মাতব্বররা উপদেশ দেন, কিন্তু রোহিঙ্গাদের নেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
মাতব্বররা উপদেশ দেন, কিন্তু রোহিঙ্গাদের নেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ মে ২০২০, ১৯:৪৩:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

মাতব্বররা উপদেশ দেন, কিন্তু রোহিঙ্গাদের নেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। ফাইল ছবি

আরও রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বানের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, 
বাংলাদেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমাদের পক্ষে এর বেশি আর সম্ভব নয়। 

শুক্রবার সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, যারা বিশ্বে বড় বড় মাতব্বর। যারা সব সময় আমাদের উপদেশ দেন, তারা কিছু রোহিঙ্গা নিতে পারেন। তবে তারা নেন না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেদিন ইউরোপের একজন রাষ্ট্রদূত আমার কাছে এসেছিলেন। আমি বলেছি, আমার দেশের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ডলার, আর আপনার দেশের মাথাপিছু আয় ৫৬ হাজার ডলার। আমার দেশে প্রতি বর্গমাইলে ১২০০ লোক থাকেন আর আপনার দেশে প্রতি বর্গমাইলে ১৫ জন লোক থাকেন। আপনারা কিছু রোহিঙ্গা নিয়ে যান। আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে অনেক ঘিঞ্জি পরিবেশে থাকেন। তারা ভাসানচরে গেলে ভালো পরিবেশের পাশাপাশি কাজের সুযোগও পাবেন। রাখাইনে যেমন মাছ ধরতেন, কৃষিকাজ করতেন, তেমন সুবিধা সেখানেও পাবেন। তারা অর্থনৈতিক কাজে যুক্ত হতে পারবেন। এতে তাদের ভালো হবে।

মাতব্বররা উপদেশ দেন, কিন্তু রোহিঙ্গাদের নেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ মে ২০২০, ০৭:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাতব্বররা উপদেশ দেন, কিন্তু রোহিঙ্গাদের নেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। ফাইল ছবি

আরও রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বানের বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন,
বাংলাদেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমাদের পক্ষে এর বেশি আর সম্ভব নয়।

শুক্রবার সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, যারা বিশ্বে বড় বড় মাতব্বর। যারা সব সময় আমাদের উপদেশ দেন, তারা কিছু রোহিঙ্গা নিতে পারেন। তবে তারা নেন না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেদিন ইউরোপের একজন রাষ্ট্রদূত আমার কাছে এসেছিলেন। আমি বলেছি, আমার দেশের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ডলার, আর আপনার দেশের মাথাপিছু আয় ৫৬ হাজার ডলার। আমার দেশে প্রতি বর্গমাইলে ১২০০ লোক থাকেন আর আপনার দেশে প্রতি বর্গমাইলে ১৫ জন লোক থাকেন। আপনারা কিছু রোহিঙ্গা নিয়ে যান। আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে অনেক ঘিঞ্জি পরিবেশে থাকেন। তারা ভাসানচরে গেলে ভালো পরিবেশের পাশাপাশি কাজের সুযোগও পাবেন। রাখাইনে যেমন মাছ ধরতেন, কৃষিকাজ করতেন, তেমন সুবিধা সেখানেও পাবেন। তারা অর্থনৈতিক কাজে যুক্ত হতে পারবেন। এতে তাদের ভালো হবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা