ধূমপান করলে মেডিকেল থেকে বহিষ্কার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ : ৩১ মে ২০১৮, ২১:৫৬ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পুরস্কার বিতরণী করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। ছবি: পিআইডি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, যদি মেডিকেল কলেজের কোনো ছাত্র ধূমপান করে তাহলে তাকে মেডিকেলে রাখা হবে না, বহিষ্কার করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, যদি কোনো চিকিৎসক ধূমপান করেন তাহলে তিনি মেডিকেলে পড়াতে পারবেন না। নিজে উপদেশ দেবেন আর নিজেই ধূমপান করবেন, এটা হবে না। এছাড়া যারা ধূমপায়ী তাদের মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, ধূমপান মানেই বিষপান। এর কোনো সুফল নেই। সব গবেষণায় দেখা গেছে, যে কোনো ধরনের তামাক গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসিম বলেন, মাদকের ভয়াবহতা গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়েছে। মাদক বিভিন্ন পরিবারকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদক ব্যাধির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এখানে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খানের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আবদুল মালিক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। 

আবুল কালাম আজাদ বলেন, হৃদরোগে যত মৃত্যু হয় তার ১৭ ভাগ তামাকজনিত কারণে। তামাককে প্রতিরোধ করতে পারলে এই হার অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করতে চায়। সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের মতো এবারও তামাক নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখার জন্য পুরস্কার দেয়া হয়। ২০১৪ সাল থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এ পুরস্কারের আয়োজন করে।

এ বছর তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ব্যক্তি হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত অধ্যাপক ড. ফজলুল হক।

প্রতিষ্ঠান হিসেবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিক। এবং জেলা হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে জামালপুর জেলা টাস্কফোর্স।