শার্টের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো ছিল ২২ লাখ রিয়াল, পালিয়েছেন যাত্রী
jugantor
শার্টের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো ছিল ২২ লাখ রিয়াল, পালিয়েছেন যাত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩০ জুন ২০২২, ১২:২৯:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজে ৩৪ টি শার্টের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো প্রায় ২৩ লাখ সৌদি রিয়াল জব্দ করা হয়েছে। তবে যে যাত্রীর ব্যাগে এই রিয়াল ছিল তাকে ধরতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তিনি ইমিগ্রেশন না করেই বিমানবন্দর ছেড়ে পালিয়েছেন।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে মামুন খান নামের এক যাত্রীর ব্যাগ স্ক্যান করার সময় সৌদি রিয়ালগুলো জব্দ করা হয়। তিনি এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে-৫৮৫ ফ্লাইটে দুবাই যাওয়ার জন্য চেকইন করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহমেদুর রেজা চৌধুরী বলেন, বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের চেক হচ্ছিল। সে সময় ফ্লাইটের প্যাসেঞ্জারস হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্রিনিং রুমের স্ক্যানিং মেশিনে একটি লাগেজ স্ক্যান করা হলে মুদ্রা সদৃশ বস্তুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। লাগেজটির মালিককে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। পরে বিমানবন্দরে দায়িত্বরত বিভিন্ন সংস্থা ও অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির উপস্থিতিতে লাগেজটি কাস্টমস হলে এনে খোলা হয় বলে তিনি জানান।

লাগেজে থাকা ৩৪টি শার্টের ভেতরের কাগজের বোর্ডের মধ্য কাগুজে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল লুকায়িত অবস্থায় জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা কাস্টম হাউস প্রিভেন্টিভ টিম। যাত্রীকে খুঁজে না পাওয়ায় লাগেজের সঙ্গে থাকা ট্যাগ থেকে এমিরেটস কাউন্টার, ইমিগ্রেশন ও অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির সহায়তায় যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

ইমিগ্রেশন শেষ না করেই মামুনের বিমানবন্দর থেকে চলে যাওয়ার বিষয়ে আহমেদুর গণমাধ্যমকে বলেন, জব্দ বৈদেশিক মুদ্রা ও লাগেজ ট্যাগের সঙ্গে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণিত যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। জব্দ বৈদেশিক মুদ্রা কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়া হবে।

কাস্টমস অ্যাক্ট ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান কাস্টমস গোয়েন্দার এ কর্মকর্তা।

শার্টের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো ছিল ২২ লাখ রিয়াল, পালিয়েছেন যাত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩০ জুন ২০২২, ১২:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজে ৩৪ টি শার্টের ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো প্রায় ২৩ লাখ সৌদি রিয়াল জব্দ করা হয়েছে। তবে যে যাত্রীর ব্যাগে এই রিয়াল ছিল তাকে ধরতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তিনি ইমিগ্রেশন না করেই বিমানবন্দর ছেড়ে পালিয়েছেন।  

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে মামুন খান নামের এক যাত্রীর ব্যাগ স্ক্যান করার সময় সৌদি রিয়ালগুলো জব্দ করা হয়। তিনি এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে-৫৮৫ ফ্লাইটে দুবাই যাওয়ার জন্য চেকইন করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহমেদুর রেজা চৌধুরী বলেন, বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের চেক হচ্ছিল। সে সময় ফ্লাইটের প্যাসেঞ্জারস হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্রিনিং রুমের স্ক্যানিং মেশিনে একটি লাগেজ স্ক্যান করা হলে মুদ্রা সদৃশ বস্তুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। লাগেজটির মালিককে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। পরে বিমানবন্দরে দায়িত্বরত বিভিন্ন সংস্থা ও অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির উপস্থিতিতে লাগেজটি কাস্টমস হলে এনে খোলা হয় বলে তিনি জানান।

লাগেজে থাকা ৩৪টি শার্টের ভেতরের কাগজের বোর্ডের মধ্য কাগুজে ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল লুকায়িত অবস্থায় জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা কাস্টম হাউস প্রিভেন্টিভ টিম।  যাত্রীকে খুঁজে না পাওয়ায় লাগেজের সঙ্গে থাকা ট্যাগ থেকে এমিরেটস কাউন্টার, ইমিগ্রেশন ও অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির সহায়তায় যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

ইমিগ্রেশন শেষ না করেই মামুনের বিমানবন্দর থেকে চলে যাওয়ার বিষয়ে আহমেদুর গণমাধ্যমকে বলেন, জব্দ বৈদেশিক মুদ্রা ও লাগেজ ট্যাগের সঙ্গে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণিত যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। জব্দ বৈদেশিক মুদ্রা কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়া হবে।

কাস্টমস অ্যাক্ট ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান কাস্টমস গোয়েন্দার এ কর্মকর্তা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন