অর্থ পাচারকারীদের ধরতে কোনো মেকানিজম নেই অর্থমন্ত্রীর কাছে
jugantor
অর্থ পাচারকারীদের ধরতে কোনো মেকানিজম নেই অর্থমন্ত্রীর কাছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:৫৯:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বিদেশে টাকা পাচারকারীদের খোঁজ পেতে আপনার হাতে কি কোনো মেকানিজম নেই- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমার তো কোনো নিজস্ব মেকানিজম নেই। মেকানিজম হলো- সরকারের টাকা মেকানিজম। দেশের সব মানুষের টাকা মেকানিজম। আমার আছে আইন।

বুধবার দুপুরে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের আইনের জন্য আমাদের যে ব্যবস্থা সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। কেউ যদি দুর্নীতি করে, কেউ যদি পাচার করে, মামলা করা হয় এবং তাদের জেলে নেওয়া হয়, সাজা দেওয়া হয়। কোর্ট যা মনে করবে সেভাবে বিচার ব্যবস্থা চলছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদে কথা বলার আগে থেকেই আমি বলেছিলাম- আমাকে সুস্পষ্টভাবে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের তথ্য জানাতে। সেভাবে না পেলেও পত্রপত্রিকায় কিছু নাম পেয়েছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট যারা আছে তারা কাজ করছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনগত প্রক্রিয়ায় যাকে, যা শাস্তি দেওয়ার সেই শাস্তি সে পাচ্ছে।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর সংসদে একটি বিল পাসের আলোচনায় বিরোধী দলের একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণ ছাড়িয়েছে এক লাখ কোটি টাকার বেশি। এসব বিষয়ে তারা অর্থমন্ত্রীর জবাব চান এবং একটি ব্যাংক কমিশন গঠনের দাবি তুলেন।শুরুতে অর্থমন্ত্রী এসব বিষয় নিয়ে নীরব থাকায় সংসদ সদস্যদের সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে অর্থমন্ত্রী কথা বলেন।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে দেশ থেকে অর্থ পাচার কারা করে জানেন না জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, অনেকে বলেছেন দেশ থেকে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। আমি আপনাদের বলেছি, যারা পাচার করে তাদের তালিকা আমাকে দেন। আমিতো পাচার করি না। আমি বিশ্বাস করি আপনারাও পাচার করেন না। সুতরাং পাচার কে করে, আমি জানব কেমন করে, যদি আপনারা না দেন।

অর্থ পাচারকারীদের ধরতে কোনো মেকানিজম নেই অর্থমন্ত্রীর কাছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিদেশে টাকা পাচারকারীদের খোঁজ পেতে আপনার হাতে কি কোনো মেকানিজম নেই- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমার তো কোনো নিজস্ব মেকানিজম নেই। মেকানিজম হলো- সরকারের টাকা মেকানিজম। দেশের সব মানুষের টাকা মেকানিজম। আমার আছে আইন। 

বুধবার দুপুরে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের আইনের জন্য আমাদের যে ব্যবস্থা সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। কেউ যদি দুর্নীতি করে, কেউ যদি পাচার করে, মামলা করা হয় এবং তাদের জেলে নেওয়া হয়, সাজা দেওয়া হয়। কোর্ট যা মনে করবে সেভাবে বিচার ব্যবস্থা চলছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদে কথা বলার আগে থেকেই আমি বলেছিলাম- আমাকে সুস্পষ্টভাবে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের তথ্য জানাতে। সেভাবে না পেলেও পত্রপত্রিকায় কিছু নাম পেয়েছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট যারা আছে তারা কাজ করছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনগত প্রক্রিয়ায় যাকে, যা শাস্তি দেওয়ার সেই শাস্তি সে পাচ্ছে।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর সংসদে একটি বিল পাসের আলোচনায় বিরোধী দলের একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণ ছাড়িয়েছে এক লাখ কোটি টাকার বেশি। এসব বিষয়ে তারা অর্থমন্ত্রীর জবাব চান এবং একটি ব্যাংক কমিশন গঠনের দাবি তুলেন।শুরুতে অর্থমন্ত্রী এসব বিষয় নিয়ে নীরব থাকায় সংসদ সদস্যদের সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে অর্থমন্ত্রী কথা বলেন।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে দেশ থেকে অর্থ পাচার কারা করে জানেন না জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, অনেকে বলেছেন দেশ থেকে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। আমি আপনাদের বলেছি, যারা পাচার করে তাদের তালিকা আমাকে দেন। আমিতো পাচার করি না। আমি বিশ্বাস করি আপনারাও পাচার করেন না। সুতরাং পাচার কে করে, আমি জানব কেমন করে, যদি আপনারা না দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন