কঙ্কালের গায়ের শার্ট দেখে স্বামীকে শনাক্ত করলেন গৃহবধূ
jugantor
কঙ্কালের গায়ের শার্ট দেখে স্বামীকে শনাক্ত করলেন গৃহবধূ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:০৪:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রূপনগর বেড়িবাঁধের পাশে সাদ ফিলিং স্টেশনের পেছন থেকে শনিবার একটি কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি গত বছরের নভেম্বরে নিখোঁজ হওয়া মুদি দোকানি নুরুল ইসলাম গাজীর (৫০) বলে দাবি করছেন তার স্ত্রী। কঙ্কালের গায়ের শার্ট দেখে তিনি এটি তার স্বামীর বলে দাবি করছেন।

রূপনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১ নভেম্বর রূপনগরের বাসিন্দা মুদি দোকানি নুরুল ইসলাম গাজী নিখোঁজ হন। খোঁজ না পাওয়ায় ৪ নভেম্বর থানায় একটি জিডি করেন তার স্ত্রী রহিমা বেগম। কিন্তু নুরুল ইসলামের কোনো হদিস মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রয়েল, কালু এবং শাকিলসহ ৪ জনকে আসামি করে জিডিটি অপহরণ মামলায় রূপান্তর করে।

অভিযুক্তদের মধ্যে শাকিল ছাড়া অন্য তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে নুরুল ইসলাম গাজীর সন্ধান পায়নি পুলিশ। ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন মাস পরে গত শনিবার রূপনগর বেড়িবাঁধের পাশে সাদ ফিলিং স্টেশনের পেছনের এলাকা থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। কঙ্কালটি নুরুল ইসলাম গাজীর হতে পারে এমন সন্দেহে তার স্ত্রীকে খবর দেওয়া হয়। পরে রহিমা বেগম কঙ্কালটির গায়ে থাকা শার্ট দেখে তার স্বামী বলে শনাক্ত করেন।

রূপনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, কঙ্কালটি নুরুল ইসলামের কি না- তা আগে নিশ্চিত হতে হবে। এজন্য শনিবার ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম এসে নমুনা নিয়ে গেছে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া যাবে কঙ্কাল কার। ওসি বলেন, আর তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না- তা জানা যাবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে।

এদিকে রূপনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম গাজী ও অপহরণ মামলার চার আসামি স্থানীয় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরে নুরুল ইসলাম গাজী মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে রূপনগর এলাকায় একটি মুদির দোকান দেন। মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ায় ওই ৪ আসামির সঙ্গে তার বিরোধ হয়। এই বিরোধের জেরেই তাকে ওই চার জন হত্যা করে থাকতে পারে বলে পুলিশ সন্দেহ করছে।

কঙ্কালের গায়ের শার্ট দেখে স্বামীকে শনাক্ত করলেন গৃহবধূ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রূপনগর বেড়িবাঁধের পাশে সাদ ফিলিং স্টেশনের পেছন থেকে শনিবার একটি কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি গত বছরের নভেম্বরে নিখোঁজ হওয়া মুদি দোকানি নুরুল ইসলাম গাজীর (৫০) বলে দাবি করছেন তার স্ত্রী। কঙ্কালের গায়ের শার্ট দেখে তিনি এটি তার স্বামীর বলে দাবি করছেন।

রূপনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১ নভেম্বর রূপনগরের বাসিন্দা মুদি দোকানি নুরুল ইসলাম গাজী নিখোঁজ হন। খোঁজ না পাওয়ায় ৪ নভেম্বর থানায় একটি জিডি করেন তার স্ত্রী রহিমা বেগম। কিন্তু নুরুল ইসলামের কোনো হদিস মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রয়েল, কালু এবং শাকিলসহ ৪ জনকে আসামি করে জিডিটি অপহরণ মামলায় রূপান্তর করে। 

অভিযুক্তদের মধ্যে শাকিল ছাড়া অন্য তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে নুরুল ইসলাম গাজীর সন্ধান পায়নি পুলিশ। ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন মাস পরে গত শনিবার রূপনগর বেড়িবাঁধের পাশে সাদ ফিলিং স্টেশনের পেছনের এলাকা থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। কঙ্কালটি নুরুল ইসলাম গাজীর হতে পারে এমন সন্দেহে তার স্ত্রীকে খবর দেওয়া হয়। পরে রহিমা বেগম কঙ্কালটির গায়ে থাকা শার্ট দেখে তার স্বামী বলে শনাক্ত করেন। 

রূপনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, কঙ্কালটি নুরুল ইসলামের কি না- তা আগে নিশ্চিত হতে হবে। এজন্য শনিবার ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম এসে নমুনা নিয়ে গেছে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া যাবে কঙ্কাল কার। ওসি বলেন, আর তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না- তা জানা যাবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে। 

এদিকে রূপনগর থানা সূত্রে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম গাজী ও অপহরণ মামলার চার আসামি স্থানীয় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরে নুরুল ইসলাম গাজী মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে রূপনগর এলাকায় একটি মুদির দোকান দেন। মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ায় ওই ৪ আসামির সঙ্গে তার বিরোধ হয়। এই বিরোধের জেরেই তাকে ওই চার জন হত্যা করে থাকতে পারে বলে পুলিশ সন্দেহ করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন