শেয়ারবাজারের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ৭ দফা সুপারিশ

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:১১ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সাত দফা সুপারিশমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে বিএসইসিসহ পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি অর্থনীতিকে বেগবান ও বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের অবদান বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীর সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য বিএসইসিসহ পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই।


বুধবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) রজতজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।-খবর বাসস।

প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশগুলো হচ্ছে- দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হিসেবে বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন, নতুন নতুন প্রোডাক্ট চালুকরণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীর পছন্দের বাস্কেট (ঝুড়ি) সম্প্রসারিত ও বৈচিত্র্যময় করা। নতুন প্রোডাক্ট চালু করার আগে তার পরিচিতি ও পরিচালন প্রক্রিয়া এবং কৌশল সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিতকরণ ও বিএসইসির প্রশিক্ষণ একাডেমির কার্যক্রম জোরদার করে সর্বস্তরে বিনিয়োগ শিক্ষা বিস্তৃতকরণ।

সেই সঙ্গে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পুঁজিবাজারের ভূমিকা ও গুরুত্বসহ অন্যান্য খাতের সঙ্গে পুঁজিবাজারের আন্তঃসম্পর্ক ইত্যাদি নানা বিষয়ে সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটালের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত কোম্পনিসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানির শেয়ার লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্মলক্যাপ বোর্ড চালু করা।

তিসি সব ধরনের অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি সর্বত্র স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাসহ উল্লিখিত সব কর্মসূচি এবং কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করারও আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত- এসব কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে এবং দেশের অগ্রগতির ধারা আরও বেগবান হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বলব, যে প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করবেন সে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগ করে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হোক, এটি আমরা চাই না।

তিনি বলেন, পাশাপাশি কমিশন নিয়ন্ত্রক ও সহায়তাকারী উভয় ভূমিকায় পুঁজিবাজার বিকাশে যে ধারা বজায় রেখেছে, তা অব্যাহত রাখবে এবং গতিশীল করবে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম এবং বিএসইসি চেয়ারম্যান ড. মো. খায়রুল হোসেনও অনুষ্ঠানে ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনের কার্যাবলি নিয়ে একটি ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন হয়।