মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত আরও ৩

প্রকাশ : ০১ জুন ২০১৮, ১৩:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

ছবি: যুগান্তর

সারা দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রাজশাহী ও গাজীপুরে আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।
র‌্যাব ও পুলিশের দাবি, নিহত তিন ব্যক্তিই চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি।

মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর গত ১৩ দিনে এ পর্যন্ত ১২২ জন নিহত হয়েছেন।

রাজশাহী

রাজশাহী জেলায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মহানগর পুলিশের কর্ণহার থানার করমজা এলাকায় ওই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত দুজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তারা মাদক ব্যবসায়ী বলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ঘটনার পর র‌্যাব-৫ এর পক্ষ থেকে মোবাইল ফোনের মেসেজ পাঠিয়ে জানানো হয়, করমজা এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে একদল মাদক বিক্রেতার গোলাগুলি হয়েছে। এতে দুই মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিল্লাল উদ্দিন জানান, রাত ১২টার দিকে র‌্যাব সদস্যরা ওই দুই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তাদের দুজনেরই বুকে গুলির চিহ্ন দেখা গেছে। তাদের বয়স ৩০-৪০ বছরের মধ্যে। অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহ দুটি রামেকের মর্গে রাখা হয়েছে।

র‌্যাব-৫ এর উপঅধিনায়ক মেজর এএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গেলে মাদক বিক্রেতারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ হন।

অভিযানের ব্যাপারে পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।

গাজীপুর

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভাদুন এলাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন।

নিহত কামরুল ইসলাম কামুরবাড়ি টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে বলে গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ডেরিক স্টিফেন কুইয়ার ভাষ্য।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আমির হোসেন বলেন, রাত দেড়টার দিকে পুলিশের একটি দল কালীগঞ্জ উপজেলার উলুখোলা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে চার হাজার ইয়াবা ও একটি গাড়িসহ কামুকে গ্রেফতার করে।

তিনি বলেন, তাকে নিয়ে জেলা গোয়েন্দা অফিসে যাওয়ার পথে ভাদুন এলাকায় কামুর সহযোগীরা পুলিশের গাড়িতে গুলি করে। এ সময় কামু পুলিশের গাড়ি থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টার সময় গুলিবিদ্ধ হয়।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কামুকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। কামুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।