নিজের সাজানো দপ্তরে বসা হলো না ডা. মুরাদের
jugantor
নিজের সাজানো দপ্তরে বসা হলো না ডা. মুরাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:১৩:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নিজের সাজানো দপ্তরে বসা হলো না ডা. মুরাদের

বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের ব্যাপক সংস্কার করে সৌন্দর্যবর্ধন করা হচ্ছে।

ডা. মুরাদ হাসানের ইচ্ছাতেই তার কার্যালয়টি সাজানো হচ্ছিল। আর সেই কার্যালয়েই বসা হলো না ডা. মুরাদের।

অশালীন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও নারীর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্য দিয়ে মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন ইতোমধ্যে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের পর মঙ্গলবার পদত্যাগপত্র জমা দেন ডা. মুরাদ।

তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর মঙ্গলবার রাতেএ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

গত কয়েকদিন ধরে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের সংস্কারকাজ চলায় সাময়িকভাবে ডা. মুরাদ হাসান আরেকটি কক্ষে বসতেন।

এদিকে মুরাদের পদত্যাগপত্র দাখিলের পরও প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। যে কারণে এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে নানা আলোচনা চলছিল মঙ্গলবার।

এ বিষয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতিমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুসারেই তার দপ্তরের সংস্কার শুরু হয়েছিল। তবে তিনি না থাকলেও কাজ শেষ করা হবে। পরে যে সিদ্ধান্ত হয়, সেটি পরে হবে।

ছবি: সংগৃহীত

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ায় ডা. মুরাদ হাসানকে মঙ্গলবারের মধ্যে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে মুরাদ হাসান ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়েছেন।

এদিকে মুরাদ হাসানকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ। মুরাদ হাসান জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

নিজের সাজানো দপ্তরে বসা হলো না ডা. মুরাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নিজের সাজানো দপ্তরে বসা হলো না ডা. মুরাদের
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের ব্যাপক সংস্কার করে সৌন্দর্যবর্ধন করা হচ্ছে। 

ডা. মুরাদ হাসানের ইচ্ছাতেই তার কার্যালয়টি সাজানো হচ্ছিল। আর সেই কার্যালয়েই বসা হলো না ডা. মুরাদের।

অশালীন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও নারীর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্য দিয়ে মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন ইতোমধ্যে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের পর মঙ্গলবার পদত্যাগপত্র জমা দেন ডা. মুরাদ। 

তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

গত কয়েকদিন ধরে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের সংস্কারকাজ চলায় সাময়িকভাবে ডা. মুরাদ হাসান আরেকটি কক্ষে বসতেন। 

এদিকে মুরাদের পদত্যাগপত্র দাখিলের পরও প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। যে কারণে এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে নানা আলোচনা চলছিল মঙ্গলবার। 

এ বিষয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতিমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুসারেই তার দপ্তরের সংস্কার শুরু হয়েছিল। তবে তিনি না থাকলেও কাজ শেষ করা হবে। পরে যে সিদ্ধান্ত হয়, সেটি পরে হবে।

ছবি: সংগৃহীত

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ায় ডা. মুরাদ হাসানকে মঙ্গলবারের মধ্যে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে মুরাদ হাসান ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়েছেন।

এদিকে মুরাদ হাসানকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ। মুরাদ হাসান জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন