ই-কমার্স প্রতারণায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ
jugantor
ই-কমার্স প্রতারণায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ মে ২০২২, ২১:৪৩:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতারণা থেকে বিরত রাখতে না পারা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে যাদের অবহেলার কারণে ই-কমার্স ব্যবসার নামে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে তাদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া এ ঘটনায় মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ই-কমার্স বাণিজ্য তদারকির জন্য স্বাধীন রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

তিনটি রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব ও অ্যাডভোকেট আনোরুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ।

এর আগে গত বছর দেশের ই-কমার্স খাতের ভোক্তাদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে তিনটি রিট করা হয়। ওই সব রিটের শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়।

ই-কমার্স প্রতারণায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ মে ২০২২, ০৯:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতারণা থেকে বিরত রাখতে না পারা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে যাদের অবহেলার কারণে ই-কমার্স ব্যবসার নামে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে তাদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

এছাড়া এ ঘটনায় মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ই-কমার্স বাণিজ্য তদারকির জন্য স্বাধীন রেগুলেটরি অথরিটি গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

তিনটি রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব ও অ্যাডভোকেট আনোরুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ।

এর আগে গত বছর দেশের ই-কমার্স খাতের ভোক্তাদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে তিনটি রিট করা হয়। ওই সব রিটের শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হয়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন