ওবায়দুল কাদের

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সুনামির মতো ইয়াবাও পাঠিয়েছে মিয়ানমার

প্রকাশ : ২৫ মে ২০১৮, ১৫:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ

  নারায়ণগঞ্জ

ফাইল ফটো

মিয়ানমার তাদের দেশ থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিতাড়িত করার পাশাপাশি সুনামির মতো মাদকদ্রব্য ইয়াবাও এদেশে পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভুলতা ফ্লাইওভার সাইড অফিসে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে যানজট নিরসন বিষয়ে করণীয় নিয়ে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ অভিযোগ করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমার একদিকে এখানে স্রোতের মতো রোহিঙ্গা পাঠিয়েছে, অন্যদিকে এর সঙ্গে মাদকের স্রোত সুনামির মতো বাংলাদেশে এসেছে। মিয়ানমার শুধু রোহিঙ্গা পাঠায়নি, ইয়াবাও পাঠিয়েছে। 

মাদকের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে বর্তমান সরকার ছাড় দিচ্ছে না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, অভিযোগ যদি প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ আসে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি যেই হোন, যে জায়গায় থাকেন। জনপ্রতিনিধি হোন, নেতা হোন, বড় রাজনীতিবিদ হোন- কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। রাঘববোয়াল, চুনুপুটি কেউ ছাড়া পাবে না। কেউ ছাড়া পাবে না। নেটে সবাইকে আনা হবে। শুরু হয়েছে, দেখতে পাবেন।

সেতুমন্ত্রী জানান, আওয়ামী লীগের এক সংসদ সদস্য খুনের মামলায় কারাগারে আছেন, সরকারের তিন মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে প্রতিনিয়ত হাজিরা দিচ্ছেন, এক মন্ত্রীপুত্র কারাগারে আছেন।

মহাসড়কগুলোকে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সচল রাখার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। ঈদে গাড়ি থামিয়ে অর্থ আদায় না করার জন্যও ট্রাফিকদের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি দেন তিনি।

বর্তমান সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়নের মতো দুরূহ কাজ, চ্যালেঞ্জিং কাজ যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি করে ফেলেছেন, সে তুলনায় এটা কোনো সমস্যাই না। এ সমস্যারও সমাধান হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী কলকাতা গেছেন আমি তাকে সি-অফ করে এখানে এসেছি। সেখানে নরেন্দ্র মোদি, মমতা ব্যানার্জি থাকবেন। আলাপ-আলোচনা হবে। আমি তো এখানে বসে বলতে পারি না রেজাল্টটা কী হবে? তবে এটা বুঝি, নাহলেও অগ্রগতি হবে।

তিনি বলেন, যে কোনো সময় হতে পারে চুক্তি। আমাদের মধ্যে যে সম্পর্ক আছে, সেই সম্পর্কের আলোকে এই কথাটা বলছি।