সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ
jugantor
সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:৫৪:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গুজব’ রটানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তথ্য মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত কার্য অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের একটি বড় ক্ষেত্র। আবার অপপ্রচারেরও একটি বড় ক্ষেত্র এ মাধ্যম। গত ৭-৮ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, দেশে যত দুর্ঘটনা ঘটেছে, গুজব রটেছে, রটানো হয়েছে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে, সেগুলোর প্রায় সবই এ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে করে হয়েছে। তাই দেশের সব জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে আমরা বিষয়গুলো তুলে ধরে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে ডিসিদের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ ‘গুজব’ ছড়ালে বা ‘অপপ্রচার’ করলে বা ‘অপপ্রচার’ চালালে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

বর্তমানে দেশে ৯ থেকে সাড়ে ৯ কোটি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় দেখা যায় নানা বিভ্রান্তিমূলক খবর পরিবেশন করে সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়েছে। সারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়। এসব বিষয়ে জেলা প্রশাসকরা যেন সবসময় তৎপর থাকেন, ব্যবস্থা নেন সে জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।

এ সময় আইপি টিভি বা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে খবর প্রচার করা যাবে না বলেও নির্দেশনা দেন তথ্যমন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা আমাদের মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত। আমরা জেলা প্রশাসকদের বলেছি, তারা যেন এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গুজব’ রটানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তথ্য মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত কার্য অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের একটি বড় ক্ষেত্র। আবার অপপ্রচারেরও একটি বড় ক্ষেত্র এ মাধ্যম। গত ৭-৮ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, দেশে যত দুর্ঘটনা ঘটেছে, গুজব রটেছে, রটানো হয়েছে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে, সেগুলোর প্রায় সবই এ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে করে হয়েছে। তাই দেশের সব জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে আমরা বিষয়গুলো তুলে ধরে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে ডিসিদের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।  তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ ‘গুজব’ ছড়ালে বা ‘অপপ্রচার’ করলে বা ‘অপপ্রচার’ চালালে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

বর্তমানে দেশে ৯ থেকে সাড়ে ৯ কোটি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় দেখা যায় নানা বিভ্রান্তিমূলক খবর পরিবেশন করে সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়েছে। সারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়। এসব বিষয়ে জেলা প্রশাসকরা যেন সবসময় তৎপর থাকেন, ব্যবস্থা নেন সে জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।

এ সময় আইপি টিভি বা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে খবর প্রচার করা যাবে না বলেও নির্দেশনা দেন তথ্যমন্ত্রী।  

হাছান মাহমুদ বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা আমাদের মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত। আমরা জেলা প্রশাসকদের বলেছি, তারা যেন এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন