প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য
jugantor
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ অক্টোবর ২০২২, ১৯:৩০:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

‘টাকার মেশিন সওজের প্রধান প্রকৌশলী, ঘুষের অর্থে পুরো পরিবার ধনী’ শিরোনামে গত ৫ অক্টোবর প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ পাঠিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান।

প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেন, প্রতিবেদনে অনেক বানোয়াট ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এতে তার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে ই-জিপি পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এ পদ্ধতিতে কোনো বাধা সৃষ্টি করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। শ্বশুর বাড়ির সঙ্গে তার কোনো বাণিজ্যিক লেনদেন নেই।

তিনি বলেন, আমার কোনো অর্থ সেখানে বিনিয়োগ করা হয়নি। ছেলে ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়ী। ছোট ভাইয়ের বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। প্রধান প্রকৌশলী দাবি করেন, তার এবং ছেলের নামে যে সম্পদ রয়েছে তা আয়কর ফাইলে দেখানো আছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রতিবেদনের কোথাও প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য ছাপা হয়নি। প্রতিবেদনে যে তথ্য-উপাত্ত ছাপা হয়েছে তার স্বপক্ষে নথিপত্র প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘টাকার মেশিন সওজের প্রধান প্রকৌশলী, ঘুষের অর্থে পুরো পরিবার ধনী’ শিরোনামে গত ৫ অক্টোবর প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ পাঠিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান।

প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেন, প্রতিবেদনে অনেক বানোয়াট ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এতে তার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে ই-জিপি পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এ পদ্ধতিতে কোনো বাধা সৃষ্টি করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। শ্বশুর বাড়ির সঙ্গে তার কোনো বাণিজ্যিক লেনদেন নেই।

তিনি বলেন, আমার কোনো অর্থ সেখানে বিনিয়োগ করা হয়নি। ছেলে ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়ী। ছোট ভাইয়ের বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। প্রধান প্রকৌশলী দাবি করেন, তার এবং ছেলের নামে যে সম্পদ রয়েছে তা আয়কর ফাইলে দেখানো আছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রতিবেদনের কোথাও প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য ছাপা হয়নি। প্রতিবেদনে যে তথ্য-উপাত্ত ছাপা হয়েছে তার স্বপক্ষে নথিপত্র প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন