রাজধানীসহ সারা দেশে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফের নিহত ১৫

প্রকাশ : ৩০ মে ২০১৮, ০৮:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

রাজধানীসহ সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযানকালে র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৫ জন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত চলা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রাজধানীতে তিনজন, মাগুরায় তিন, কুমিল্লায় এক, যশোরে দুই, নড়াইলে এক, আশুলিয়ায় এক, কক্সবাজারে এক, চট্টগ্রামে এক,  চুয়াডাঙ্গায় এক ও সিরাজগঞ্জে একজন নিহত হয়েছেন। 

র‌্যাব ও পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

রাজধানী : ভাসানটেক দেওয়ানপাড়া লোহার ব্রিজ এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন।

র‌্যাবের দাবি, নিহতরা মাদক বিক্রেতা ছিলেন।

মঙ্গলবার দিনগত রাত ৩টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- আতাউর রহমান আতা (৪৬), বাপ্পি (৩৮) ও মোস্তফা হাওলাদার ওরফে কসাই মোস্তফা (৫০)।

ঘটনাস্থল থেকে দুটি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব ৪-এর অধিনায়ক চৌধুরী মঞ্জুর কবির জানান, গোপন খবর পেয়ে রাতে লোহার ব্রিজ এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিন মাদক বিক্রেতা নিহত হন।  

মাগুরা : জেলার শহরতলির বাটিকাডাঙ্গা মাঠপাড়া এলাকা থেকে আজ বুধবার রাত ২টার দিকে তিন মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- শহরের ভায়না চোপদারপাড়া এলাকার মহিউদ্দিন চোপদারের ছেলে বাচ্চু চোপদার (৫৫), ইসলামপুর এলাকার আবদুর রাজ্জাক ঢালির ছেলে রায়হান ঢালি ব্রিটিশ (২০) এবং নতুনবাজার বৈরাগিপাড়ার খোকন অধিকারীর ছেলে কিশোর অধিকারী কালা (৪২)।

সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, রাত ১টার দিকে টহল পুলিশ গোলাগুলির সংবাদ পেয়ে বাটিকাডাঙ্গা মাঠপাড়া এলাকায় গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থল থেকে ৩২০ গ্রাম হেরোইন, এক কেজি গাঁজা, ছয় বোতল ফেনসিডিল, ছয়টি রাইফেলের গুলি ও আটটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত রায়হান ঢালি ব্রিটিশ ও কিশোর অধিকারী কালার নামে সদর থানায় ১০টি ও বাচ্চু চোপদারের নামে ৭টি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

কুমিল্লা : জেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রোছমত আলী (৪০) নামে এক মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

পুলিশের দাবি, নিহত রোছমত আলী একজন তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে থানায় ৭টি মাদকের মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এক রাউন্ড কার্তুজসহ একটি পাইপগান ও ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে জেলার বুড়িচং উপজেলার লড়িবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই মাদক ব্যবসায়ী উপজেলার ছয়গ্রাম এলাকার মৃত আলী আহাম্মদের ছেলে। 

বুড়িচং থানার ওসি মনোজ কুমার দে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার করতে উপজেলার লড়িবাগ এলাকায় রাস্তার পাশে অবস্থান নেয় পুলিশ। সেখানে মাদক ব্যবসায়ী রোছমত ও তাদের সহযোগীরা পৌঁছলে পুলিশ তাদের আটকের চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তারা। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে মাদক ব্যবসায়ী রোছমত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক রোছমতকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই অভিযানের সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন- এসআই মোয়াজ্জেম, এএসআই সহিদ ও কনস্টেবল আল আমিন। আহত পুলিশদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

যশোর : বেনাপোলে দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ‘গোলাগুলিতে’ দুজন নিহত হয়েছেন।

বুধবার ভোরে বেনাপোলের বড়আঁচড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বেনাপোল ভবেরবেড় গ্রামের মৃত শাহাজানের ছেলে লিটন (৩৪) ও অজ্ঞাত (৪০)।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান, ভোরে বেনাপোল বড়আঁচড়া এলাকায় দুদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ সময় সেখানে দুজনকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে ১০ কেজি গাঁজা, একটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, দুই রাউন্ড গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সালাউদ্দিন শিকদার জানান, স্থানীয়রা নিহত লিটনের মরদেহ শনাক্ত করেছেন। তিনি চিহ্নিত মাদককারবারি। তার বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে। তবে অপরজনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

আশুলিয়া (ঢাকা) : আশুলিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ডাকাত নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার দিনগত গভীর রাতে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাঙ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন জানান, গভীর রাতে একদল ডাকাত মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টাকালে টহল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও ছোড়ে তারা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ডাকাত গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ (কক্সবাজার) : কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কবিতাচত্বর এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নেত্রকোনার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ১০ মামলার আসামি মুজিবুর রহমান (৪২) নিহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে র‌্যাবের একটি দল মাদক ব্যবসায়ীদের আটকের উদ্দেশ্যে অভিযানে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

র্র্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মেজর রুহুল আমিন জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের একটি দল কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কবিতাচত্বর এলাকায় অবস্থান করছে- এমন খবর পেয়ে সেখানে অভিযানে যায় র‌্যাব।  

পরে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নেত্রকোনার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ১০ মামলার আসামি মুজিবুর রহমান (৪২) নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, ৫টি গুলি ও খালি গুলির খোসা এবং ছয় হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

নড়াইল : নড়াইলে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সজীব (২৬) নামে এক মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টার দিকে নড়াইল-লোহাগড়া সড়কের মালিবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সজীব নড়াইল সদর উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের আলতাবের ছেলে।

পুলিশের দাবি, সজীবের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ২৭৬ পিস ইয়াবা, রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি, তিনটি দা উদ্ধার করা হয়েছে।

সদর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, মাদক বিক্রেতারা এলাকায় অবস্থান করছেন, এমন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে মালিবাগ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। 

একপর্যায়ে সজীব গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন এবং তার সঙ্গীরা পালিয়ে যান। পরে সবুজকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরের টাইগারপাসের পলোগ্রাউন্ড এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইসহাক নামে (৩৫) এক যুবক নিহত হয়েছেন।

র‌্যাবের দাবি, নিহত ইসহাক মাদক বিক্রেতা ছিলেন।  ইসহাকের বিরুদ্ধে থানায় ১৯টি মামলা রয়েছে।  ইসহাক নগরের কোতোয়ালি থানার ঝাউতলা কলোনির মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

ঘটনাস্থল থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা, একটি ওয়ান শুটারগান, পাঁচ রাউন্ড গুলি ও পাঁচ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব ৭-এর উপঅধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান জানান, রাতে টাইগারপাসের পলোগ্রাউন্ডে মাদক বিক্রেতাদের অবস্থানের খবর পেয়ে র‌্যাবের মোবাইল টিম অভিযান চালায়। টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে ইসহাক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন এবং তার সঙ্গীরা পালিয়ে যান।

চুয়াডাঙ্গা : জেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তানজিল হোসেন (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। 

পুলিশের দাবি, নিহত তানজিল শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। 

চুয়াডাঙ্গা শহরতলির সাতগাড়ী এলাকার মাঠে মঙ্গলবার দিনগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত তানজিল হোসেন জেলা শহরের দৌলাতদিয়াড় গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে। 

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, চার রাউন্ড গুলি ও এক বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে রাত আড়াইটার দিকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্র মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণ করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে তানজিলের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই রবিউল ইসলাম ও কনস্টেবল আব্দুস সবুর আহত হয়েছেন।

নিহত তানজিল জেলার একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আহসান হাবীব (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

র‌্যাবের দাবি, নিহত আহসান হাবীব মাদক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় র‌্যাবের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। হাবীব কামারখন্দ উপজেলার কামারখন্দ হাটপাড়া গ্রামের ইজার উদ্দিনের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের ঝাঐল ওভার ব্রিজ এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

র‌্যাব-১২ সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের কমান্ডার সাকিবুল ইসলাম খান জানান, ঝাঐল ওভার ব্রিজের ১৫০ গজ পশ্চিমে একটি ইউক্যালিপটাস বাগানে ৫-৬ জন অস্ত্রধারী মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছেন, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে অন্য মাদক বিক্রেতারা পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাবীবকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, এক রাউন্ড গুলি, ২০ বোতল ফেনসিডিল ও এক হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক সেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাবের ল্যান্সনায়েক ছাবলুর রহমান, নায়েক তোফায়েল আহমেদ ও কনস্টেবল আরিফ হোসেন আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নিহত হাবীবের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।