‘স্কুলে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র হিসেবে পরিচিত জিতু’
jugantor
‘স্কুলে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র হিসেবে পরিচিত জিতু’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩০ জুন ২০২২, ১৬:১০:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার আশুলিয়ায় শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি আশরাফুল ইসলাম জিতু স্কুলে একজন উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র হিসেবে পরিচিতি।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানিয়েছেন।

উৎপল হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিতুকে গাজীপুরের শ্রীপুরের নগরহাওলা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

আজ তার বিষয়ে তথ্য জানানো সংবাদ সম্মেলন করেন খন্দকার আল মঈন। তিনি বলেন, গ্রেফতার জিতু এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে শিক্ষা জীবনে বিরতি দিয়ে প্রথমে স্কুল পরে মাদ্রাসা ও সর্বশেষ পুনরায় স্কুলে ভর্তি হয়। সে ওই স্কুলে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে বর্তমানে দশম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। সে স্কুলে সবার কাছে একজন উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, মারামারিসহ স্কুলের পরিবেশ নষ্টের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ও স্কুল চলাকালীন ছাত্রীদের ইভটিজিং ও বিরক্ত করত; স্কুল প্রাঙ্গনে সবার সামনে ধূমপান, স্কুল ইউনিফর্ম ব্যতিত স্কুলে আসা-যাওয়া, মোটর সাইকেল নিয়ে বেপরোয়াভাবে চলাফেরা করত।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জিতুর নেতৃত্বে এলাকায় একটি কিশোর গ্যাঙ গড়ে তোলে। গ্যাঙ সদস্যদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে যত্রতত্র আধিপত্য বিস্তার করত। পরিবারের নিকট তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করলে গ্রেফতার জিতু তার অনুসারী গ্যাঙ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তাদের উপর চড়াও হতো ও বিভিন্ন সময় এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির লক্ষ্যে হামলা ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে শোডাউন দিত বলে জানা যায়।

‘স্কুলে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র হিসেবে পরিচিত জিতু’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩০ জুন ২০২২, ০৪:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার আশুলিয়ায় শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যার প্রধান আসামি আশরাফুল ইসলাম জিতু স্কুলে একজন উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র হিসেবে পরিচিতি। 

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানিয়েছেন।

উৎপল হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিতুকে গাজীপুরের শ্রীপুরের নগরহাওলা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। 

আজ তার বিষয়ে তথ্য জানানো সংবাদ সম্মেলন করেন খন্দকার আল মঈন। তিনি বলেন, গ্রেফতার জিতু এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে শিক্ষা জীবনে বিরতি দিয়ে প্রথমে স্কুল পরে মাদ্রাসা ও সর্বশেষ পুনরায় স্কুলে ভর্তি হয়। সে ওই স্কুলে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে বর্তমানে দশম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। সে স্কুলে সবার কাছে একজন উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, মারামারিসহ স্কুলের পরিবেশ নষ্টের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ও স্কুল চলাকালীন ছাত্রীদের ইভটিজিং ও বিরক্ত করত; স্কুল প্রাঙ্গনে সবার সামনে ধূমপান, স্কুল ইউনিফর্ম ব্যতিত স্কুলে আসা-যাওয়া, মোটর সাইকেল নিয়ে বেপরোয়াভাবে চলাফেরা করত। 

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জিতুর নেতৃত্বে এলাকায় একটি কিশোর গ্যাঙ গড়ে তোলে। গ্যাঙ সদস্যদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে যত্রতত্র আধিপত্য বিস্তার করত। পরিবারের নিকট তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করলে গ্রেফতার জিতু তার অনুসারী গ্যাঙ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তাদের উপর চড়াও হতো ও বিভিন্ন সময় এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির লক্ষ্যে হামলা ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে শোডাউন দিত বলে জানা যায়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন