মাদকবিরোধী অভিযানে ফের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১২

  যুগান্তর ডেস্ক ২৬ মে ২০১৮, ০৮:১৪ | অনলাইন সংস্করণ

বন্দুকযুদ্ধ
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লা, দিনাজপুর, চাঁদপুর, জয়পুরহাট, ময়মনসিংহ, বরগুনা ঠাকুরগাঁও, ফেনী, কুড়িগ্রাম ও পাবনায় মাদকবিরোধী অভিযানকালে র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১২ জন নিহত হয়েছেন।

র‌্যাব ও পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় মাদকের মামলা রয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনাগুলো ঘটে।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

কুমিল্লা: জেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবুল (৪০) ও আলমাস (৩৬) নামে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাগরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বাবুল একই উপজেলার আশাবাড়ি গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ১৬টি মাদকের মামলা রয়েছে। আলমাস উপজেলার দক্ষিণ তেতাভূমি গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে আটটি মাদকের মামলা রয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহ জাহান কবির জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করতে ব্রাহ্মণপাড়া- দেবিদ্বার সার্কেলের এএসসি শেখ মোহাম্মদ সেলিম ও ওসি সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজান কবির সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বাগরা এলাকায় অবস্থান নেয়।

রাত দেড়টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী বাবুল ও আলমাস তাদের সহযোগীদের নিয়ে সেখানে পৌঁছলে তাদের আটকের চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। উভয় পক্ষের গুলি বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ী বাবুল ও আলমাস গুরুতর আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে কুমেক হাসপাতালে নেয়ার পথে উভয়ের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

দিনাজপুর : দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন ও সদর উপজেলার রামসাগরে দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গুলি বিনিময়ে আরও একজন মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন-বীরগঞ্জ উপজেলার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা সাবদারুল ইসলাম (৪২) ও নিহত আবদুস সালাম ওই এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ১৩ দিনাজপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক (সিও) মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান, শুক্রবার ভোর রাতে বীরগঞ্জে বিপুল মাদক পাচারের খবর পেয়ে র‌্যাব অভিযান চালায়। এসময় র‌্যাবকে লক্ষ্য করে সাবদারুল গুলি ছুড়লে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। পরে তার কাছে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড তাজা গুলি, এক রাউন্ড গুলির খোসা, প্রায় দুই কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আহত হন দুই র‌্যাব সদস্য।

এদিকে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, রাতে রামসাগর এলাকায় দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে গেলে আবদুস সালামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক আবদুস সালামকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ফেনসিডিল, চারটি হাত বোমা, একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

চাঁদপুর: চাঁদপুর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কচুয়া থানা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক বিক্রেতা বাবলু (৩৫) নিহত হয়েছেন বলে দাবি পুলিশের। তার বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে।

নিহত বাবলু ওই গ্রামের সুলতার মিয়ার ছেলে।

কচুয়া থানার ওসি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, শুক্রবার দিনগত রাত ৩টার দিকে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১০ নম্বর আশরাফপুর ইউনিয়নের বনরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় তার বাড়ি থেকে ১১০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা ডিবি ও কচুয়া থানা পুলিশ বাবলুর বাড়িতে যৌথ অভিযান চালায়। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে তিনি গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হন বাবলু। এ অবস্থায় বাবলুকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।

জয়পুরহাট: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ভিমপুর এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রেন্টু নামের এক মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে ফেনসিডিল, এক নলা বন্দুক ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে র‌্যাব।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্প কমান্ডার শামীম হোসেন জানান, মাদকের একটি বড় চালান কেনাবেচা হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি দল রাতে ভিমপুর এলাকায় যায়। টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে ওই মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ হন এবং বাকি চারজন পালিয়ে যান। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

বরগুনা : সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানকালে বন্দুকযুদ্ধে ছগির (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনার সদর উপজেলার জাকিচাবক গ্রামে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।নিহত ছগির উপজেলার কুমারখালী গ্রামের বাসিন্দা।

বরগুনা সদর থানার ওসি এসএম মাসুদ জামান জানান, নিহত ছগির মাদক ব্যবসায়ী। তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও: মাদকবিরোধী অভিযানকালে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মোবারক হোসেন কুট্টি (৪৪) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি মাদক বিক্রেতা। এসময় পুলিশ ১০০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

শনিবার ভোর রাতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পশ্চিম বেগুনবাড়ি গ্রামে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহত মোবারক সদর উপজেলার ঠাকুরগাঁও রোড ছিট চিলারং গ্রামের মৃত শফির উদ্দিনের ছেলে।

সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার পশ্চিম বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় কুট্টিসহ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের ওপর হামলা চালায়।পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে মাদক ব্যবসায়ী কুট্টি গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কুট্টিকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ: ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শাহজাহান নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহত শাহজাহান আঠারবাড়ি এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। এসময় ওসিসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২০০টি ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করেছে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি বদরুল আলম জানান, ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ি তেলোয়ারি মোড়ে মাদক বিক্রেতারা মাদক ভাগাভাগি করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এসময় মাদক বিক্রেতারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করে।

এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি করলে মাদক ব্যবসায়ী শাহজাহান গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তবে বাকিরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক শাহজাহানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ফেনী: জেলা শহর রুহতিয়া এলাকা থেকে কবির হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার ভোর ৪টার দিকে শহরের রুহিতিয়া ব্রিকফিল্ড এলাকায় নিজেদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কবির নিহত হয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।নিহত কবির পরশুরাম উপজেলার ধনিকুন্ডা গ্রমের আবুল খালেক বেতুর ছেলে।

ফেনী মডেল থানার ওসি রাশেদ খাঁন চৌধুরী বলেন, ভোর ৪টার দিকে সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের রুহিতিয়া ব্রিকফিল্ড এলাকায় গোলগুলির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার পরিচয় মেলে। নাম কবির হোসেন ওরফে কবির ডাকাত।নিহতের বিরুদ্ধে ডাকাতি, মাদকসহ ১০টি মামলা রয়েছে।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, একটি গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।

কুড়িগ্রাম: ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইব্রাহিম হোসেন (৩৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহত ইব্রাহিম মাদক চোরাকারবারি। তিনি একই এলাকার নাওডোর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত. ইউসুফ ওরফে ইনসাফের ছেলে। এসময় ৫ কেজি গাঁজা, দেশীয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ভোরে উপজেলার দক্ষিণ বাঁশজানি সীমান্তে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ভারতীয় সীমান্ত ঘেষা দক্ষিণ বাঁশজানী গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধারে যায় পুলিশ। এসময় চোরাকারবারীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের ওপর আক্রমণ চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

পরে মাদক পাচার সিন্ডিকেট প্রধান ইব্রাহিমের ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে আনলে চিকিৎসকরা তাকে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে সকাল সোয়া ৯টায় ইব্রাহিমের মৃত্যু হয়। এসময় এএসআই নাদের ও আইয়ুব নামে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে এবং সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যরা পালিয়ে গেছে বলে জানান ওসি।

পাবনা: জেলার সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আবদুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার হেন্দ্রপুরের দুর্বার সবুজ গোষ্ঠির পাশে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামের মৃত আছের উদ্দিন শেখের ছেলে। তিনি পুলিশের তালিকাভূক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন বলে দাবি পুলিশের।

পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যায় পুলিশ। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে ২০/২৫ রাউন্ড গুলি ও ককটেল হামলা চালায় মাদক ব্যবসায়ীরা।

পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে সেখান থেকে আবদুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আহত হয়েছে তিন পুলিশ সদস্য। তারা হলেন- এসআই মেহেদী হাসান সুমন, কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম ও জিয়াউর রহমান। তাদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়।

ঘটনাস্থল থেকে একটি শাটারগান, তিনটি থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি, চারটি কার্তুজ এবং ২০০টি ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একটি টর্চ লাইট উদ্ধার করা হয় বলে জানান পুলিশ সুপার।

ঘটনাপ্রবাহ : মাদকবিরোধী অভিযান ২০১৮

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter