ধানমণ্ডি-বনানীর হোটেল-গেস্ট হাউজ দুই দিন বন্ধ, মেসে নজরদারি
jugantor
শোক দিবসের নিরাপত্তা
ধানমণ্ডি-বনানীর হোটেল-গেস্ট হাউজ দুই দিন বন্ধ, মেসে নজরদারি

  অনলাইন ডেস্ক  

১৩ আগস্ট ২০২০, ২০:২৯:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর এলাকাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর এলাকাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। ছবি: স্টার মেইল

জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে শুক্রবার থেকে দুই দিন ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর ও বনানী কবরস্থানের আশপাশ এলাকার হোটেল, গেস্ট হাউজ বন্ধ থাকবে। ওই সময়ে এসব এলাকার মেসগুলোতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর এলাকাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপনের জন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। 

ডিএমপি মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ওয়ালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমণ্ডি-৩২ ও বনানী কবরস্থানকেন্দ্রিক  অনুষ্ঠান স্থল ও তার আশপাশের এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ভেন্যুকেন্দ্রিক অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি দ্বারা মনিটরিং করা হবে।  

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। সেই সঙ্গে ডগ স্কোয়াড ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করা হবে।  

ধানমণ্ডি লেকে মোতায়েন থাকবে নৌ পুলিশের টহল। ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানকে ঘিরে ধানমণ্ডি ৩২ কেন্দ্রিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দুই ভেন্যুতেই থাকবে মেডিকেল টিম।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানমণ্ডি-৩২ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা প্রত্যেক ব্যক্তিকে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে আর্চওয়ের ভেতর  দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে বনানী কবরস্থানেও আর্চওয়ে, চেকপোস্ট থাকবে এবং সবাইকে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে।

আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য তল্লাশি, ব্লক রেইড এবং চেকপোস্টের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে থাকবে স্বেচ্ছাসেবক।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরে ভিভিআইপি, ভিআইপি, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা মানিক মিয়া এভিনিউ (ধানমণ্ডি ২৭ নম্বর ক্রসিং), মিরপুর রোড (মেট্রো শপিংমল মোড়), ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ এবং একই পথে বের হবেন। বিভিন্ন দল, প্রতিষ্ঠান এবং সর্বসাধারণের একমুখী আসা-যাওয়ার জন্য রাসেল স্কয়ার থেকে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরের পূর্ব দিক দিয়ে প্রবেশ করে পশ্চিম দিকে বের হবেন।

ডিএমপি জানিয়েছে, শোক দিবস উপলক্ষে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর ও বনানী কবরস্থান এলাকায় আগতদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান রাখা হয়েছে। মিরপুর রোড ও ধানমণ্ডি-৩২ এর  চতুর্দিকে মোটরসাইকেল পার্কিং নিষেধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক পোস্ট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে।

শোক দিবসের নিরাপত্তা

ধানমণ্ডি-বনানীর হোটেল-গেস্ট হাউজ দুই দিন বন্ধ, মেসে নজরদারি

 অনলাইন ডেস্ক 
১৩ আগস্ট ২০২০, ০৮:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর এলাকাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর এলাকাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। ছবি: স্টার মেইল

জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে শুক্রবার থেকে দুই দিন ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর ও বনানী কবরস্থানের আশপাশ এলাকার হোটেল, গেস্ট হাউজ বন্ধ থাকবে। ওই সময়ে এসব এলাকার মেসগুলোতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর এলাকাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপনের জন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ডিএমপি মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ওয়ালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমণ্ডি-৩২ ও বনানী কবরস্থানকেন্দ্রিক অনুষ্ঠান স্থল ও তার আশপাশের এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। ভেন্যুকেন্দ্রিক অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি দ্বারা মনিটরিং করা হবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। সেই সঙ্গে ডগ স্কোয়াড ও বোম ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করা হবে।

ধানমণ্ডি লেকে মোতায়েন থাকবে নৌ পুলিশের টহল। ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানকে ঘিরে ধানমণ্ডি ৩২ কেন্দ্রিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দুই ভেন্যুতেই থাকবে মেডিকেল টিম।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানমণ্ডি-৩২ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা প্রত্যেক ব্যক্তিকে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে বনানী কবরস্থানেও আর্চওয়ে, চেকপোস্ট থাকবে এবং সবাইকে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে।

আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য তল্লাশি, ব্লক রেইড এবং চেকপোস্টের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে থাকবে স্বেচ্ছাসেবক।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরে ভিভিআইপি, ভিআইপি, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা মানিক মিয়া এভিনিউ (ধানমণ্ডি ২৭ নম্বর ক্রসিং), মিরপুর রোড (মেট্রো শপিংমল মোড়), ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ এবং একই পথে বের হবেন। বিভিন্ন দল, প্রতিষ্ঠান এবং সর্বসাধারণের একমুখী আসা-যাওয়ার জন্য রাসেল স্কয়ার থেকে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরের পূর্ব দিক দিয়ে প্রবেশ করে পশ্চিম দিকে বের হবেন।

ডিএমপি জানিয়েছে, শোক দিবস উপলক্ষে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বর ও বনানী কবরস্থান এলাকায় আগতদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান রাখা হয়েছে। মিরপুর রোড ও ধানমণ্ডি-৩২ এর চতুর্দিকে মোটরসাইকেল পার্কিং নিষেধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক পোস্ট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে।