শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ল
jugantor
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৬:৪৩:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারি করোনাভাইরাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আরও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ছুটির সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে সরকার।

শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এমএ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ স্কুল, কলেজসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে অনলাইনে ক্লাস চলছে।

তাছাড়া গত বছরের এইচএসসি ও সমমান, প্রাথমিক সমাপনী ও সমমান এবং জেএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করে সরকার। বর্তমানে অফিস-আদালতের কার্যক্রম ধীরে ধীরে চালু হয়ে গেলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো খুলে দেয়া হয়নি।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুরা যাতে আবার তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে আসতে পারে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পুনরায় শুরু করতে পারে সে জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মিরপুর সেনানিবাসের জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজে জাতীয় প্রতিরক্ষা কোর্স-২০২০ এবং সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্স-২০২০-এর স্নাতক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, আমরা আশা করি ভবিষ্যতে ভালো দিন আসতে পারে, আমাদের শিশুরা তাদের স্কুলে যেতে সক্ষম হবে, তারা স্বাভাবিকভাবে তাদের পড়াশোনা শুরু করবে। আমরা সে লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

তবে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিবেচনায় মার্চ মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারে বলে গত ৬ জানুয়ারি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ওইদিন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক অনুষ্ঠানে নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি একথা জানান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ জানুয়ারি ২০২১, ০৪:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মহামারি করোনাভাইরাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আরও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ছুটির সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে সরকার।

শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এমএ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ স্কুল, কলেজসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে অনলাইনে ক্লাস চলছে।

তাছাড়া গত বছরের এইচএসসি ও সমমান, প্রাথমিক সমাপনী ও সমমান এবং জেএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করে সরকার। বর্তমানে অফিস-আদালতের কার্যক্রম ধীরে ধীরে চালু হয়ে গেলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো খুলে দেয়া হয়নি।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুরা যাতে আবার তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে আসতে পারে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পুনরায় শুরু করতে পারে সে জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মিরপুর সেনানিবাসের জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজে জাতীয় প্রতিরক্ষা কোর্স-২০২০ এবং সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্স-২০২০-এর স্নাতক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, আমরা আশা করি ভবিষ্যতে ভালো দিন আসতে পারে, আমাদের শিশুরা তাদের স্কুলে যেতে সক্ষম হবে, তারা স্বাভাবিকভাবে তাদের পড়াশোনা শুরু করবে। আমরা সে লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

তবে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিবেচনায় মার্চ মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারে বলে গত ৬ জানুয়ারি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ওইদিন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক অনুষ্ঠানে নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি একথা জানান। 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১