পল্টনে জাল নোটের কারখানায় অভিযান, যে তথ্য পেল গোয়েন্দারা
jugantor
পল্টনে জাল নোটের কারখানায় অভিযান, যে তথ্য পেল গোয়েন্দারা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৪ আগস্ট ২০২০, ২০:৪৪:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর পল্টনে একটি জাল নোটের কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। 

শুক্রবার বিকালে ২৫/২ পুরানা পল্টন লেনের একটি ভবনের ৫ম ও ৬ষ্ট তলায় এ অভিযান চালানো হয়। 

এ সময় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট এবং ৫-৬ কোটি জাল নোট তৈরির সামগ্রী জব্দ করা হয়। অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হল- হান্নান, কাওসার, আরিফ, ইব্রাহিম ও খুশি।

ওই কারখানার অর্থদাতা শাহিন একাধিক মামলার আসামি। তিনি পলাতক রয়েছে। ধরা পড়া অপর আসামিরা পূর্বে একাধিক মামলায় হাজতবাস করেছে।

গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকালে এ অভিযান চালানো হয়। বিকাল তিনটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা দেড় ঘণ্টা এ অভিযান চালানো হয়। 

ডিসি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা গোয়েন্দা পুলিশকে জানিয়েছে- গত দেড় মাস ধরে তারা এই ফ্ল্যাট দুটিতে জাল টাকা তৈরি করছিল। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন তিন লাখ টাকা করে তারা জাল নোট তৈরি করত। প্রতি বান্ডেলে এক লাখ টাকা থাকে। এই এক লাখ টাকা ৯ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করত দেশের বিভিন্ন জেলায়। আর পাইকারদের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিনে নিয়ে সেগুলো ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে মার্কেটে ছেড়ে দিত। 

ডিসি বলেন, ঈদের পরে আগামী পাঁচ-ছয় মাস পর্যন্ত সেখান থেকে বড় রকমের ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার পাঁয়তারায় লিপ্ত ছিল এরা। 

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, এই চক্রটি ঈদের পরে ব্যবসা করে আসছিল। ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালাবে এই আশঙ্কায় তারা ঢাকা শহরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ঈদের পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণত তাদেরকে খুঁজবে না মনে করে বড় আঙ্গিকে ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে তারা পল্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বড় কারখানা স্থাপন করে। এই কারখানার অর্থদাতা শাহিন একাধিক মামলার আসামি। সে পলাতক রয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রিন্টম্যান হল হান্নান এবং জাল নোট তৈরির বিশেষ কাগজ সংগ্রহ করত কাওসার, ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছিল আরিফ। আর টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেয়ার কাজ করত ইব্রাহিম ও খুশি।

পল্টনে জাল নোটের কারখানায় অভিযান, যে তথ্য পেল গোয়েন্দারা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৪ আগস্ট ২০২০, ০৮:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর পল্টনে একটি জাল নোটের কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।

শুক্রবার বিকালে ২৫/২ পুরানা পল্টন লেনের একটি ভবনের ৫ম ও ৬ষ্ট তলায় এ অভিযান চালানো হয়।

এ সময় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট এবং ৫-৬ কোটি জাল নোট তৈরির সামগ্রী জব্দ করা হয়। অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হল- হান্নান, কাওসার, আরিফ, ইব্রাহিম ও খুশি।

ওই কারখানার অর্থদাতা শাহিন একাধিক মামলার আসামি। তিনি পলাতক রয়েছে। ধরা পড়া অপর আসামিরা পূর্বে একাধিক মামলায় হাজতবাস করেছে।

গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকালে এ অভিযান চালানো হয়। বিকাল তিনটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা দেড় ঘণ্টা এ অভিযান চালানো হয়।

ডিসি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা গোয়েন্দা পুলিশকে জানিয়েছে- গত দেড় মাস ধরে তারা এই ফ্ল্যাট দুটিতে জাল টাকা তৈরি করছিল। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন তিন লাখ টাকা করে তারা জাল নোট তৈরি করত। প্রতি বান্ডেলে এক লাখ টাকা থাকে। এই এক লাখ টাকা ৯ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করত দেশের বিভিন্ন জেলায়। আর পাইকারদের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিনে নিয়ে সেগুলো ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে মার্কেটে ছেড়ে দিত।

ডিসি বলেন, ঈদের পরে আগামী পাঁচ-ছয় মাস পর্যন্ত সেখান থেকে বড় রকমের ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার পাঁয়তারায় লিপ্ত ছিল এরা।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, এই চক্রটি ঈদের পরে ব্যবসা করে আসছিল। ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালাবে এই আশঙ্কায় তারা ঢাকা শহরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ঈদের পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণত তাদেরকে খুঁজবে না মনে করে বড় আঙ্গিকে ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে তারা পল্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বড় কারখানা স্থাপন করে। এই কারখানার অর্থদাতা শাহিন একাধিক মামলার আসামি। সে পলাতক রয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রিন্টম্যান হল হান্নান এবং জাল নোট তৈরির বিশেষ কাগজ সংগ্রহ করত কাওসার, ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছিল আরিফ। আর টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেয়ার কাজ করত ইব্রাহিম ও খুশি।