বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থীর জামিন নাকচ

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩৬ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

ফাইল ছবি

নিরাপদ সড়ক দাবির আন্দোলনে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের পৃথক দুই মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আট শিক্ষার্থীর জামিন নাকচ করেছেন আদালত। 
সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা জামিন নাকচের এ আদেশ দেন।

জামিন নাকচ হওয়া ১২ আসামিরা হলেন- বাড্ডা থানার মামলায় রাশেদুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, রেজা রিফাত আখলাক, তারিকুল ইসলাম, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, ও রেদোয়ান আহমেদ। আর ভাটারা থানার মামলা সাবের আহম্মেদ, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন, আজিজুল করিম ও মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ।

এদিন আসামিপক্ষে কবীর হোসেনসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন শুনানি করেন। 
শুনানিতে তারা বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। জামিন না পেলে তাদের শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা মো. আবু হানিফ। 

শুনানিতে তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা পুলিশের ওপর হামলার কথা স্বীকার করেছে। সরকারকে উৎখাতের জন্য তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদেরও আবারও রিমান্ডে নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর ওই আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, এর আগে ১৩ আগস্ট আট আসামির ও ১২ আগস্ট চার আসামির জামিন নাকচ করেন আদালত। এরও আগে ৯ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ড শেষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ ছাত্রকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ৭ আগস্ট আসামিদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

বাড্ডা থানার মামলায় কারাগারে যাওয়া ১৪ ছাত্র হলেন- রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মাদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক, রিসালাতুল ফেরদৌস, হাসান ও রেদোয়ান আহমেদ। 

আর ভাটারা থানার মামলায় কারাগারে যাওয়া ৮ ছাত্র হলেন- ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন ও আমিনুল এহসান, আজিজুল করিম ও মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ।

আসামিরা সবাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথইস্ট ও ব্র্যাকের ছাত্র। বাড্ডা থানায় দায়ের করা মামলাটি এসআই জুলহাস মিয়া মামলাটি তদন্ত করছেন। আর ভাটার থানায় দায়ের করা মামলাটি এসআই হাসান মাসুদ মামলাটি তদন্ত করছেন।