সুপার শপে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ৪
jugantor
সুপার শপে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ৪

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ আগস্ট ২০২২, ২২:৩১:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রিটেইল চেইন সুপারশপে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেফতারদের সবাই প্রতারণার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

গ্রেফতাররা হলেন- আরিফ মিয়া, হুমায়ুন কবির ওরফে হিমু, ফাহিম এবং বাপন সাহা।

পুলিশ জানায়, চাকরির ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রচারসহ প্রতারণার একাধিক অভিযোগ পেয়ে একটি সুপারশপের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম। অভিযোগ এবং ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়।

অপরাধীদের গ্রেফতারে ৬-৭ আগস্ট সিরিজ অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিমকার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের জাল কাগজপত্র জব্দ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ টিমের এএসপি ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ যুগান্তরকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। তবে চাকরিপ্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্ত থেকে শুরু করে নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য কোথাও দেওয়ার আগে আরও সতর্ক থাকা উচিত। অন্যথায় তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার হতে পারে। এর ফলে যে কেউ প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

এদিকে ওইসুপারশপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়ে তাকে। বিশেষ করে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সব যোগাযোগ করা হয় তাদের অফিসিয়াল ইমেইলের মাধ্যমে। এর বাইরে অন্য কোনোভাবে যোগাযোগ করা হয় না।তাই সুপারশপেনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতারকদের চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ না হওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

সুপার শপে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেফতার ৪

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ আগস্ট ২০২২, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রিটেইল চেইন সুপারশপে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেফতারদের সবাই প্রতারণার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। 

গ্রেফতাররা হলেন- আরিফ মিয়া, হুমায়ুন কবির ওরফে হিমু, ফাহিম এবং বাপন সাহা। 

পুলিশ জানায়, চাকরির ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রচারসহ প্রতারণার একাধিক অভিযোগ পেয়ে একটি সুপারশপের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম। অভিযোগ এবং ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়। 

অপরাধীদের গ্রেফতারে ৬-৭ আগস্ট সিরিজ অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সিমকার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের জাল কাগজপত্র জব্দ করা হয়। 

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ টিমের এএসপি ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ যুগান্তরকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। তবে চাকরিপ্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্ত থেকে শুরু করে নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য কোথাও দেওয়ার আগে আরও সতর্ক থাকা উচিত। অন্যথায় তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার হতে পারে। এর ফলে যে কেউ প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

এদিকে ওই সুপারশপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়ে তাকে। বিশেষ করে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সব যোগাযোগ করা হয় তাদের অফিসিয়াল ইমেইলের মাধ্যমে। এর বাইরে অন্য কোনোভাবে যোগাযোগ করা হয় না।তাই সুপারশপে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতারকদের চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ না হওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর