‘শেরেবাংলার আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে’
jugantor
‘শেরেবাংলার আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন   

২৭ মে ২০২২, ১৬:০৩:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আলোচনা সভা

শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের জীবনের আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে তার জীবনের ওপর প্রবন্ধ অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। রাজনীতিবিদরাও তার জীবন থেকে অনেক কিছু শিখতে পারেন। এভাবে শেরেবাংলার মতো রাজনীতিবিদ সৃষ্টি হলে আমাদের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসতে পারে। আলোকিত সমাজ বির্নিমাণে শেরে বাংলার জীবন হতে পারে আমাদের চলার পথের পাথেয়।

ঢাকায় শুক্রবার শেরে বাংলার কর্মময় জীবনের ওপর এক আলোচনা সভায় বক্তারা প্রায় একই রকম তথ্য দিয়ে এসব কথা বলেন।

গ্রন্থকানন নামের একটি সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আয়োজিত আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক বিশিষ্ট চিন্তাবিদ অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক, বাংলা একাডেমির সভাপতি কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেনসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা আলোচনায় অংশ নেন।

কমলাপুরে কবি জসীম উদদীনের বাড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্রন্থকাননের স্বত্ত্বাধিকারী কবি শাহজাহান আবদালী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কয়েকজনকে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক পদক ২০২২ দেওয়া হয়।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মোহাম্মদ মনিরুল হক, চিকিৎসাসেবায় ডাক্তার কাজী আজিজুল হক, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন, সাংবাদিকতায় মাসুদ করিম, নজরুল গবেষণায় হুমায়ুন কবীর, আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে ঝুমঝুম ব্যানার্জী, আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে কেয়া রায়, সমাজ সেবায় আখতারুজ্জামান মিলন।

অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক বলেন, শেরে বাংলা সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। তার রাজনীতি তৎকালীন হিন্দু ও মুসলমান উভয়ের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল।

সেলিনা হোসেন বলেন, শেরে বাংলার জীবন অনুসরণ করে আমরা আলোকিত সমাজ গড়ে তোলতে পারব। তার দীপ্তিময় জীবন ও কর্মের জ্যোতি সমাজে ছড়িয়ে পড়ুক।

‘শেরেবাংলার আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন  
২৭ মে ২০২২, ০৪:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আলোচনা সভা
ছবি: ‍যুগান্তর

শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের জীবনের আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে তার জীবনের ওপর প্রবন্ধ অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। রাজনীতিবিদরাও তার জীবন থেকে অনেক কিছু শিখতে পারেন। এভাবে শেরেবাংলার মতো রাজনীতিবিদ সৃষ্টি হলে আমাদের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসতে পারে। আলোকিত সমাজ বির্নিমাণে শেরে বাংলার জীবন হতে পারে আমাদের চলার পথের পাথেয়।

ঢাকায় শুক্রবার শেরে বাংলার কর্মময় জীবনের ওপর এক আলোচনা সভায় বক্তারা প্রায় একই রকম তথ্য দিয়ে এসব কথা বলেন। 

গ্রন্থকানন নামের একটি সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আয়োজিত আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক বিশিষ্ট চিন্তাবিদ অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক, বাংলা একাডেমির সভাপতি কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেনসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা আলোচনায় অংশ নেন। 

কমলাপুরে কবি জসীম উদদীনের বাড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্রন্থকাননের স্বত্ত্বাধিকারী কবি শাহজাহান আবদালী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কয়েকজনকে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক পদক ২০২২ দেওয়া হয়।  

পদকপ্রাপ্তরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মোহাম্মদ মনিরুল হক, চিকিৎসাসেবায় ডাক্তার কাজী আজিজুল হক, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জমির হোসেন, সাংবাদিকতায় মাসুদ করিম, নজরুল গবেষণায় হুমায়ুন কবীর, আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে ঝুমঝুম ব্যানার্জী, আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে কেয়া রায়, সমাজ সেবায় আখতারুজ্জামান মিলন।

অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক বলেন, শেরে বাংলা সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। তার রাজনীতি তৎকালীন হিন্দু ও মুসলমান উভয়ের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল। 

সেলিনা হোসেন বলেন, শেরে বাংলার জীবন অনুসরণ করে আমরা আলোকিত সমাজ গড়ে তোলতে পারব। তার দীপ্তিময় জীবন ও কর্মের জ্যোতি সমাজে ছড়িয়ে পড়ুক।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন