বিমানবন্দরে যাত্রীর পায়ুপথে ও অভিনব কায়দায় রাখা ৪ কেজি স্বর্ণের পেস্ট
jugantor
বিমানবন্দরে যাত্রীর পায়ুপথে ও অভিনব কায়দায় রাখা ৪ কেজি স্বর্ণের পেস্ট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ নভেম্বর ২০২১, ১৮:৪৬:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের চার কেজি স্বর্ণের পেস্টসহ দুই যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

আটক যাত্রীরা হলেন- দেলোয়ার ও রবি মিয়া। দুবাই-সিলেট-ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে স্বর্ণসহ তাদেরকে আটক করা হয়।

শুক্রবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মো. মাসুদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, দুবাই-সিলেট-ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নং-বিজি-০২৪৮ এর মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান হতে পারে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সতর্কতামূলক অবস্থান নেন। পরে দুবাই থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশের ওই এয়ারলাইন্সে অভিযান চালিয়ে বেলা ১১টার দিকে দেলোয়ার ও রবি মিয়া নামের দুই যাত্রীকে শনাক্ত করা হয়।

‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বর্ণ বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে তাদের লাগেজ স্ক্যানিংসহ তাদের আর্চওয়েতে চেকিং করানো হলে দেলোয়ারের লাগেজে এক কেজি ১০০ গ্রাম ও পায়ুপথে ৮৩৫ গ্রামসহ মোট ১ কেজি ৯৩৫ গ্রাম পেস্ট সদৃশ স্বর্ণ পাওয়া যায়। আরেক যাত্রী রবি মিয়ার পায়ের নিম্নাংশে অ্যাংলেট দিয়ে আবৃত ২ কেজি ২২০ গ্রাম পেস্ট সদৃশ স্বর্ণ পাওয়া যায়। দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট চার কেজি ১৫৫ গ্রাম পেস্ট সদৃশ স্বর্ণ পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৯০ হাজার ৮৫ হাজার টাকা। ’

শেখ মো. মাসুদুর রহমান আরও বলেন, বিমানটি দুবাই থেকে সিলেটে অবতরণের পর অভ্যন্তরীণ যাত্রী হিসেবে বিমানে উঠেছিলেন তারা। অভ্যন্তরীণ যাত্রী হিসেবে স্বর্ণ অবৈধভাবে সরকার নির্ধারিত শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে কাস্টমস আইন অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা ও একটি ফৌজদারি মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বিমানবন্দরে যাত্রীর পায়ুপথে ও অভিনব কায়দায় রাখা ৪ কেজি স্বর্ণের পেস্ট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ নভেম্বর ২০২১, ০৬:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের চার কেজি স্বর্ণের পেস্টসহ দুই যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। 

আটক যাত্রীরা হলেন- দেলোয়ার ও রবি মিয়া। দুবাই-সিলেট-ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে স্বর্ণসহ তাদেরকে আটক করা হয়। 

শুক্রবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মো. মাসুদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, দুবাই-সিলেট-ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নং-বিজি-০২৪৮ এর মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান হতে পারে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সতর্কতামূলক অবস্থান নেন। পরে দুবাই থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশের ওই এয়ারলাইন্সে অভিযান চালিয়ে বেলা ১১টার দিকে দেলোয়ার ও রবি মিয়া নামের দুই যাত্রীকে শনাক্ত করা হয়। 

‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বর্ণ বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে তাদের লাগেজ স্ক্যানিংসহ তাদের আর্চওয়েতে চেকিং করানো হলে দেলোয়ারের লাগেজে এক কেজি ১০০ গ্রাম ও পায়ুপথে ৮৩৫ গ্রামসহ মোট ১ কেজি ৯৩৫ গ্রাম পেস্ট সদৃশ স্বর্ণ পাওয়া যায়। আরেক যাত্রী রবি মিয়ার পায়ের নিম্নাংশে অ্যাংলেট দিয়ে আবৃত ২ কেজি ২২০ গ্রাম পেস্ট সদৃশ স্বর্ণ পাওয়া যায়। দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট চার কেজি ১৫৫ গ্রাম পেস্ট সদৃশ স্বর্ণ পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৯০ হাজার ৮৫ হাজার টাকা। ’

শেখ মো. মাসুদুর রহমান আরও বলেন, বিমানটি দুবাই থেকে সিলেটে অবতরণের পর অভ্যন্তরীণ যাত্রী হিসেবে বিমানে উঠেছিলেন তারা। অভ্যন্তরীণ যাত্রী হিসেবে স্বর্ণ অবৈধভাবে সরকার নির্ধারিত শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে কাস্টমস আইন অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা ও একটি ফৌজদারি মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন