সস্ত্রীক মামলা হচ্ছে গণপূর্তের প্রকৌশলী উৎপলের বিরুদ্ধে 
jugantor
সস্ত্রীক মামলা হচ্ছে গণপূর্তের প্রকৌশলী উৎপলের বিরুদ্ধে 

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৮ জুলাই ২০২০, ২০:১০:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

৮ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ থাকায় গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উৎপল কুমার দে ও তার স্ত্রী গোপা দে’র বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার কমিশনের সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়।  বুধবার সমন্বিত জেলা কার্যাধলয় (সজেকা) ঢাকা-১-এ মামলাটি করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টচারর্যর।  

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হওয়া আলোচিত ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া (জিকে) শামীমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় উৎপল কুমারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। 
অনুসন্ধান শেষে কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক নেয়ামুল আহসান গাজী।  প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উৎপল কুমার দে ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে নগদ জমা ও এফডিআর মিলে সাড়ে তিন কোটি টাকা পাওয়া গেছে, যা আয়ের বৈধ কোনো উৎস পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের ২০টি শাখায় তাদের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে। স্বামী-স্ত্রীর নামে আছে আলাদা ফ্ল্যাট।  পটিয়ায় স্ত্রীর নামে আছে দোকানসহ আরও বহু সম্পদ।  

জি কে শামীমের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকায় ঢাকা মেট্রো ও ঢাকা জোনের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উৎপল কুমার দে’কে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়।  উৎপল কুমার দে ১৫তম বিসিএসে গণপূর্ত অধিদফতরে যোগ দেন। তার দায়িত্ব পালনকালে আজিমপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঢাকা ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকাকালে নানা বিতর্ক ছিল।  কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্মাণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষিতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী গ্রেফতার হন। এর ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।  শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত ২০টি মামলা দায়ের করে দুদক।  প্রায় ২০০ জনের তালিকা তৈরি করে চলছে দুদকের অনুসন্ধান।

সস্ত্রীক মামলা হচ্ছে গণপূর্তের প্রকৌশলী উৎপলের বিরুদ্ধে 

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৮ জুলাই ২০২০, ০৮:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

৮ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ থাকায় গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উৎপল কুমার দে ও তার স্ত্রী গোপা দে’র বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার কমিশনের সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়। বুধবার সমন্বিত জেলা কার্যাধলয় (সজেকা) ঢাকা-১-এ মামলাটি করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টচারর্যর।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হওয়া আলোচিত ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া (জিকে) শামীমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতায় উৎপল কুমারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
অনুসন্ধান শেষে কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক নেয়ামুল আহসান গাজী। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উৎপল কুমার দে ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে নগদ জমা ও এফডিআর মিলে সাড়ে তিন কোটি টাকা পাওয়া গেছে, যা আয়ের বৈধ কোনো উৎস পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের ২০টি শাখায় তাদের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে। স্বামী-স্ত্রীর নামে আছে আলাদা ফ্ল্যাট। পটিয়ায় স্ত্রীর নামে আছে দোকানসহ আরও বহু সম্পদ।

জি কে শামীমের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকায় ঢাকা মেট্রো ও ঢাকা জোনের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উৎপল কুমার দে’কে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। উৎপল কুমার দে ১৫তম বিসিএসে গণপূর্ত অধিদফতরে যোগ দেন। তার দায়িত্ব পালনকালে আজিমপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঢাকা ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকাকালে নানা বিতর্ক ছিল। কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্মাণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষিতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী গ্রেফতার হন। এর ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত ২০টি মামলা দায়ের করে দুদক। প্রায় ২০০ জনের তালিকা তৈরি করে চলছে দুদকের অনুসন্ধান।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ক্যাসিনোয় অভিযান