাকে ফেলে দিয়েছে। 

নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতোমধ্যে ই-মেইলে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ডা. মুরাদ।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

পদত্যাগের জন্য তিনি ‘ব্যক্তিগত কারণের’ কথা উল্লেখ করেছেন চিঠিতে।

২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।  দুই বছরের বেশি সময় ধরে এই মন্ত্রণালয়ে ছিলেন তিনি।  

মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য।  তার বাবা প্রয়াত মতিউর রহমান তালুকদার জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন