হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার যাচ্ছে ডিবিতে
jugantor
হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার যাচ্ছে ডিবিতে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ২০:১৭:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার যাচ্ছে ডিবিতে

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ধানমণ্ডি থানায় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে।

ধানমণ্ডি জোনের পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবদুল্লাহিল কাফি গণমাধ্যমকে বলেন, মামলাটি আজ (বুধবার) রাতে অথবা বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গত রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে ধানমণ্ডিতে কলাবাগান ক্রসিংয়ের কাছে ঢাকা-৭ আস‌নের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সে‌লি‌মের গাড়ির স‌ঙ্গে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়া‌সিফ আহ‌মেদ খানের মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছিল। এরপরই গাড়ি থেকে ইরফান সে‌লিমসহ তার লোকজন নেমে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে বেদম পেটান। রাত সোয়া ১০টার দিকে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো গাড়ি ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল ধানমণ্ডি থানায় জব্দ করা হয়। পরদিন সোমবার সকাল ৮টায় মারধর ও হত্যা‌চেষ্টার অভি‌যো‌গে ধানম‌ণ্ডি থানায় মামলা দা‌য়ের করা হয়।

মামলার পরই চকবাজা‌রের ২৬ নম্বর দেবীদাস ঘাট লে‌নে হাজী সেলিমের বাসায় র‍্যাব অভিযান চালায়। ওই ভবন থেকে লাইসেন্সহীন একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, একটি এয়ারগান, ৪০টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়। এ সময় ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। মদ্যপান করায় সে সময় ইরফানকে এক বছর এবং অবৈধভাবে ওয়াকিটকি রাখায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর তার দেহরক্ষী জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মারধর ও হত্যা‌চেষ্টা মামলায় ইরফান সেলিম ও জাহিদুলকে বুধবার তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বর্তমানে ধানমণ্ডি থানায় রিমান্ডে রয়েছেন ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা ও প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক দিপু।

এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে চকবাজার থানায় সেলিম ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে চারটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব। হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাছ থেকে একটি অবৈধ একটি পিস্তল ও এয়ারগান উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে এবং কয়েক বোতল মদ পাওয়ায় মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। একইভাবে জাহিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল উদ্ধারের অভিযোগে অস্ত্র আইনে এবং ৪০৬টি ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগে মাদক আইনে মামলা করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে হাজী সেলিমপুত্র ইরফানকে কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।

হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার যাচ্ছে ডিবিতে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার যাচ্ছে ডিবিতে
আদালতে পুলিশ বেষ্টনীতে হাজী সেলিমপুত্র ইরফান। ছবি: যুগান্তর

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ধানমণ্ডি থানায় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে।

ধানমণ্ডি জোনের পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবদুল্লাহিল কাফি গণমাধ্যমকে বলেন, মামলাটি আজ (বুধবার) রাতে অথবা বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গত রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে ধানমণ্ডিতে কলাবাগান ক্রসিংয়ের কাছে ঢাকা-৭ আস‌নের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সে‌লি‌মের গাড়ির স‌ঙ্গে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়া‌সিফ আহ‌মেদ খানের মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছিল। এরপরই গাড়ি থেকে ইরফান সে‌লিমসহ তার লোকজন নেমে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে বেদম পেটান।  রাত সোয়া ১০টার দিকে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো গাড়ি ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল ধানমণ্ডি থানায় জব্দ করা হয়।  পরদিন সোমবার সকাল ৮টায় মারধর ও হত্যা‌চেষ্টার অভি‌যো‌গে ধানম‌ণ্ডি থানায় মামলা দা‌য়ের করা হয়।

মামলার পরই চকবাজা‌রের ২৬ নম্বর দেবীদাস ঘাট লে‌নে হাজী সেলিমের বাসায় র‍্যাব অভিযান চালায়।  ওই ভবন থেকে লাইসেন্সহীন একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, একটি এয়ারগান, ৪০টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়।  এ সময় ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।  মদ্যপান করায় সে সময় ইরফানকে এক বছর এবং অবৈধভাবে ওয়াকিটকি রাখায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।  আর তার দেহরক্ষী জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মারধর ও হত্যা‌চেষ্টা মামলায় ইরফান সেলিম ও জাহিদুলকে বুধবার তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।  বর্তমানে ধানমণ্ডি থানায় রিমান্ডে রয়েছেন ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা ও প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক দিপু। 

এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে চকবাজার থানায় সেলিম ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে চারটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব।  হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাছ থেকে একটি অবৈধ একটি পিস্তল ও এয়ারগান উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে এবং কয়েক বোতল মদ পাওয়ায় মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।  একইভাবে জাহিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল উদ্ধারের অভিযোগে অস্ত্র আইনে এবং ৪০৬টি ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগে মাদক আইনে মামলা করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে হাজী সেলিমপুত্র ইরফানকে কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাণ্ড