যে শঙ্কায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
jugantor
যে শঙ্কায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জুন ২০২১, ১৯:৪০:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ না মানলে চলমান করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে- এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত নিয়মিত করোনা বুলেটিনে এ শঙ্কার কথা জানান অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। পজিটিভিটির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ঢাকার চারপাশে কঠোর লকডাউনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আপাতত ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাত জেলার সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখছি। যদি সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি এবং ঢাকার পরিস্থিতি নাজুক হয়, তা হলে শুরুতে ঢাকাকে লকডাউনের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধিদপ্তরের বুলেটিনে সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ মানতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনে কঠোর হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন ডা. রোবেদ আমিন।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৮৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট ১৩ হাজার ৭৮৭ জনের মৃত্যু হলো। দেশে নতুন করে আরও ৫ হাজার ৭২৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, এই ঊর্ধ্ব সংক্রমণ পরিস্থিতিতে জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা, হাসপাতালে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া এবং মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে। এর ব্যত্যয় হলে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে।

প্রসঙ্গত মঙ্গলবার থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ঢাকার পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে লকডাউন ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ফলে এসব এলাকার কোনো গণপরিবহণ ঢাকায় প্রবেশ করতে পারছে না।

যে শঙ্কায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জুন ২০২১, ০৭:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ না মানলে চলমান করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে- এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত নিয়মিত করোনা বুলেটিনে এ শঙ্কার কথা জানান অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। পজিটিভিটির সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ঢাকার চারপাশে কঠোর লকডাউনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আপাতত ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাত জেলার সংক্রমণ পরিস্থিতি দেখছি। যদি সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি এবং ঢাকার পরিস্থিতি নাজুক হয়, তা হলে শুরুতে ঢাকাকে লকডাউনের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধিদপ্তরের বুলেটিনে সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ মানতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনে কঠোর হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন ডা. রোবেদ আমিন।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৮৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট ১৩ হাজার ৭৮৭ জনের মৃত্যু হলো।  দেশে নতুন করে আরও ৫ হাজার ৭২৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, এই ঊর্ধ্ব সংক্রমণ পরিস্থিতিতে জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা, হাসপাতালে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দেওয়া, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া এবং মৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে। এর ব্যত্যয় হলে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে।

প্রসঙ্গত মঙ্গলবার থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ঢাকার পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে লকডাউন ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।  ফলে এসব এলাকার কোনো গণপরিবহণ ঢাকায় প্রবেশ করতে পারছে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও খবর