গৃহকর্মী সেজে প্রবেশ, ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে পলায়ন, অতঃপর...
jugantor
গৃহকর্মী সেজে প্রবেশ, ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে পলায়ন, অতঃপর...

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ মে ২০২২, ১৯:৩৫:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গৃহকর্মী সেজে রাজধানীর ভাটারায় এক ব্যাংকারের বাসায় ঢুকেছিল চোরচক্রের সদস্য জোসনা। তিন দিনের মাথায় সাড়ে ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ ২৮ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্তে নেমে পুলিশ জোসনা ও তার প্রেমিক জামালকে গ্রেফতার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে জব্দ করা হয়েছে ২০ ভরি স্বর্ণালংকার।

শুক্রবার ভাটারা থানা পুলিশ জানায়, ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ব্যাংকার নাজমুল হুদা গত ২১ মে বাসা থেকে সাড়ে ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকার, ডায়মন্ডের একটি নেকলেস ও দুটি রিং, নগদ ১০ হাজার টাকাসহ মোট ২৮ লাখ ১৫ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে জানিয়ে থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লে­খ করা হয়, গত ১৫ মে তার বাসায় জোসনা খাতুন নামে একজনকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন। এর তিন দিন পর ওই গৃহকর্মী কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরদিন নাজমুল হুদার স্ত্রী দেখতে পান বাসার স্বর্ণালংকার চুরি হয়ে গেছে।

ভুক্তভোগী জানান, তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরিজীবী। বাসায় তার বৃদ্ধা মা ছাড়া কেউ থাকেন না। গৃহকর্মী সাপ্লাই দেওয়া সোর্সের মাধ্যমে জোসনা তার বাসায় কাজ নেন। এই সুযোগে জোসনা বাসার আলমারি থেকে জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পরে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে ভাটারা থানার একটি দল কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জোসনা ও তার প্রেমিক জামালকে রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে জোসনার এক স্বজনের বাসার পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে ২০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা পুলিশকে জানিয়েছে, সে গৃহকর্মী পেশার আড়ালে চুরির সঙ্গে জড়িত। এর আগেও সে এমন চুরি করেছে। চুরি শেষে তাকে পালাতে সহায়তা করেছে প্রেমিক জামাল। গ্রেফতার জামাল পেশায় একজন গাড়িচালক। সে ভাড়ায় বিভিন্ন গাড়ি চালাত।

জোসনার বিরুদ্ধে রাজশাহীতে আরও একটি চুরির মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে জানান ভাটারা থানার ওসি সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা দেখি- অনেকেই বাসার কাজের লোকদের বিষয়ে উদাসীন। কেউ কেউ বাসার মূল্যবান সম্পদের চাবি দিয়ে রাখেন কাজের লোকের হাতে। এসব বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, গৃহকর্মী নিয়োগ দেওয়ার আগে তাদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া উচিত। না হলে এমন ঘটনা বারবার ঘটতে থাকবে।

গৃহকর্মী সেজে প্রবেশ, ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে পলায়ন, অতঃপর...

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ মে ২০২২, ০৭:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গৃহকর্মী সেজে রাজধানীর ভাটারায় এক ব্যাংকারের বাসায় ঢুকেছিল চোরচক্রের সদস্য জোসনা। তিন দিনের মাথায় সাড়ে ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ ২৮ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্তে নেমে পুলিশ জোসনা ও তার প্রেমিক জামালকে গ্রেফতার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে জব্দ করা হয়েছে ২০ ভরি স্বর্ণালংকার। 

শুক্রবার ভাটারা থানা পুলিশ জানায়, ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ব্যাংকার নাজমুল হুদা গত ২১ মে বাসা থেকে সাড়ে ৩৬ ভরি স্বর্ণালংকার, ডায়মন্ডের একটি নেকলেস ও দুটি রিং, নগদ ১০ হাজার টাকাসহ মোট ২৮ লাখ ১৫ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে জানিয়ে থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লে­খ করা হয়, গত ১৫ মে তার বাসায় জোসনা খাতুন নামে একজনকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন। এর তিন দিন পর ওই গৃহকর্মী কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরদিন নাজমুল হুদার স্ত্রী দেখতে পান বাসার স্বর্ণালংকার চুরি হয়ে গেছে। 

ভুক্তভোগী জানান, তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরিজীবী। বাসায় তার বৃদ্ধা মা ছাড়া কেউ থাকেন না। গৃহকর্মী সাপ্লাই দেওয়া সোর্সের মাধ্যমে জোসনা তার বাসায় কাজ নেন। এই সুযোগে জোসনা বাসার আলমারি থেকে জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে যান। 

পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পরে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে ভাটারা থানার একটি দল কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জোসনা ও তার প্রেমিক জামালকে রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে জোসনার এক স্বজনের বাসার পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে ২০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা পুলিশকে জানিয়েছে, সে গৃহকর্মী পেশার আড়ালে চুরির সঙ্গে জড়িত। এর আগেও সে এমন চুরি করেছে। চুরি শেষে তাকে পালাতে সহায়তা করেছে প্রেমিক জামাল।  গ্রেফতার জামাল পেশায় একজন গাড়িচালক। সে ভাড়ায় বিভিন্ন গাড়ি চালাত। 

জোসনার বিরুদ্ধে রাজশাহীতে আরও একটি চুরির মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে জানান ভাটারা থানার ওসি সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা দেখি- অনেকেই বাসার কাজের লোকদের বিষয়ে উদাসীন। কেউ কেউ বাসার মূল্যবান সম্পদের চাবি দিয়ে রাখেন কাজের লোকের হাতে। এসব বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, গৃহকর্মী নিয়োগ দেওয়ার আগে তাদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া উচিত। না হলে এমন ঘটনা বারবার ঘটতে থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন