গ্রেফতার এড়াতে ‘ফোনও ব্যবহার করতেন না’ দণ্ডিত খলিল
jugantor
গ্রেফতার এড়াতে ‘ফোনও ব্যবহার করতেন না’ দণ্ডিত খলিল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪:৩০:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত নেত্রকোণার খলিলুর রহমানকে ঢাকার সাভার থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

২০১৫ সাল থেকে পলাতক খলিল গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন বাসা পরিবর্তন করতেন, এমনকি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় হওয়ার পর ৬৮ বছর বয়সি খলিল সাভারে গিয়ে আশ্রয় নেন। র‌্যাব-১৪ ও সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

২০১৫ সালের ১ এপ্রিল নেত্রকোণার এই যুদ্ধাপরাধ মামলার তদন্ত শুরু করে প্রসিকিউশনের তদন্ত সংস্থা। ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি খলিলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

তাদের মধ্যে এক আসামি রমজান আলী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

অপর চার আসামি নেত্রকোনার দুর্গাপূর থানার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মো. খলিলুর রহমান, তার ভাই মো. আজিজুর রহমান, একই থানার আলমপুর ইউনিয়নের আশক আলী এবং জানিরগাঁও ইউনিয়নের মো. শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

সে সময় চার আসামির মধ্যে খলিলুর রহমান পলাতক ছিলেন। বিচার চলাকালে কারাগারে থাকা তিন আসামিও মারা যান। ফলে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে কেবল খলিলের রায় ঘোষণা হয়।

পলাতক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সময় নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণসহ যুদ্ধাপরাধের পাঁচ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল এ মামলায়। রায়ে সবগুলো অভিযোগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

এর মধ্যে চারটি অভিযোগে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।

গ্রেফতার এড়াতে ‘ফোনও ব্যবহার করতেন না’ দণ্ডিত খলিল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত নেত্রকোণার খলিলুর রহমানকে ঢাকার সাভার থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

২০১৫ সাল থেকে পলাতক খলিল গ্রেফতার এড়াতে ঘন ঘন বাসা পরিবর্তন করতেন, এমনকি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।  

গত ১৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় হওয়ার পর ৬৮ বছর বয়সি খলিল সাভারে গিয়ে আশ্রয় নেন। র‌্যাব-১৪ ও সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।  

২০১৫ সালের ১ এপ্রিল নেত্রকোণার এই যুদ্ধাপরাধ মামলার তদন্ত শুরু করে প্রসিকিউশনের তদন্ত সংস্থা। ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি খলিলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

তাদের মধ্যে এক আসামি রমজান আলী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

অপর চার আসামি নেত্রকোনার দুর্গাপূর থানার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মো. খলিলুর রহমান, তার ভাই মো. আজিজুর রহমান, একই থানার আলমপুর ইউনিয়নের আশক আলী এবং জানিরগাঁও ইউনিয়নের মো. শাহনেওয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

সে সময় চার আসামির মধ্যে খলিলুর রহমান পলাতক ছিলেন। বিচার চলাকালে কারাগারে থাকা তিন আসামিও মারা যান। ফলে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে কেবল খলিলের রায় ঘোষণা হয়।

পলাতক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সময় নেত্রকোণার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা থানা এলাকায় ২২ জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণসহ যুদ্ধাপরাধের পাঁচ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল এ মামলায়। রায়ে সবগুলো অভিযোগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

এর মধ্যে চারটি অভিযোগে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর