‘আবারও প্রমাণ হলো’
jugantor
‘আবারও প্রমাণ হলো’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৩৭:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

এক নার্সকে করোনা টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

প্রথম টিকা গ্রহণকারীর নাম রুনু ভেরোনিকা কস্তা। তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স। বুধবার বিকালে যখন টিকা নিতে রুনু অনুষ্ঠানস্থল বুথের সামনে আসেন তখন ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকা প্রধানমন্ত্রী তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ভয় পাচ্ছ না তো?’ জবাবে রুনু বলেন, ‘না’। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করে বলেন, দোয়া করি তুমি জীবনে আরও অনেক মানুষের সেবা করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই টিকাদান শুরু করাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ এখনো করোনার টিকাদান শুরু করতে পারেনি, কিন্তু মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ এই কার্যক্রম শুরু করেছে।

এরপর পর্যায়ক্রমে টিকা নেন ডা. আহমেদ লুৎফুল মোবেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশ মো. দিদারুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরান হামিদ। এ সময় তাদের প্রত্যেককে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে তা আবারও প্রমাণ হলো। শিগগিরই সারা দেশে টিকা দেওয়া শুরু হবে, যাতে দেশের মানুষ করোনার বিরুদ্ধে সুরক্ষা পায়।

বাংলাদেশ ৩ কোটি ৪০ লাখ ভ্যাকসিন পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ভ্যাকসিন আনার জন্য চুক্তি করেছি। আমরা ভ্যাকসিন প্রয়োগের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আমাদের দুর্ভাগ্য কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা সবকিছুতেই নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে। তারা মানুষকে সাহায্য করে না, উল্টো ভয়ভীতি ঢুকানোর চেষ্টা। তারা ‘সবকিছু ভালো লাগে না’ রোগে ভোগে। তারা যত সমালোচনা করেছে আমরা তত দ্রুত কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।

‘আবারও প্রমাণ হলো’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এক নার্সকে করোনা টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

প্রথম টিকা গ্রহণকারীর নাম রুনু ভেরোনিকা কস্তা। তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স। বুধবার বিকালে যখন টিকা নিতে রুনু অনুষ্ঠানস্থল বুথের সামনে আসেন তখন ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকা প্রধানমন্ত্রী তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ভয় পাচ্ছ না তো?’ জবাবে রুনু বলেন, ‘না’। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার প্রশংসা করে বলেন, দোয়া করি তুমি জীবনে আরও অনেক মানুষের সেবা করবে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই টিকাদান শুরু করাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ এখনো করোনার টিকাদান শুরু করতে পারেনি, কিন্তু মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ এই কার্যক্রম শুরু করেছে।

এরপর পর্যায়ক্রমে টিকা নেন ডা. আহমেদ লুৎফুল মোবেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশ মো. দিদারুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরান হামিদ। এ সময় তাদের প্রত্যেককে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে তা আবারও প্রমাণ হলো। শিগগিরই সারা দেশে টিকা দেওয়া শুরু হবে, যাতে দেশের মানুষ করোনার বিরুদ্ধে সুরক্ষা পায়। 

বাংলাদেশ ৩ কোটি ৪০ লাখ ভ্যাকসিন পাবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ভ্যাকসিন আনার জন্য চুক্তি করেছি। আমরা ভ্যাকসিন প্রয়োগের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। আমাদের দুর্ভাগ্য কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা সবকিছুতেই নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে। তারা মানুষকে সাহায্য করে না, উল্টো ভয়ভীতি ঢুকানোর চেষ্টা। তারা ‘সবকিছু ভালো লাগে না’ রোগে ভোগে। তারা যত সমালোচনা করেছে আমরা তত দ্রুত কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস