এক ছাত্রের মা এগিয়ে এসে বাঁচায় ছেলেকে (ভিডিও)

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০১৮, ২১:২৪ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পুলিশের ধাওয়া

রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে ‘জাবালে নূর’ বাসের দুই শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় সোমবার ওই এলাকা ছিল উত্তপ্ত। শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজেসহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ ও বাস ভাঙচুর করে।

রোববার কুর্মিটোলা হাসপাতালের সামনে শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজিব নামে দুই শিক্ষার্থীর প্রাণ কেড়ে নেয় জাবালে নূর পরিবহন, আহত হয় আরও ১২ জন।

এ ঘটনায় নিহত মিমের বাবা জাহাঙ্গীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলার পর সোমবার জাবালে নূর পরিবহনের সেই বাসচালক মাসুম বিল্লাহকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার বরগুনা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে দুপুরে জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসের দুই চালক সোহাগ (৩৫) ও জুবায়ের (৩৬) এবং তাদের দুই সহযোগী এনায়েত (৩৮) ও রিপনকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-১ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এদিকে সোমবার সকাল থেকেই বিএএফ শাহীন কলেজ, ভাষানটেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট, তেজগাঁও কলেজ, বাংলা কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজসহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বিমানবন্দর সড়কের উভয় পাশ বন্ধ করে দেয়। এতে এই রুটে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া রাজধানীজুড়ে বিভিন্ন সড়কে শতাধিক বাস ভাঙচুর করে শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বাস ভাঙা ঠেকাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীর দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্তিপ্রয়োগ শুরু হলে সড়কে বা আশপাশেই দাঁড়াতেই পারেনি শিক্ষার্থীরা।

এ সময় স্কুল-কলেজের ড্রেস পরা কোনো শিক্ষার্থীকে দেখলেই সরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্তি প্রয়োগের বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সাজ্জাদ স্বাধীন নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী তার আইডিতে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, আজকের জন্য সমাপ্তি।
তাদের দৌড় আর সেতু আপুর দৌড়! যানবাহন পুনরায় সচল....

স্কুল-কলেজ ড্রেসের কেউই রক্ষা পায়নি, এক ছাত্রের মা এগিয়ে এসে বাঁচায় তার ছেলেকে। এই অভিযানে এমইএস থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত কোনো ছাত্র দাঁড়াতে পর্যন্ত পারেনি।