স্বামীর জন্য রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ
jugantor
স্বামীর জন্য রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২০:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বামীর জন্য রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ

রাজধানীতে এক রোগীর রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার কথা বলে একটি বাসায় নিয়ে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিকটিমের স্বামীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ সময় ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগে এক নারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হল- মিরপুরের শ্যাওড়াপাড়ার বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন সজল (৪৩) ও মিরপুরের মধ্যমনিপুরপাড়া মশনুআরা বেগম ওরফে শিল্পী (৪০)। সজলের মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় নিজেদের বাড়ি রয়েছে। তার মা গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে সজলকে হাসপাতালে থাকতে হয়। আর শিল্পী হলেন স্বামী পরিত্যক্তা। তিনি একাই ওই বাসায় থাকেন। টাকার বিনিময়ে সেখানে ঘণ্টাভিত্তিক রুম ভাড়া দেন শিল্পী। এই বাসায় সজল প্রায়ই মেয়ে নিয়ে যেত এবং শিল্পীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে স্বীকার করেছে সজল।

শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানান র‌্যাব-২ এর সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদ আহসান।

জাহিদ আহসান বলেন, রক্তশূন্যতাসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা নিয়ে সাতক্ষীরা থেকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হন। চিকিৎসার জন্য এবারই প্রথম তারা ঢাকায় এসেছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ওই দিনই রোগীর স্ত্রী রক্ত সংগ্রহ করতে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় ব্ল্যাড ব্যাংকে যান। ওই সময় ব্ল্যাড ব্যাংকের সামনে ৩-৪ জনকে দেখে তার স্বামীর জন্য রক্ত দরকার বলে জানান ওই গৃহবধূ। এ সময় এক ব্যক্তি তাকে (ভিকটিম) রক্ত সংগ্রহ করে দেবে বলে জানায়।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর ওই নারীকে (ভিকটিম) রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার নাম করে শিল্পীর বাসায় নিয়ে যায় সজল। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকিও দেয় সজল। হাসপাতালে ফিরে ভয়ে এ বিষয়ে চুপ থাকেন ওই গৃহবধূ।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সজল আবার ওই গৃহবধূর (ভিকটিম) মোবাইলে ফোন করলে তার স্বামী ধরেন এবং রক্ত সংগ্রহ হয়েছে বলে জানায় সজল। ফোন পেয়ে রক্ত আনার জন্য বললে গৃহবধূ (ভিকটিম) সজলের ব্যাপারে পুরো ঘটনা স্বামীর কাছে খুলে বলেন। পরে তারা র‌্যাব-২ অধিনায়কের কাছে এ ঘটনার লিখিত অভিযোগ দেন। র‌্যাব তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেফতার করে।

স্বামীর জন্য রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
স্বামীর জন্য রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ
অভিযুক্ত ধর্ষক মনোয়ার হোসেন সজল ও তার সহযোগী মশনুআরা বেগম ওরফে শিল্পী। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে এক রোগীর রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার কথা বলে একটি বাসায় নিয়ে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিকটিমের স্বামীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ সময় ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগে এক নারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হল- মিরপুরের শ্যাওড়াপাড়ার বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন সজল (৪৩) ও মিরপুরের মধ্যমনিপুরপাড়া মশনুআরা বেগম ওরফে শিল্পী (৪০)। সজলের মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় নিজেদের বাড়ি রয়েছে। তার মা গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারণে সজলকে হাসপাতালে থাকতে হয়। আর শিল্পী হলেন স্বামী পরিত্যক্তা। তিনি একাই ওই বাসায় থাকেন। টাকার বিনিময়ে সেখানে ঘণ্টাভিত্তিক রুম ভাড়া দেন শিল্পী। এই বাসায় সজল প্রায়ই মেয়ে নিয়ে যেত এবং শিল্পীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে স্বীকার করেছে সজল।

শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানান র‌্যাব-২ এর সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদ আহসান। 

জাহিদ আহসান বলেন, রক্তশূন্যতাসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা নিয়ে সাতক্ষীরা থেকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হন। চিকিৎসার জন্য এবারই প্রথম তারা ঢাকায় এসেছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ওই দিনই রোগীর স্ত্রী রক্ত সংগ্রহ করতে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় ব্ল্যাড ব্যাংকে যান। ওই সময় ব্ল্যাড ব্যাংকের সামনে ৩-৪ জনকে দেখে তার স্বামীর জন্য রক্ত দরকার বলে জানান ওই গৃহবধূ। এ সময় এক ব্যক্তি তাকে (ভিকটিম) রক্ত সংগ্রহ করে দেবে বলে জানায়।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর ওই নারীকে (ভিকটিম) রক্ত সংগ্রহ করে দেয়ার নাম করে শিল্পীর বাসায় নিয়ে যায় সজল। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকিও দেয় সজল। হাসপাতালে ফিরে ভয়ে এ বিষয়ে চুপ থাকেন ওই গৃহবধূ।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সজল আবার ওই গৃহবধূর (ভিকটিম) মোবাইলে ফোন করলে তার স্বামী ধরেন এবং রক্ত সংগ্রহ হয়েছে বলে জানায় সজল। ফোন পেয়ে রক্ত আনার জন্য বললে গৃহবধূ (ভিকটিম) সজলের ব্যাপারে পুরো ঘটনা স্বামীর কাছে খুলে বলেন। পরে তারা র‌্যাব-২ অধিনায়কের কাছে এ ঘটনার লিখিত অভিযোগ দেন। র‌্যাব তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে শুক্রবার রাতে তাদের গ্রেফতার করে।