ইভিএম কেনা নিয়ে সংশয়ে সিইসি
jugantor
ইভিএম কেনা নিয়ে সংশয়ে সিইসি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৫:৩৯:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ইভিএম কেনা নিয়ে সংশয়ে সিইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন খোদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

ইভিএম কেনার নতুন প্রকল্প নিয়ে সংশয়ের কথা জানিয়ে সিইসি বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহার করা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো নিশ্চয়তা নেই। সরকারের কাছে এ প্রকল্পের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা যথার্থ মনে না হলে অ্যালাউ নাও করতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সংক্ষিপ্ত একটি মতবিনিময় ছিল, যারা এসেছিলেন তারা বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাদের সঙ্গে সৌহার্দমূলক আলোচনা হয়েছে।

ব্যালট বা ইভিএমের চেয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বর্তমান কমিশনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলেও সিইসি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ইভিএম নিয়ে যেসব পারসেপশন আছে, সেই সম্পর্কে কিছু জানতে চেয়েছে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম। তারা বলেন, উনারা ইভিএম নিয়েও কাজ করেন। ইভিএম নিয়ে যে নেগেটিভ পারসেপশন বিরাজ করছে, সেটিকে দূরীভূত করার জন্য উনারা সচেষ্ট আছেন। এ জন্য উনাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি।
সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে— সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ এটি ডিপেন্ড করবে যদি সরকার এ প্রকল্প অনুমোদন করেন। এর আর্থিক সংশ্লিষ্টতা যেটি আছে, সেটি যদি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিতে যথার্থ মনে না হয়, তা হলে সরকার এ ধরনের প্রজেক্ট অ্যালাউ নাও করতে পারে।

বর্তমান কমিশন বিচার বিশ্লেষণ ও মতামত নিয়ে ইভিএম সম্পর্কে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্তব্য করে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা এসেই কিন্তু ইভিএমকে সমর্থন করিনি। আমাদের পক্ষ থেকে ইভিএম নিয়ে বিচার বিশ্লেষণগুলো করেছি। আমাদের ছয় মাস হয়েছে। আমরা দীর্ঘ সময় নিয়ে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে আমরা ইভিএম যন্ত্রটাকে বোঝার চেষ্টা করেছি এবং ব্যাপক আলোচনা করেছি। ব্যাপক অংশগ্রহণও হয়েছে ইভিএম সস্পর্কে। এর মাধ্যমে ভোটে ম্যানুপুলেশন হয় এমন কেউ দেখাতে পারেনি।

তিনি সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আবারও বলেন, আমরা সবসময় বলছি— আপনারা নির্বাচনে আসুন, অংশগ্রহণ করুন। অংশগ্রহণ করে নির্বাচন তাকে ফলপ্রসূ করুন। যাতে নির্বাচনটা সুন্দর হয় জনমানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।

ইভিএম কেনা নিয়ে সংশয়ে সিইসি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইভিএম কেনা নিয়ে সংশয়ে সিইসি
ফাইল ছবি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন খোদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। 

ইভিএম কেনার নতুন প্রকল্প নিয়ে সংশয়ের কথা জানিয়ে সিইসি বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহার করা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো নিশ্চয়তা নেই। সরকারের কাছে এ প্রকল্পের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা যথার্থ মনে না হলে অ্যালাউ নাও করতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সংক্ষিপ্ত একটি মতবিনিময় ছিল, যারা এসেছিলেন তারা বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাদের সঙ্গে সৌহার্দমূলক আলোচনা হয়েছে।

ব্যালট বা ইভিএমের চেয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বর্তমান কমিশনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলেও সিইসি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ইভিএম নিয়ে যেসব পারসেপশন আছে, সেই সম্পর্কে কিছু জানতে চেয়েছে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম। তারা বলেন, উনারা ইভিএম নিয়েও কাজ করেন। ইভিএম নিয়ে যে নেগেটিভ পারসেপশন বিরাজ করছে, সেটিকে দূরীভূত করার জন্য উনারা সচেষ্ট আছেন। এ জন্য উনাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি।
সিইসি বলেন, ইভিএম নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে— সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ এটি ডিপেন্ড করবে যদি সরকার এ প্রকল্প অনুমোদন করেন। এর আর্থিক সংশ্লিষ্টতা যেটি আছে, সেটি যদি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিতে যথার্থ মনে না হয়, তা হলে সরকার এ ধরনের প্রজেক্ট অ্যালাউ নাও করতে পারে।

বর্তমান কমিশন বিচার বিশ্লেষণ ও মতামত নিয়ে ইভিএম সম্পর্কে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্তব্য করে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা এসেই কিন্তু ইভিএমকে সমর্থন করিনি। আমাদের পক্ষ থেকে ইভিএম নিয়ে বিচার বিশ্লেষণগুলো করেছি। আমাদের ছয় মাস হয়েছে। আমরা দীর্ঘ সময় নিয়ে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে আমরা ইভিএম যন্ত্রটাকে বোঝার চেষ্টা করেছি এবং ব্যাপক আলোচনা করেছি। ব্যাপক অংশগ্রহণও হয়েছে ইভিএম সস্পর্কে। এর মাধ্যমে ভোটে ম্যানুপুলেশন হয় এমন কেউ দেখাতে পারেনি। 

তিনি সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আবারও বলেন, আমরা সবসময় বলছি— আপনারা নির্বাচনে আসুন, অংশগ্রহণ করুন। অংশগ্রহণ করে নির্বাচন তাকে ফলপ্রসূ করুন। যাতে নির্বাচনটা সুন্দর হয় জনমানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন