আমীর খসরুর আবেদন শুনানিতে হাইকোর্টের অপারগতা

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৩:২৭ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি

 

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকে হাজিরার নোটিশ স্থগিত চেয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর আবেদন শুনানি করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ অপারগতা প্রকাশ করেন।  

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দ্বিতীয় দফা তলবেও হাজির হননি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সংস্থাটির কাছে আইনজীবীর মাধ্যমে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে অনুরোধ জানিয়েছেন উচ্চ আদালতে করা রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা না নিতে।

দুদকের তলবকে চ্যালেঞ্জ করে গত ৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন আমীর খসরু। বুধবার ওই রিটের শুনানির কথা থাকলেও বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই দিন আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। 

ওই দিন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, আমীর খসরুর আইনজীবীর আবেদনে আদালত বিষয়টি আউট অব লিস্ট করেছেন। তারা এখন অন্য বেঞ্চে এ আবেদন নিয়ে যেতে পারবেন। 

সোমবার খুরশীদ আলম খান বলেন, রিটটি বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও আহমেদ  সোহেলের বেঞ্চে শুনানির জন্য জমা দেয়া হয়। সোমবার রিটটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল (ক্রমিক নম্বর ৩২)। আমীর খসরুর পক্ষে একদিনের সময় চাইলে আদালত একদিনের সময় মঞ্জুর করেন।
 
গত ১৬ আগস্ট অবৈধ লেনদেন, মুদ্রাপাচার, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপি নেতা আমীর খসরুকে তলব করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলম স্বাক্ষরিত এক  নোটিশে  ২৮ আগস্ট বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্যকে সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়। 

তবে আমীর খসরু দুদকে হাজির না হয়ে এক মাসের সময় আবেদন করেন। দুদকের চিঠিতে অভিযোগে বলা হয়, আমীর খসরু মাহমুদ  বেনামে পাঁচ তারকা হোটেল ব্যবসা, ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনসহ বিভিন্ন দেশে অর্থপাচার এবং নিজ, স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নামে শেয়ার ক্রয়সহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

চট্টগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য আমীর খসরুর বন্দর নগরীর চকবাজার থানার মেহেদীবাগের বাসার ঠিকানায় এ নোটিশ পাঠানো হয়। দুদক পরিচালক কাজী শফিকুল আলম এ অভিযোগের অনুসন্ধান করছেন।