এক যুগ ধরে লঞ্চ যাত্রীদের মালামাল লুট করছিল তারা
jugantor
এক যুগ ধরে লঞ্চ যাত্রীদের মালামাল লুট করছিল তারা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২২:১৪:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

লঞ্চ যাত্রীদের মালামাল চুরি করার সঙ্গে জড়িত চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নৌ-পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত অন্তত দুই ডজন চোরের খোঁজে মাঠে নেমেছে নৌ-পুলিশ। গ্রেফতার চোরদের তথ্যানুযায়ী, নৌপথে বিশেষ করে বিভিন্ন লঞ্চে এরা যাত্রীবেশে উঠে সাধারণ যাত্রীদের মালামাল চুরি করে পালিয়ে যায়। শুরুতে লঞ্চ যাত্রীদের টার্গেট করে মালামাল ও টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয় চক্রটির সদস্যরা। অনেক যাত্রীদের খাবার খাইয়ে অজ্ঞান করেও লুট করে সব। এক যুগ ধরে তারা এ কাজ করে আসছে।

গ্রেফতাররা হলেন- বরিশালের বাকেরগঞ্জর পূর্ব দূর্গাপুর এলাকার সাহেব আলী বিশ্বাসের ছেলে মো. খাইরুল ইসলাম বিশ্বাস (৩০) ও একই এলাকার খালেক হাওলাদারের ছেলে মো. স্বপন হাওলাদার (৪২)। সোমবার সদরঘারে লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে নৌ-পুলিশ।

গ্রেফতারের পর তাদের নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে লঞ্চ কেবিন খোলার কাজে ব্যবহৃত নকল চাবি, চুরি-ছিনতাই শেষে মালামাল বহনের কাজে ব্যবহৃত ব্যাগ, জুসের বোতল, দুটি মোবাইল ফোন, যাত্রীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া ৮ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে পুলিশ প্লাজায় নৌ-পুলিশের সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম বাহন যাত্রীবাহী লঞ্চ। আর এই লঞ্চে যাতায়াত করা মানুষকে টার্গেট করে মালামাল চুরি ও টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে আসছিল একটি চক্র। চক্রের সদস্যরা বহুদিন ধরে চুরি করে আসছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছে, তারা সদরঘাট কেন্দ্রিক ছিনতাই, চুরি ও অজ্ঞান পার্টির সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে অভিনব কৌশলে লঞ্চে চুরি করতে। এদের সঙ্গে প্রায় ২ ডজন চোর রয়েছে। চোরচক্রের মূলহোতা খাইরুলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ৮টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানায় চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এক যুগ ধরে লঞ্চ যাত্রীদের মালামাল লুট করছিল তারা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লঞ্চ যাত্রীদের মালামাল চুরি করার সঙ্গে জড়িত চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নৌ-পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত অন্তত দুই ডজন চোরের খোঁজে মাঠে নেমেছে নৌ-পুলিশ। গ্রেফতার চোরদের তথ্যানুযায়ী, নৌপথে বিশেষ করে বিভিন্ন লঞ্চে এরা যাত্রীবেশে উঠে সাধারণ যাত্রীদের মালামাল চুরি করে পালিয়ে যায়। শুরুতে লঞ্চ যাত্রীদের টার্গেট করে মালামাল ও টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয় চক্রটির সদস্যরা। অনেক যাত্রীদের খাবার খাইয়ে অজ্ঞান করেও লুট করে সব। এক যুগ ধরে তারা এ কাজ করে আসছে।

গ্রেফতাররা হলেন- বরিশালের বাকেরগঞ্জর পূর্ব দূর্গাপুর এলাকার সাহেব আলী বিশ্বাসের ছেলে মো. খাইরুল ইসলাম বিশ্বাস (৩০) ও একই এলাকার খালেক হাওলাদারের ছেলে মো. স্বপন হাওলাদার (৪২)। সোমবার সদরঘারে লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে নৌ-পুলিশ। 

গ্রেফতারের পর তাদের নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে লঞ্চ কেবিন খোলার কাজে ব্যবহৃত নকল চাবি, চুরি-ছিনতাই শেষে মালামাল বহনের কাজে ব্যবহৃত ব্যাগ, জুসের বোতল, দুটি মোবাইল ফোন, যাত্রীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া ৮ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে পুলিশ প্লাজায় নৌ-পুলিশের সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এ তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম বাহন যাত্রীবাহী লঞ্চ। আর এই লঞ্চে যাতায়াত করা মানুষকে টার্গেট করে মালামাল চুরি ও টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে আসছিল একটি চক্র। চক্রের সদস্যরা বহুদিন ধরে চুরি করে আসছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছে, তারা সদরঘাট কেন্দ্রিক ছিনতাই, চুরি ও অজ্ঞান পার্টির সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে অভিনব কৌশলে লঞ্চে চুরি করতে। এদের সঙ্গে প্রায় ২ ডজন চোর রয়েছে। চোরচক্রের মূলহোতা খাইরুলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ৮টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ থানায় চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর